আজ বীরকন্যা প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবস
ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবী ও প্রথম নারী শহীদ বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস আজ। ১৯৩২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাবে সশস্ত্র…
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণে চলতি বছর দ্বিতীয় দফায় বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে ২০২৬ সালে বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের মোট উড়োজাহাজ ক্রয়ের সংখ্যা দাঁড়াল ২৫টিতে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বোয়িং ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মধ্যে এই চুক্তি সই হয়। নতুন চুক্তির আওতায় পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ কিনবে বিমান।
চুক্তিতে বিমানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসাইন। বোয়িংয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির বাণিজ্যিক বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাট, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ উপস্থিত ছিলেন।
বিমান চেয়ারম্যান রুমি এ হোসাইন বলেন, নতুন এই সম্পূরক চুক্তি বিমানের বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন উড়োজাহাজগুলো বিমানের বহর পরিকল্পনার নির্দিষ্ট প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্বাচন করা হয়েছে। দেশের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও এই চুক্তিকে দেখছে বিমান।
বোয়িংয়ের কর্মকর্তা ব্র্যাড ম্যাকমুলেন বলেন, নতুন ক্রয়াদেশ বিমানের বহর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কৌশলকে এগিয়ে নেবে। তাঁর মতে, অতিরিক্ত ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ও ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজ বিমানের জন্য জ্বালানি সাশ্রয়, বহুমুখিতা ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আন্তর্জাতিক রুটে বোয়িং ৭৮৭, ৭৭৭ এবং ৭৩৭ সিরিজের উড়োজাহাজ পরিচালনা করছে। এসব উড়োজাহাজের মাধ্যমে বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। বোয়িং জানিয়েছে, ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ও ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজ আগের প্রজন্মের উড়োজাহাজের তুলনায় প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেশি জ্বালানি সাশ্রয়ী।
এর আগে চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছিল বিমান। প্রায় ৩৭০ কোটি ডলারের ওই চুক্তিতে ছিল আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স।
এপ্রিলের ওই ক্রয়াদেশের পর এবার আরও ১১টি উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ায় বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের পরিকল্পিত মোট ক্রয়াদেশ দাঁড়িয়েছে ২৫টিতে। নতুন চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘপথের পাশাপাশি আঞ্চলিক রুটেও সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au