বাংলাদেশ

বিএনপি সরকার উৎখাত করে ‘বিপ্লবী সরকার’ গঠনের ছক, যেভাবে করা হচ্ছে পরিকল্পনা

  • 5:09 pm - September 29, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৮৬ বার
বিএনপি সরকার উৎখাত করে 'বিপ্লবী সরকার' গঠনের ছক, যেভাবে করা হচ্ছে পরিকল্পনা।ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে বিএনপি সরকারকে সরিয়ে একটি ‘বিপ্লবী সরকার’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি জোট দুই ধাপে পরিকল্পনা করছে বলে দাবি করেছে ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ফেডারেল। ২৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সাংবাদিক সুবীর ভৌমিক দাবি করেন, কথিত পরিকল্পনার প্রথম ধাপে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করা এবং দ্বিতীয় ধাপে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের রাজপথের আন্দোলন গড়ে তোলার কথা রয়েছে।

দ্য ফেডারেলের ‘দ্য ফেডারেল স্পেশাল’ বিভাগে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত ও বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জামায়াত নেতৃত্বাধীন একটি জোটের কথিত পরিকল্পনা সম্পর্কে তথ্য পেয়েছে। প্রতিবেদনে এর চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সরিয়ে নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি করার একটি পরিকল্পনার কথা দাবি করা হয়েছে। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো প্রকাশ্য নথি বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হয়নি।

প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত আন্দোলনে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির ভূমিকা থাকার কথা বলা হয়েছে। দলটিকে প্রতিবেদনে মুহাম্মদ ইউনূসের ঘনিষ্ঠ তরুণ নেতাদের তৈরি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ইসলামপন্থী জোট এবং কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার একটি অংশ বিএনপি সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্ট বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ওই গোষ্ঠীর অভিযোগ হচ্ছে, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং নতুন একটি সংবিধান প্রণয়নের দিকে এগোয়নি। একই সঙ্গে ভারত বিএনপিকে সমর্থন করে তাদের ক্ষমতায় আসার পথ তৈরি করেছে এবং আওয়ামী লীগের ভোটারদের সমর্থন বিএনপির নির্বাচনী সাফল্যে ভূমিকা রেখেছে বলেও কথিত পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ধারণা হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তান, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত ‘ডিপ স্টেট’-এর কিছু অংশের সমর্থনের দাবিও প্রতিবেদনে রয়েছে, যদিও এর পক্ষে স্বাধীন প্রমাণ দেওয়া হয়নি।

‘অপারেশন দমন’-এর দাবি

দ্য ফেডারেলের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সাবেক ব্রিগেডিয়ার আবদুল্লাহিল আমান আজমির নেতৃত্বে ইসলামপন্থী কৌশল নির্ধারকদের একটি অংশ দুই ধাপের এই পরিকল্পনা তৈরি করেছে। প্রথম ধাপের নাম হিসেবে ‘অপারেশন দমন’ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর উদ্দেশ্য আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক সক্ষমতা দুর্বল করা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার পর আওয়ামী লীগ নতুন করে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকেই কথিত এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, শেখ হাসিনা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে ডিসেম্বর মাসে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বাংলাদেশে ফেরার কথা জানিয়েছেন।

একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশি সামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য গণআন্দোলন ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের সক্রিয় নেতাদের লক্ষ্য করার মতো গুরুতর অভিযোগও প্রতিবেদনে রয়েছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, দেশের ৬৪ জেলায় আওয়ামী লীগের ১৫ থেকে ২০ জন করে সক্রিয় নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দলটির সাংগঠনিক সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট নথি, মামলা বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়নি।

সংখ্যালঘুদের নিয়ে গুরুতর অভিযোগ

কথিত ‘অপারেশন দমন’-এর আরেকটি অংশ হিসেবে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগও প্রতিবেদনে করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের ওপর চাপ তৈরি করে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি ভারতের সমর্থন কমানোর চেষ্টা হতে পারে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রেও প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট ঘটনার বিস্তারিত তথ্য বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। ফলে এগুলোকে প্রতিবেদনে উত্থাপিত দাবি হিসেবেই দেখা প্রয়োজন।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও কারাগারে থাকা নেতাদের দণ্ড কার্যকরের উদ্যোগের কথাও কথিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনী গঠনের দাবিও প্রতিবেদনে

দ্য ফেডারেলের প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, ইসলামপন্থী একটি সশস্ত্র বাহিনী বা মিলিশিয়া গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাবেক ডিজিএফআই প্রধান রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী তুরস্কে অবস্থান করে এ ধরনের একটি বাহিনীর জন্য অস্ত্র সংগ্রহের চেষ্টা করেছেন বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটির ভাষ্য অনুযায়ী, ‘আর্মড রিজার্ভ’-এর নামে প্রায় ৮ হাজার ৮০০ তরুণকে বাছাই করে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। প্রশিক্ষণের লক্ষ্য বিদেশি হামলা মোকাবিলা নয়, বরং অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য একটি বাহিনী প্রস্তুত করা বলে দাবি করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকার বনানীর একটি ডিফেন্স অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি থেকে কথিত পরিকল্পনার কার্যক্রম পরিচালনা এবং পাকিস্তানি ও তুর্কি গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সেখানে যাতায়াতের দাবিও প্রতিবেদনে রয়েছে। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান কথিত পরিকল্পনাকে সমর্থন করেছেন বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এসব দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য বা স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

অস্ত্র আনার অভিযোগ

প্রতিবেদনে জামায়াতে ইসলামীর একটি লংমার্চকে ঘিরেও গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী ওই বহরের যানবাহনে ‘ক্রিকেট সরঞ্জাম’ লেখা কনটেইনারের মাধ্যমে তুরস্কের অস্ত্র চট্টগ্রামে নেওয়া হয়।

চট্টগ্রামের পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে অন্তত ১০ হাজার অ্যাসল্ট রাইফেল ও বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ জামায়াতের নেতাকর্মীদের কাছে যাওয়ার দাবি করা হয়েছে। পাকিস্তান থেকে আসা পণ্যবাহী চালানের বাধ্যতামূলক পরিদর্শন না থাকার সুযোগে এসব অস্ত্র আনা সম্ভব হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে এই দাবির সমর্থনে কোনো প্রকাশ্য সরকারি নথি বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ দেওয়া হয়নি।

দ্বিতীয় ধাপে ‘অপারেশন দখল’-এর দাবি

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কথিত ‘অপারেশন দমন’ সেপ্টেম্বর থেকে বাস্তবায়নের দাবি করা হয়েছে এবং এর পর অক্টোবরের শেষ নাগাদ দ্বিতীয় ধাপ ‘অপারেশন দখল’ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে আওয়ামী লীগকে দুর্বল করার পর ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলো বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে বড় ধরনের আন্দোলন শুরু করতে পারে।

এই আন্দোলনে সরকারের বিভিন্ন ব্যর্থতা, মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজির অভিযোগকে জনঅসন্তোষের কারণ হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে দলবদল বা বিচ্ছিন্নতা তৈরির চেষ্টা করা হতে পারে। এরপর ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের মতো বড় ধরনের রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে বিএনপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

ভারতের জন্য সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জের কথা

প্রতিবেদনের শেষাংশে বলা হয়েছে, কথিত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা ভারতের জন্যও নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এ পরিস্থিতিতে ভারত বিএনপি সরকারকে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে অবহিত করার পাশাপাশি বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে রাজনৈতিক সমঝোতার উদ্যোগ নিতে পারে বলে প্রতিবেদনে মত দেওয়া হয়েছে।

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সাম্প্রতিক ঢাকা সফরের সঙ্গেও এসব বিষয়ের যোগসূত্র রয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ওই সফরের একটি উদ্দেশ্য পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং বিএনপি সরকারের সঙ্গে ভারতের অবস্থানের সমন্বয় তৈরি করা হতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে দ্য ফেডারেলের প্রতিবেদনে উত্থাপিত ক্ষমতা দখলের পরিকল্পনা, হত্যার পরিকল্পনা, সশস্ত্র বাহিনী গঠন, বিদেশি রাষ্ট্রের সমর্থন এবং অস্ত্র সরবরাহের মতো গুরুতর দাবিগুলোর পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে এসব বিষয়কে প্রতিবেদকের দাবি ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বক্তব্য হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন, প্রতিষ্ঠিত ঘটনা হিসেবে নয়।

এই শাখার আরও খবর

বাংলাদেশসহ ২০ দেশ-অঞ্চলের বিশেষায়িত ওষুধ শুল্কমুক্ত করল যুক্তরাষ্ট্র

বিরল রোগসহ বিশেষ কিছু রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ এবং এসব ওষুধ তৈরির প্রয়োজনীয় উপাদান আমদানিতে বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ ও অঞ্চলের জন্য শূন্য শতাংশ শুল্কের সুবিধা…

বাংলাদেশে বাড়ছে গণপিটুনি, বিচার নিয়ে প্রশ্ন

বাংলাদেশে গণপিটুনির ঘটনা বাড়ছে। একই সঙ্গে এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া, বিচার নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। মানবাধিকার…

স্ত্রীর সন্তান প্রসবের সময় হাসপাতালে গিয়ে গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতা

চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্ত্রীর সন্তান প্রসবের সময় উপস্থিত থাকা অবস্থায় গ্রেফতার হয়েছেন হাটহাজারী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে…

অপ্রতিম হত্যা: আসামিদের জবানবন্দিতে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আইফোনের লোভেই কুমিল্লার ১৩ বছর বয়সী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামির আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উঠে এসেছে। জবানবন্দি…

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্য পদ চায় রাশিয়া

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবির প্রতি আবারও সমর্থন জানিয়েছে রাশিয়া। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ নিরাপত্তা…

বিশ্বজুড়ে স্কুলে মোবাইল নিয়ন্ত্রণ, বাংলাদেশে কী করবে?

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কুলে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ বা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ বাড়ছে। শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ কমে যাওয়া, সাইবার বুলিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব এবং অতিরিক্ত…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au