২০৩০ বিশ্বকাপে বাছাই ছাড়াই খেলবে আর্জেন্টিনা
মেলবোর্ন, ২৫ জুলাই: ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে শিরোপার খুব কাছাকাছি গিয়েও স্পেনের কাছে হেরে স্বপ্ন ভঙ্গ হয় আর্জেন্টিনার। তবে সেই হতাশার মধ্যেই ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে…
মেলবোর্ন, ২৫ জুলাই: রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পরও বাংলাদেশের সংবিধান ও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী আজীবন পেনশনসহ বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির পেনশন, গ্র্যাচুইটি ও অন্যান্য সুবিধা আইন এবং রাষ্ট্রপতির (বেতন ও বিশেষাধিকার) আইন, ১৯৭৫ অনুযায়ী তিনি আর্থিক ভাতা ছাড়াও সরকারি নানা সুবিধা ভোগের অধিকারী থাকবেন।
মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আইনে বলা হয়েছে, কোনো রাষ্ট্রপতি ছয় মাসের বেশি দায়িত্ব পালন করলে তিনি শেষ প্রাপ্ত বেতনের ৭৫ শতাংশ হারে আজীবন মাসিক পেনশন পাওয়ার অধিকার অর্জন করেন।
সংশোধিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মাসিক বেতন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। সেই হিসেবে পদত্যাগের পর মো. সাহাবুদ্দিন প্রতি মাসে ৯০ হাজার টাকা পেনশন পাবেন।
তবে আইনে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্তও রয়েছে। রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে যদি কেউ সরকারি অন্য কোনো পদ থেকে পেনশন পেয়ে থাকেন, তাহলে তিনি রাষ্ট্রপতির পেনশন অথবা আগের পেনশনের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে পারবেন। দুটি পেনশন একসঙ্গে গ্রহণের সুযোগ নেই।
আইনে মাসিক পেনশনের পরিবর্তে এককালীন গ্র্যাচুইটি গ্রহণের সুযোগও রাখা হয়েছে। এ সুবিধা নিতে হলে যোগ্যতা অর্জনের এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। গ্র্যাচুইটির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় এক বছরের পেনশনের সমপরিমাণ অর্থকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের বছরের সংখ্যার সঙ্গে গুণ করে। এ ক্ষেত্রে এক বছরের কম সময়ও পূর্ণ এক বছর হিসেবে গণনা করা হয়।
কোনো সাবেক রাষ্ট্রপতি পেনশন বা গ্র্যাচুইটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই মৃত্যুবরণ করলে এবং তিনি ছয় মাসের বেশি দায়িত্ব পালন করে থাকলে, আইন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্র্যাচুইটি প্রাপ্য বলে বিবেচিত হবে। সে অর্থ মনোনীত ব্যক্তি অথবা আইনগত উত্তরাধিকারীদের প্রদান করা হবে।
আর্থিক সুবিধার পাশাপাশি মো. সাহাবুদ্দিন একজন ব্যক্তিগত সহকারী, একজন পরিচারক এবং সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বার্ষিক দাপ্তরিক ব্যয় ভাতা পাবেন। এছাড়া তিনি মন্ত্রীর সমমানের চিকিৎসাসেবা, সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য সরকারি যানবাহন ব্যবহারের সুযোগ, সরকারি খরচে টেলিফোন সংযোগ, কূটনৈতিক পাসপোর্ট এবং দেশের বিভিন্ন সরকারি সার্কিট হাউস ও রেস্ট হাউসে বিনা খরচে থাকার সুবিধা ভোগ করবেন।
তার স্ত্রীও মন্ত্রীর সমমানের চিকিৎসাসুবিধা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট এবং দেশের সরকারি সার্কিট হাউস ও রেস্ট হাউসে বিনা খরচে থাকার সুযোগ পাবেন।
তবে আইনে এসব সুবিধা বাতিলেরও বিধান রয়েছে। কোনো সাবেক রাষ্ট্রপতি যদি পরে এমন কোনো সরকারি পদ বা দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যেখান থেকে রাষ্ট্রের সংযুক্ত তহবিল (কনসোলিডেটেড ফান্ড) থেকে বেতন বা অন্য সুবিধা দেওয়া হয়, তাহলে তিনি রাষ্ট্রপতির পেনশন ও সংশ্লিষ্ট সুবিধা হারাবেন।
এছাড়া পেনশন পাওয়ার যোগ্যতা অর্জনের পর নৈতিক স্খলনসংক্রান্ত কোনো অপরাধে আদালতে দোষী সাব্যস্ত হলে কিংবা উচ্চ আদালত যদি রায় দেন যে তিনি অসাংবিধানিক বা অবৈধ উপায়ে রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন, সেক্ষেত্রেও তার পেনশন ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা বাতিল হয়ে যাবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au