কিম জং উনের স্বাস্থ্য নিয়ে গুঞ্জন, কী জানা যাচ্ছে?
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জল্পনা ছড়িয়েছে। সম্প্রতি তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে কোমায় আছেন বলে কিছু…
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিরতির সময় এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিরতির সময় অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক ওই ছাত্রীকে বাথরুমের কাছে ডেকে নেন। পরে তাকে বাথরুমের ভেতরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি বিদ্যালয়ে থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থীর নজরে এলে তারা বাথরুমের দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। একপর্যায়ে শিক্ষক ও ছাত্রী সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।
ঘটনার সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কুড়িগ্রামের উপজেলা অফিসে ছিলেন। খবর পেয়ে বিদ্যালয়ে ফিরে তিনি ভুক্তভোগী ছাত্রীসহ উপস্থিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, অভিযোগ অনুযায়ী শিক্ষকটি ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করেছেন। তবে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি জানতে পেরেছেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষক বিদ্যালয় থেকে চলে গেলেও পরে রাতে পুলিশ তাকে তার বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনামুল হক জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির চেষ্টার অভিযোগ করেছে। তার নিরাপত্তার জন্য তাকে হেফাজতে রাখা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে রাতে তার বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ছাত্রীর পরিবার লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় সরকার জানিয়েছেন, বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন এবং ঘটনার প্রাথমিক সত্যতাও পাওয়া গেছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে লিখিত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
ঘটনাটি ঘিরে বিদ্যালয় ও স্থানীয় এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au