বাংলাদেশ

নিয়ন্ত্রণহীন এআই বিস্তার বাংলাদেশের জন্য ডেকে আনতে পারে বিপর্যয়

  • 7:00 am - September 29, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৭১ বার
নিরাপত্তা পরীক্ষায় ৩ প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে ঢুকে পড়ে ক্লড এআই। প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। সম্প্রতি দেশের দুটি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান এমন সেবা চালু করেছে, যার মাধ্যমে মানুষ সহজেই একাধিক এআই প্ল্যাটফর্ম, যেমন চ্যাটজিপিটি, ক্লদ, ডিপসিক, গ্রক ও জেমিনিতে প্রবেশাধিকার পাচ্ছেন। সরকারের পক্ষ থেকেও এসব উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারের বক্তব্য, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগোতে হলে এআইয়ের ভূমিকা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ব্যবহার দেশের উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও, সাধারণ মানুষের জন্য এআই ব্যবহারের সুযোগ সহজ করে দেওয়ার আগে এর সম্ভাব্য সামাজিক, অপরাধমূলক ও পরিবেশগত প্রভাব কতটা বিবেচনা করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লেখক। তাঁর মতে, এআইয়ের বিপুল সম্ভাবনা ও উপকারিতা রয়েছে ঠিকই, কিন্তু সেই সুবিধা পাওয়ার জন্য এর ঝুঁকিগুলোও আগে চিহ্নিত ও নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের বর্তমান সাক্ষরতা পরিস্থিতিকে এআই ব্যবহারের ঝুঁকি বিবেচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৩ সালের লিটারেসি অ্যাসেসমেন্ট সার্ভে অনুযায়ী, ৭ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রায় অর্ধেক শিশু এখনো একটি সহজ গল্প পড়ে তা বুঝতে পারে না। একই সঙ্গে প্রায় ৪০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এখনো নিরক্ষর বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

লেখকের প্রশ্ন, যেখানে দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠী এখনো মৌলিক পাঠ ও তথ্য বোঝার সক্ষমতায় পিছিয়ে রয়েছে, সেখানে অত্যন্ত শক্তিশালী জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তিতে তাদের সহজ প্রবেশাধিকার কতটা নিরাপদ?

জেনারেটিভ এআই মানুষের তৈরি কনটেন্টের মতো দেখতে ও শুনতে পারে এমন ভুয়া তথ্য তৈরি করতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, এ ধরনের কনটেন্ট মানুষের মতামত পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে। উন্নত দেশগুলোতে উচ্চ সাক্ষরতার হার এবং তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী আইন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এআই-নির্ভর অপতথ্য ও জনমত প্রভাবিত করার প্রবণতা মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মতো দেশে সাধারণ মানুষের জন্য এআইয়ের ব্যাপক প্রবেশাধিকার দেওয়ার আগে আরও সতর্কতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন লেখক।

এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি বিভ্রান্তিকর ডিপফেক ছবি, অডিও, ভিডিও ও লেখা এখন ব্যক্তিভেদে আলাদাভাবে তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে বিভ্রান্তিকর বা ক্ষতিকর কনটেন্ট তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়া আগের তুলনায় সহজ হয়েছে। বিশ্বজুড়ে এসব কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

এ প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের স্কুলগুলোর একটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনের বরাতে বলা হয়েছে, স্কুলের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ব্যবহার করে এআইয়ের মাধ্যমে শিশুদের যৌন নির্যাতনের ভুয়া ছবি তৈরি করে কিছু স্কুলকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে।

শুধু ছবি বা ভিডিও নয়, এআই চ্যাটবটের মাধ্যমেও মানুষের সঙ্গে ব্যক্তিগত পর্যায়ে যোগাযোগ করে তাদের নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে প্রভাবিত করার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। জেনারেটিভ এআই চ্যাটবট মানুষের মতো আচরণ করতে এবং চলমান কথোপকথনের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে নিজের উত্তর পরিবর্তন করতে পারে। ফলে একজন ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত উদ্বেগ, যুক্তি ও পাল্টা যুক্তির জবাব দিয়ে তাকে নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

লেখায় যুক্তরাষ্ট্রে এআই চ্যাটবট ব্যবহারের সঙ্গে আত্মহত্যার কয়েকটি ঘটনার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে চ্যাটজিপিটি আত্মহত্যায় উৎসাহিত করেছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি ওই ব্যক্তির শৈশবের প্রিয় একটি বইয়ের বিষয়বস্তুকে ব্যবহার করে আত্মহত্যা-সংক্রান্ত একটি ‘লুলাবাই’ তৈরি করেছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই বছরে ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরকেও চ্যাটজিপিটি আত্মহত্যায় উৎসাহিত করেছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের ক্যাপিটাল নিউজ সার্ভিস পরিচালিত একটি গবেষণার কথা উল্লেখ করে লেখায় বলা হয়েছে, আত্মহত্যা, গুলিবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডসহ অন্তত ২৮টি মৃত্যুর ঘটনায় এআই চ্যাটবটের ভূমিকা থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব ঘটনার ক্ষেত্রে এআইয়ের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত ও দায় নির্ধারণের বিষয়টি আলাদাভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, লেখকের মতে, ঘটনাগুলো এআই ব্যবহারের সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।

লেখকের যুক্তি, উন্নত দেশগুলো যখন উচ্চ সাক্ষরতার হার, কঠোর আইন এবং তুলনামূলকভাবে উন্নত আইন প্রয়োগ ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এআইয়ের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা করতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন বাংলাদেশের মতো দেশে এর নিয়ন্ত্রণ কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, সেটি বড় প্রশ্ন।

বাংলাদেশে এ ধরনের ঝুঁকির কিছু লক্ষণ ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে বলেও লেখায় দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া কিশোরদের একটি অংশ এআই ব্যবহার করে নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানিমূলক ছবি তৈরি ও ছড়িয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। লেখকের মতে, স্থানীয় টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানগুলো মাত্র ৭১ টাকা মাসিক খরচে এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার আগেই এ ধরনের প্রবণতা শুরু হয়েছিল।

এর সঙ্গে দেশের বিদ্যমান কিশোর গ্যাং, শিশু অপহরণ এবং শিশু ও নারীর ওপর সহিংসতার মতো অপরাধের বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে। লেখকের মতে, এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এর মধ্যে এআই-নির্ভর নতুন ধরনের অপরাধ যুক্ত হলে তা মোকাবিলায় বিদ্যমান সক্ষমতা যথেষ্ট কি না, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তবে এআইয়ের ঝুঁকি শুধু তথ্য, অপরাধ বা সামাজিক প্রভাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে বড় ধরনের পরিবেশগত প্রভাবও যুক্ত রয়েছে। এআই ডেটা সেন্টারে হাজার হাজার উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন প্রসেসর একটানা কাজ করে। এসব প্রসেসর বিপুল পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করে। যথাযথভাবে সেই তাপ অপসারণ করা না গেলে যন্ত্রপাতির কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং একপর্যায়ে সেগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে।

লেখায় ২০২৫ সালে প্রকাশিত একটি পিয়ার-রিভিউড মূল্যায়নের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে বিশ্বের ডেটা সেন্টারগুলো প্রায় ১৪ হাজার কোটি লিটার পানি ব্যবহার করেছে। এর একটি বড় অংশ ডেটা সেন্টারের শীতলীকরণ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়। লেখক বিশেষভাবে সতর্ক করেছেন, এসব ব্যবস্থায় পানযোগ্য পানিও ব্যবহৃত হয়, সমুদ্রের পানি বা যেকোনো নিম্নমানের পানি নয়।

লেখায় আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সাধারণ টেক্সট প্রম্পটের জন্য প্রায় ৫০০ মিলিলিটার পানযোগ্য পানি ব্যবহৃত হতে পারে। ২০২৬ সালের জাতিসংঘের একটি মূল্যায়নের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, একটি সাধারণ এআই টেক্সট প্রম্পটের তুলনায় একটি এআই-নির্মিত ছবি তৈরি করতে প্রায় ১ হাজার ৪৫০ গুণ বেশি শক্তি প্রয়োজন হতে পারে।

পানি সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে পরিচিত হলেও বাংলাদেশ শুষ্ক মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়ে। একই সময়ে দেশে এআইয়ের সর্বজনীন ব্যবহার এবং নিজস্ব ডেটা সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে এআই অবকাঠামোর পানি ও জ্বালানি ব্যবহারের বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

লেখায় একটি হিসাব দিয়ে বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১০ শতাংশ মানুষ যদি নিয়মিত এআইভিত্তিক টেক্সট টুল ব্যবহার করেন, তাহলে বছরে প্রায় ২ কোটি ৯২ লাখ লিটার থেকে ১৯৫ কোটি লিটার পর্যন্ত পানযোগ্য পানি ব্যবহৃত হতে পারে বলে হিসাব করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৯৫ কোটি লিটার পানি প্রায় ৭৮০টি অলিম্পিক আকারের সুইমিংপুল কানায় কানায় পূর্ণ করার সমান।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এআই ডেটা সেন্টারের কারণে পানি ব্যবহারের ওপর চাপ ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় ডেটা সেন্টারের পানি ব্যবহারের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত প্রশ্ন সামনে আনে: দেশে এআই অবকাঠামো ও ডেটা সেন্টারের বড় প্রকল্প গ্রহণের আগে এর পরিবেশগত মূল্য, বিশেষ করে পানির ওপর সম্ভাব্য চাপ, সরকার যথাযথভাবে হিসাব করেছে কি না।

এআইয়ের ভূমিকা বর্তমান বিশ্বে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা, গবেষণা, উৎপাদনশীলতা এবং সরকারি সেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআই নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। তবে একই সঙ্গে এর অপব্যবহার, ভুল তথ্য, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন, সাইবার অপরাধ, যৌন হয়রানি, শিশু সুরক্ষা এবং পরিবেশগত প্রভাবের মতো ঝুঁকিও রয়েছে।

লেখকের মতে, শিক্ষাগত দুর্বলতা, বাড়তে থাকা ডিজিটাল অপরাধ এবং পরিবেশগত অবক্ষয়ের মতো সমস্যার সমাধান না করে শুধু প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশের জন্য এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে শুধু করপোরেট ব্যবসায়িক স্বার্থ যেন এআই নীতিনির্ধারণকে প্রভাবিত না করে, সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এ কারণে সাধারণ মানুষের জন্য শক্তিশালী এআই প্রযুক্তির প্রবেশাধিকার আরও ব্যাপক করার আগে একটি সুস্পষ্ট ও শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরি করার পক্ষে মত দেওয়া হয়েছে। এআই ব্যবহারের জন্য কঠোর আইন প্রণয়ন, শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সুরক্ষা, ক্ষতিকর কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ, ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা এবং এআই-নির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ প্রয়োজন হতে পারে।

একই সঙ্গে এআই অবকাঠামোর পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহার, ডেটা সেন্টারের পরিবেশগত প্রভাব এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ব্যয়ও নীতিনির্ধারণের অংশ হওয়া উচিত। জনপ্রিয়তা বা প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার যেন নিয়ন্ত্রণ কাঠামো নির্ধারণের প্রধান মানদণ্ড না হয়, সেই বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সবশেষে লেখকের বক্তব্য হলো, সাধারণ মানুষের জন্য শক্তিশালী প্রযুক্তির অবাধ প্রবেশাধিকার দেওয়ার আগে সরকারকে একটি কঠোর ও বাস্তবভিত্তিক ব্যয়-সুফল বিশ্লেষণ করতে হবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো, শিক্ষার অবস্থা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতা এবং পরিবেশগত সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে এআই ব্যবহারের নীতি নির্ধারণ করা প্রয়োজন। প্রযুক্তির সুফল নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর সম্ভাব্য ক্ষতি নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা তৈরি না করে এআইয়ের ব্যাপক বিস্তার ঘটানো হলে ভবিষ্যতে এর সামাজিক ও পরিবেশগত মূল্য বাংলাদেশকে বহন করতে হতে পারে।

সূত্রঃ ডেইলি সান

এই শাখার আরও খবর

জামায়াতের উত্থান দেশকে ধর্মযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে: নুরুল হক নূর

জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক উত্থান বাংলাদেশকে ধর্মযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে এবং দেশের অস্তিত্বকে সংকটের মুখে ফেলতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান…

এরদোয়ানের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নামছেন নেতানিয়াহু

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলের বিচার মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে এ…

ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম, সিপিআই প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগ

পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের আগে ফের রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এবার সিপিআই প্রার্থী শান্তিগোপাল গিরিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি নেতা আব্বাস বেগের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায়…

নেপালের হিমলুং বেস ক্যাম্পে তুষারধস, চার মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ অন্তত ১২

নেপালের ৭ হাজার ১২৬ মিটার উচ্চতার হিমলুং হিমাল পর্বতের বেস ক্যাম্পে ভয়াবহ তুষারধসে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো অন্তত ১২ জন নিখোঁজ…

প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে বেডরুমে থাকতেন এমপি নজরুল, বেলকনিতে রাত কাটাতেন মরিয়ম

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে। রিমান্ডে…

তারেক রহমান ঢাকায়, দিল্লির পথে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন চার মাসের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি সফরে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ঢাকায়…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au