রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?
সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…
পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের পর এবার ভারতের সঙ্গেও একই খাতে বিস্তৃত সহযোগিতা চুক্তি করতে আগ্রহ দেখিয়েছে কুয়েত। এ লক্ষ্যে শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে কুয়েতের সামরিক বাহিনীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক বিভাগের কর্মকর্তা এবং কুয়েতের সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব অমিতাভ প্রসাদ। এ সময় দেশটির তিন বাহিনীর সদর দপ্তর, প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও), আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল সার্ভিস, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও সমরাস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে কুয়েতের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির সামরিক বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রায়েদ আল সাক্রান।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দেশটির সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে কুয়েত সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে ভারত ও কুয়েতের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেই সমঝোতা স্মারককে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে রূপ দিতে চায় দুই দেশ।
তবে সম্ভাব্য চুক্তির চূড়ান্ত বিষয়বস্তু এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। শুক্রবারের বৈঠকে দুই পক্ষের আলোচনায় প্রশিক্ষণ, সামরিক মহড়া, সামরিক বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী, প্রতিরক্ষা শিল্প এবং সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে গবেষণার মতো বিষয়গুলো উঠে এসেছে।
ভারতের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব ক্ষেত্রের পাশাপাশি সামরিক সহযোগিতার আরও কয়েকটি বিষয় ভবিষ্যৎ চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
ভারতের সঙ্গে সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির উদ্যোগের আগে গত ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের সঙ্গে ‘প্রটোকল এগ্রিমেন্ট-২০২৬’ নামে একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কুয়েত।
ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত ওই চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান ও কুয়েতের প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর কুয়েতের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এ চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিরক্ষা ও সামরিক খাতে দু’দেশের সহযোগিতার মাত্রা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি করা।’
পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র দুই দিনের মাথায় ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নিয়েছে কুয়েত। ফলে দুই দেশের সঙ্গেই সামরিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদারে উপসাগরীয় দেশটির আগ্রহ স্পষ্ট হচ্ছে।
তবে ভারত ও কুয়েতের মধ্যে সম্ভাব্য নতুন চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হবে এবং এতে ঠিক কী কী বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
সূত্র-পিটিআই
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au