‘জীবনকে জটিলভাবে ভাবার দরকার নেই’: জন্মদিনে জেমস
বাংলা রকসংগীতের জনপ্রিয় শিল্পী ও নগর বাউল জেমসের জন্মদিন আজ। ১৯৬৪ সালের ২ অক্টোবর জন্ম নেওয়া এই সংগীতশিল্পী শুক্রবার ৬৩ বছরে পা দিয়েছেন। দীর্ঘ সংগীতজীবনে…
অভিনয়ের পাশাপাশি উন্নয়নকর্মী হিসেবেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের সঙ্গে দুই দশকের কর্মজীবন শেষে এবার যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কে শিক্ষকতাও শুরু করেছেন এই অভিনেত্রী।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) থেকে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আর্ভিং ইনস্টিটিউট ফর ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ট্রান্সলেশনাল রিসার্চ’-এ সহযোগী গবেষণা বিজ্ঞানী (অ্যাসোসিয়েট রিসার্চ সায়েন্টিস্ট) হিসেবে কাজ শুরু করেছেন মিথিলা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
পোস্টে মিথিলা জানান, ব্র্যাকের সঙ্গে তাঁর দুই দশকের কর্মজীবনের মধ্যে ১৫ বছর কেটেছে ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের হয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন খাতে কাজ করে। এবার নতুন পেশাগত অধ্যায়ে প্রবেশ করছেন তিনি।
কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর কাজের বিষয়ে মিথিলা জানান, নিউইয়র্কে অবস্থিত ‘আর্লি চাইল্ডহুড অ্যান্ড ফ্যামিলি হাব’ প্রকল্পের নকশা প্রণয়ন ও মূল্যায়নে নেতৃত্ব দেবেন তিনি। প্রকল্পটি প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, পারিবারিক সম্পৃক্ততা ও কমিউনিটি স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। এর আওতায় জন্ম থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের পরিবারকে শিশুর সুস্থ বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও সহায়ক পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
মিথিলা বলেন, স্থানীয় মানুষের চাহিদার সঙ্গে গবেষণার লক্ষ্যগুলোর সমন্বয় ঘটাতে এবং তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারবেন বলে আশা করছেন।
গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষকতাও শুরু করেছেন মিথিলা। সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কে (সিইউএনওয়াই) অ্যাডজাঙ্কট অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে ‘ননপ্রফিট ম্যানেজমেন্ট’ পড়াচ্ছেন তিনি। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ব্র্যাকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মিথিলা বলেন, তাঁর পেশাগত জীবনের জন্য ব্র্যাকের কাছে তিনি মনেপ্রাণে কৃতজ্ঞ। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার সুযোগ-সুবিধা এবং মেধাবী গবেষকদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর কর্মজীবনকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আশা করছেন তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au