উত্তর নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি সম্পত্তি থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের (এনএসডব্লিউ) উত্তরাঞ্চলের একটি বাড়িতে কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। নিহত দুজনের একজন ৭৯ বছর বয়সী এবং অপরজন ৫৯ বছর বয়সী। তারা পরস্পরের আত্মীয় ছিলেন।
এ ঘটনায় ৩২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে দুজনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে একটি হাসপাতালে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১৩ সেপ্টেম্বর। ওই দিন বিকেল ৩টার দিকে গুরানাংয়ের সামারল্যান্ড ওয়ের একটি বাড়ি থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। নিহত ব্যক্তির বয়স ৭৯ বছর বলে ধারণা করা হয়।
প্রথম মৃত্যুর তদন্ত করতে পুলিশ সোমবার বিকেলে আবারও ওই বাড়িতে যায়। সেখানে তল্লাশি চালানোর সময় একটি শেডের ভেতর দ্বিতীয় একটি মরদেহ পাওয়া যায়। নিহত দ্বিতীয় ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৫৯ বছর।
দ্বিতীয় মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থলকে নতুন করে অপরাধস্থল হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
প্রথম নিহতের স্বজন ছিলেন দ্বিতীয় ব্যক্তি
হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেতৃত্ব দেওয়া গোয়েন্দা কর্মকর্তা ডিটেকটিভ সুপারিনটেনডেন্ট জো দোয়েহি জানান, ৫৯ বছর বয়সী ব্যক্তি ছিলেন ৭৯ বছর বয়সী নিহত ব্যক্তির স্বজন।
প্রথম ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তার ওই স্বজন অন্য একটি অঙ্গরাজ্য থেকে নিউ সাউথ ওয়েলসে এসেছিলেন।
দোয়েহি বলেন, প্রথম মৃত্যুর তদন্তে পুলিশকে সহায়তা করার পাশাপাশি সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিষয় দেখাশোনার জন্য তিনি সেখানে এসেছিলেন। কিন্তু পরে তিনি একই বাড়িতে ফিরে গেলে প্রতিবেশীর হামলার শিকার হন এবং গুরুতর আঘাতে তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ।
দোয়েহি বলেন, পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক।
দুজনকে হত্যার অভিযোগ
দুই ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করতে হোমিসাইড গোয়েন্দারা স্ট্রাইক ফোর্স ফেনিল গঠন করেছেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ৩২ বছর বয়সী ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুটি হত্যার অভিযোগের পাশাপাশি একটি মোটরগাড়ি চুরির অভিযোগও আনা হয়েছে।
তাকে বুধবার আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুই ব্যক্তির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্তের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তদন্ত এখনো চলছে।
সূত্র: নাইন.কম.এইউ