শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন, আতঙ্কে বিদেশগামী যাত্রীরা
ওটিএন বাংলা ডেস্ক : রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি স্টোর বিল্ডিংয়ে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়ায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর)…
মেলবোর্ন, ৬ জুন- উত্তর কোরিয়ার সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদার করতে ১০ হাজার টনের একটি আধুনিক যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। একই সঙ্গে তিনি নতুন প্রজন্মের গোপন পানির নিচের অস্ত্র উন্নয়নের আহ্বান জানিয়েছেন, যা দেশটির প্রতিরক্ষা কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র রোডং সিনমুনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার একটি নৌবাহিনীর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় কিম জং উন এসব নির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি নৌবাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতি, আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন এবং সামগ্রিক সামরিক শক্তি বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কিম প্রথমে ৫ হাজার টনের ডেস্ট্রয়ার ‘কাং কন’-এ উঠে বিভিন্ন পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি আরেকটি ৫ হাজার টনের যুদ্ধজাহাজ ‘চো হিয়ন’-এর কার্যক্রমও ঘুরে দেখেন। নৌবাহিনীর আধুনিকীকরণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এসব যুদ্ধজাহাজকে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মে মাসে ‘কাং কন’ যুদ্ধজাহাজটির উদ্বোধনের সময় এটি আংশিকভাবে উল্টে গিয়েছিল। পরে দীর্ঘ মেরামত ও প্রযুক্তিগত সংস্কারের মাধ্যমে জাহাজটিকে পুনরায় সচল করা হয়।
নৌবাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে কিম বলেন, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও দ্রুত সম্প্রসারণ করতে হবে। পাশাপাশি স্থল, নৌ ও আকাশপথে সমন্বিত সামরিক শক্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তার মতে, সম্ভাব্য পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় শক্তিশালী নৌবাহিনী অপরিহার্য।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে কিম জং উনের সঙ্গে তার কন্যাকেও দেখা গেছে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর কোরিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত দৃশ্য হয়ে উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ১০ হাজার টনের ডেস্ট্রয়ার নির্মাণের পরিকল্পনা প্রকাশ্যে ঘোষণা করা উত্তর কোরিয়ার জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি দেশটির নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সামরিক সক্ষমতার বার্তা দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
এদিকে উত্তর কোরিয়ায় শিগগিরই সফরে আসছেন শি জিনপিং। আগামী ৮ থেকে ৯ জুন তার এই সফর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রায় সাত বছরের মধ্যে এটি হবে উত্তর কোরিয়ায় শি জিনপিংয়ের দ্বিতীয় সফর। পর্যবেক্ষকদের ধারণা, এই সফরের আগে সামরিক সক্ষমতার প্রদর্শনের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তভাবে তুলে ধরতে চাইছে পিয়ংইয়ং।
সাম্প্রতিক এই ঘোষণা উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষা খাতে নতুন বিনিয়োগ ও সামরিক আধুনিকায়নের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au