বাংলাদেশে বাড়ছে গণপিটুনি, বিচার নিয়ে প্রশ্ন
বাংলাদেশে গণপিটুনির ঘটনা বাড়ছে। একই সঙ্গে এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া, বিচার নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। মানবাধিকার…
বিরল রোগসহ বিশেষ কিছু রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ এবং এসব ওষুধ তৈরির প্রয়োজনীয় উপাদান আমদানিতে বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ ও অঞ্চলের জন্য শূন্য শতাংশ শুল্কের সুবিধা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বাণিজ্য বিভাগের প্রকাশিত তালিকায় বাংলাদেশ ও ভারতের পাশাপাশি আরও ১৮টি দেশ ও অঞ্চলের নাম রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্দিষ্ট যোগ্য ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদান এসব দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা হলে সেগুলোর ওপর পণ্যভিত্তিক কোনো শুল্ক আরোপ করা হবে না। তবে এই সুবিধা সব ধরনের ওষুধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। নির্দিষ্ট বিশেষায়িত ওষুধই কেবল এ শুল্ক ছাড়ের আওতায় থাকবে।
শূন্য শতাংশ শুল্কের আওতায় থাকা পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিরল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত নির্ধারিত ওষুধ, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার ওষুধ, কোষভিত্তিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ, জিনভিত্তিক চিকিৎসার ওষুধ এবং অ্যান্টিবডি-ভিত্তিক বিশেষায়িত ওষুধ। এসব ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত সংশ্লিষ্ট উপাদানও একই সুবিধা পাবে। প্রাণীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত নির্দিষ্ট ওষুধও এ তালিকায় রয়েছে।
শুল্ক ছাড় পাওয়া ২০টি দেশ ও অঞ্চল হলো বাংলাদেশ, ভারত, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, লিশটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও ভিয়েতনাম।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের নোটিশে বলা হয়েছে, এসব দেশ ও অঞ্চলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বা ভবিষ্যতে কার্যকর হতে যাওয়া বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামোসংক্রান্ত চুক্তির কারণে যোগ্য পণ্যগুলো শুল্কমুক্ত সুবিধা পেতে পারে। জরুরি স্বাস্থ্যগত প্রয়োজন মেটাতে প্রয়োজনীয় কিছু বিশেষায়িত ওষুধও নির্দিষ্ট শর্তে শূন্য শুল্কের সুবিধা পেতে পারে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ২ এপ্রিল পেটেন্ট করা কিছু ওষুধ, জীবপ্রযুক্তিতে তৈরি ওষুধ এবং সংশ্লিষ্ট উপাদান আমদানিতে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। বাণিজ্য সম্প্রসারণ আইনের ২৩২ ধারার আওতায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর অন্যতম লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ওষুধ উৎপাদন বাড়ানো।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, প্রাথমিক তালিকায় থাকা কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ শুল্ক ৩১ জুলাই থেকেই কার্যকর হয়েছে। আর অন্যান্য আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ শুল্ক ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। তবে শূন্য শুল্কের তালিকায় থাকা দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা যোগ্য বিশেষায়িত ওষুধ ও উপাদান এই শুল্কের বাইরে থাকবে।
তবে সাধারণ বা জেনেরিক ওষুধের ক্ষেত্রে এই ২৩২ ধারার শুল্ক প্রযোজ্য নয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের নোটিশে ওষুধজাত পণ্যের সংজ্ঞা ও আওতা নিয়েও কিছু কারিগরি বিষয় স্পষ্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রস্তুত ওষুধ, সক্রিয় ওষুধের উপাদান এবং এসব সক্রিয় উপাদান তৈরির প্রধান কাঁচামাল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পেটেন্টবিহীন প্রাণীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত পণ্যও নতুন সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামোয় একদিকে নির্দিষ্ট কিছু পেটেন্ট করা ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক থাকছে, অন্যদিকে বাংলাদেশসহ নির্বাচিত ২০টি দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট বিশেষায়িত ওষুধ ও উপাদান শূন্য শতাংশ শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au