বাংলাদেশ

জুলাই আন্দোলনের পর ১৯৪৭-এর পুনরুত্থান, ভুলে যাওয়া হচ্ছে কি দেশভাগের ক্ষত

  • 6:58 pm - August 17, 2026
  • পঠিত হয়েছে:১৬৮ বার
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে রাওয়ালপিন্ডিতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার টেস্ট ক্রিকেট ম্যাচ দেখছেন দুই দেশের সমর্থকেরা। |প্রতীকী ছবি

মেলবোর্ন, ১৭ আগষ্ট- বাংলাদেশে বছরের পর বছর ১৫ আগস্ট বলতে একটি ঘটনাই সবচেয়ে বেশি স্মরণ করা হয়েছে। ১৯৭৫ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যা করা হয়। দিনটি রাষ্ট্রীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছিল।

তবে একই দিনে ব্রিটিশ শাসনের অবসান এবং ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ ও বাংলার বিভক্তির ইতিহাস খুব কমই আলোচনায় এসেছে। ১৯৪৭ সালের সেই ঘটনাকে বরং ভারত ও পাকিস্তানের ইতিহাসের অংশ হিসেবেই দেখা হয়েছে। এর এক দিন আগেই পাকিস্তান স্বাধীনতা অর্জন করেছিল।

বাংলাদেশ তো ১৯৭১ সালে জন্ম নেওয়া একটি রাষ্ট্র। রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের ‘পূর্ব অংশ’ স্বাধীন হয়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।

কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটানো জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পর পরিস্থিতিতে পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে। শেখ হাসিনার বাবা শেখ মুজিব এখন রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর এক বিষয় হয়ে উঠেছেন, আর ১৯৪৭ সাল নিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘ নীরবতাও যেন ধীরে ধীরে কাটছে।

তবে এই পরিবর্তনের কারণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা জরুরি।

অস্বস্তিকর একটি প্রশ্ন

বাংলাদেশের ইতিহাসে দেশভাগ নিয়ে অনাগ্রহকে শুধু ভুলে যাওয়া হিসেবে দেখলে পুরো বিষয়টি বোঝা যায় না। এর পেছনে ছিল জাতীয় পরিচয়ের একটি গভীর অস্বস্তি। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দু যেখানে ১৯৭১, সেখানে ১৯৪৭ সালের অবস্থান কী হবে, সেটিই ছিল বড় প্রশ্ন।

পাকিস্তান সৃষ্টির ইতিহাসকে সৎভাবে পর্যালোচনা করতে গেলে ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’-এর যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। এই তত্ত্বের মূল কথা ছিল, ভারতীয় উপমহাদেশের হিন্দু ও মুসলমান দুটি পৃথক জাতি।

কিন্তু যে দেশের স্বাধীনতা শেষ পর্যন্ত ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই বাংলাদেশের জন্য এই প্রশ্নটি ছিল অস্বস্তিকর।

শেখ মুজিব প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পরপর সরকারগুলোতে সেই অস্বস্তি ধীরে ধীরে একটি রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্ধারিত ‘সঠিক ইতিহাসের’ রূপ নেয়। ১৯৭১-কেন্দ্রিক একটি অনুমোদিত ইতিহাসের বয়ান প্রাধান্য পায়, যেখানে ১৯৪৭ এবং দেশভাগে বাস্তুচ্যুত মানুষের অভিজ্ঞতার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক জায়গা ছিল সীমিত।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর সেই বয়ানের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল হয়েছে। কিন্তু যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, সেখানে দেশভাগের মানবিক মূল্য নিয়ে নতুন করে হিসাব-নিকাশের চেয়ে ১৯৪৭ সালকে বাঙালি মুসলিম রাজনৈতিক পরিচয় জোরদার এবং ভারতের সঙ্গে দূরত্ব তৈরির একটি উপায় হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতাই বেশি দেখা যাচ্ছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর ঢাকার সঙ্গে ইসলামাবাদের সম্পর্কেও দ্রুত উষ্ণতা ফিরেছে। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার পর তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।

মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ১৪ বছর পর ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল আবার শুরু হয়। ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো দুই দেশের পররাষ্ট্র দপ্তরের আলোচনা পুনরায় শুরু হয়। এক দশকেরও বেশি সময় পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উচ্চপর্যায়ের সফরে ঢাকায় আসেন।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের কিছু অংশ অবশ্য আরও এক ধাপ এগিয়ে শেখ হাসিনার পতনকে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তিদের দৃষ্টিভঙ্গির এক ধরনের বিলম্বিত স্বীকৃতি হিসেবে তুলে ধরেছে।

এ ধরনের দাবির সঙ্গে কেউ একমত হোক বা না হোক, এগুলো একটি বিষয় বোঝায়। বাংলাদেশে ১৯৪৭ এখন আবার রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারযোগ্য হয়ে উঠেছে। তবে সেটি দেশভাগের ট্র্যাজেডি হিসেবে মোকাবিলার জন্য নয়, বরং ভারতের কাছ থেকে দূরত্ব তৈরির একটি ঐতিহাসিক যুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

কিন্তু এই নতুন করে ১৯৪৭-এর দিকে ফিরে তাকানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিত যে বিষয়টি, তা হলো ওই সময় এবং পরবর্তী দশকগুলোতে সাধারণ মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া বিপর্যয়।

পাঞ্জাবের মতো একদিনে নয়, বাংলায় ছিল দীর্ঘ দেশভাগ

১৯৪৭ সালে বাংলার দেশভাগ পাঞ্জাবের মতো একক ও আকস্মিক বিপর্যয় ছিল না। পাঞ্জাবে নতুন সীমান্ত পেরিয়ে মরদেহভর্তি ট্রেন চলাচলের মতো ভয়াবহ ঘটনা দেশভাগের কয়েক মাসের মধ্যেই ঘটে।

ইতিহাসবিদ জয়া চ্যাটার্জি বাংলার অভিজ্ঞতাকে বলেছেন ‘দীর্ঘ দেশভাগ’। ১৯৪৬ সালের আগস্টে কলকাতার ভয়াবহ দাঙ্গার মধ্য দিয়ে যার শুরু। তিন দিন ধরে চলা সেই দাঙ্গায় বিভিন্ন হিসাবে ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার মানুষ নিহত হন।

এরপর ওই বছর নোয়াখালীর সহিংসতা এবং পরবর্তী সময়ে ১৯৫০, ১৯৬৪ ও ১৯৭১ সালে নতুন নতুন দফায় সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুতি এই প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করে।এই দীর্ঘ সময়ে আনুমানিক ৪০ লাখ থেকে ৬০ লাখ মানুষ পূর্ববঙ্গ থেকে ভারতে চলে যান। বিপরীত দিকে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ ভারতে থেকে পূর্ববঙ্গে চলে আসেন।

বাংলার দেশভাগ ১৯৪৭ সালে একটি মাত্র নাটকীয় ঘটনায় শেষ না হওয়ায়, পাঞ্জাবের দেশভাগের মতো এরও তেমন একটি শক্তিশালী সাংস্কৃতিক স্মারক তৈরি হয়নি। পাঞ্জাবের দেশভাগকে সাহিত্যে তুলে ধরেছেন সাদত হাসান মান্টো, খুশবন্ত সিং ও ভীষ্ম সাহনির মতো লেখকেরা।

তবে এর অর্থ এই নয় যে বাংলায় দেশভাগের বেদনা নিয়ে সাহিত্য সৃষ্টি হয়নি।

বাস্তুচ্যুত বাঙালিদের জীবন নিয়ে ঋত্বিক ঘটকের চলচ্চিত্র এবং উদ্বাস্তু নারীদের বিশেষ দুর্ভোগ নিয়ে জ্যোতির্ময়ী দেবীর সাহিত্য দেশভাগের মানবিক ক্ষতির শক্তিশালী দলিল।

বাংলাদেশেও দেশভাগ ও তার পরবর্তী অস্থিরতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য সৃষ্টি হয়েছে। হাসান আজিজুল হকের ‘আগুনপাখি’, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘খোয়াবনামা’, আবু জাফর শামসুদ্দীনের ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ এবং সেলিনা হোসেনের ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’ তার উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

কিন্তু এসব সাহিত্যকর্মের বড় অংশ দুই বাংলার বাঙালি পাঠকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। পুরো উপমহাদেশের অভিন্ন ‘দেশভাগের স্মৃতি’ হিসেবে তা ততটা জায়গা করে নিতে পারেনি।

জনপ্রিয় সংস্কৃতিতেও এই ভারসাম্যহীনতা এখনো দেখা যায়।

চলতি বছরের জুনে বলিউডের ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’ চলচ্চিত্রটি ভারতে দেশভাগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। চলতি সপ্তাহে মুক্তি পাওয়া ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ও একই বিষয় সামনে এনেছে।

কিন্তু দুটি ছবির গল্পের কেন্দ্রেই রয়েছে পাঞ্জাবের দেশভাগ, বাংলা নয়। ফলে উপমহাদেশজুড়ে ১৯৪৭ আবার সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে ফিরে এলেও, বাংলার দেশভাগের অভিজ্ঞতা এখনো অনেকটাই প্রান্তিক গল্প হয়ে রয়েছে।

এমনকি পশ্চিমবঙ্গেও দেশভাগের পর শিবির ও বস্তিতে নতুন জীবন গড়ে তোলা উদ্বাস্তুরা বহু প্রজন্ম ধরে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে একটি অনুগত ভোটব্যাংক হিসেবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাদের ব্যক্তিগত ক্ষতি ও যন্ত্রণা আলাদাভাবে স্বীকৃতি ও শোকের দাবি রাখে, সেই দৃষ্টিতে তাদের দেখা হয়নি বললেই চলে।

রাজনৈতিক ব্যবহারের উপকরণ হয়ে ওঠার ঝুঁকি

বাংলাদেশে ১৯৪৭ নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হওয়া সেই একই প্রবণতার উল্টো একটি সংস্করণ তৈরি করতে পারে।

দেশভাগ আবারও রাজনৈতিক ব্যবহারের উপকরণে পরিণত হতে পারে। এবার এর ব্যবহার হতে পারে পররাষ্ট্রনীতি, ধর্মীয় পরিচয় এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক যুক্তি তৈরিতে।

অথচ দেশভাগ মূলত এমন কিছু মানুষের ইতিহাস, যাদের উত্তরসূরিরা এখনো সেই ঘটনার পরিণতি বয়ে চলেছেন।

বর্তমান সময়ের সঙ্গে এর একটি অস্বস্তিকর মিলও রয়েছে।

২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশের অধিকার সংগঠনগুলো হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে শত শত সহিংসতার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। এসব ঘটনায় বহু মানুষ নিহত হয়েছেন এবং মন্দিরসহ বিভিন্ন স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

তবে এসব ঘটনার অনেকগুলোকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে না দেখে রাজনৈতিক, ব্যক্তিগত বা অন্যান্য কারণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে ব্যাখ্যা করেছেন সরকারি কর্মকর্তারা।

অবশ্য বর্তমান পরিস্থিতিকে ১৯৪৭ সালের সঙ্গে এক করে দেখার সুযোগ নেই। দুটি সময়কে এক করে ফেললে উভয় ঘটনারই স্বাতন্ত্র্য ও বাস্তবতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তবে এটি অন্তত একটি বিষয় মনে করিয়ে দেয়। কোনো দেশ যদি সত্যিই দেশভাগের ইতিহাস নতুন করে পর্যালোচনা করতে চায়, তাহলে সেই ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মানবিক ক্ষতির শিকার জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিয়ে উদাসীন থাকার সুযোগ নেই।

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক চেতনায় যদি ১৯৪৭ শেষ পর্যন্ত নতুন করে জায়গা করে নেয়, তাহলে সেটি যে রূপে জায়গা পাওয়ার যোগ্য, সেটিই পাওয়া উচিত।১৯৪৭ হওয়া উচিত সাধারণ মানুষের ইতিহাস। সাধারণ ঘরবাড়ি হারানোর ইতিহাস। প্রিয়জন হারানোর ইতিহাস। বাস্তুচ্যুত মানুষের দীর্ঘ যাত্রা ও ক্ষতির ইতিহাস।

এটি কেবল দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশকে বিশ্বাস করা উচিত, আর কোন দেশ থেকে দূরে থাকা উচিত, সেই রাজনৈতিক যুক্তি তৈরির হাতিয়ার হয়ে উঠলে ১৯৪৭-এর প্রকৃত ইতিহাস আবারও আড়ালে পড়ে যাবে।

এই শাখার আরও খবর

কিম জং উনের স্বাস্থ্য নিয়ে গুঞ্জন, কী জানা যাচ্ছে?

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জল্পনা ছড়িয়েছে। সম্প্রতি তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে কোমায় আছেন বলে কিছু…

ফ্রান্সজুড়ে চলছে দাঙ্গা-লুটপাট, প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে কারফিউ জারি

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ থেকে ছড়িয়ে পড়া দাঙ্গা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় রাজধানী প্যারিসের কয়েকটি এলাকা এবং দেশটির বিভিন্ন শহরে রাতের কারফিউ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে…

নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪, আহত ৩২

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন…

পূজা দেখে ফেরার পথে ট্রলারডুবি, মেয়ে নিহত মা নিখোঁজ

ওটিএন বাংলা ডেস্ক :  পিরোজপুরে দুর্গাপূজা দেখে বাড়ি ফেরার পথে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ট্রলারডুবিতে প্রাণ গেছে আট বছরের শিশু অর্পিতা বেপারীর। এ ঘটনায় তার মা রিনা…

রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?

সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…

ছেলেকে নায়ক বানাতে বাড়ি-গাড়ি বন্ধক রেখেছিলেন হৃতিকের বাবা

হৃতিক রোশন এখন বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা। তার বর্তমান সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তবে তার পরিবারের এই অবস্থানে আসার পথটি সহজ…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au