ইসরায়েলগামী বিমানে ওমানি সহকারী পাইলটের হামলার চেষ্টা
ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটে মাঝ আকাশে বিমানের ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের ওপর ছুরি ও কুড়াল নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ওমানি সহকারী পাইলট হামাম আল হামামির বিরুদ্ধে।…
নেপালের মধ্যাঞ্চলে হিমলুং পর্বতের বেস ক্যাম্পে ভয়াবহ তুষারধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। দুর্ঘটনার পর তুষারের নিচে চাপা পড়া মরদেহ উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে নতুন করে আটটি মরদেহ উদ্ধার করেন। এর আগে গত রবিবার ভোরে ৭ হাজার ১২৬ মিটার উচ্চতার হিমলুং পর্বতের বেস ক্যাম্পে তুষারধসটি আঘাত হানে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটিকে নেপালের অন্যতম প্রাণঘাতী পর্বতারোহণ দুর্ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
উদ্ধারকর্মীরা জানান, দুর্ঘটনায় একজন অভিযাত্রীকর্মী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় উদ্ধার অভিযান শিগগিরই শেষ করে দেওয়া হতে পারে বলেও জানা গেছে। দুর্ঘটনার সময় বিদেশি পর্বতারোহীরা বেস ক্যাম্পে পৌঁছাননি।
বর্তমানে অভিজ্ঞ গাইডসহ ১১ জন উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। তারা তুষারের নিচে চাপা পড়ে থাকা তাঁবুগুলো ঘিরে জমে থাকা চার মিটারের বেশি পুরু বরফের স্তর সরিয়ে মরদেহের সন্ধান করছেন। দুর্ঘটনাস্থলে তুষারের স্তর অত্যন্ত পুরু হওয়ায় উদ্ধারকাজও কঠিন হয়ে পড়েছে।
উদ্ধার অভিযান শুরুর পর রবিবার প্রথমে দুই পর্বতারোহণ গাইডের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন রান্নাঘরের দুই কর্মীর মরদেহ পাওয়া যায়। এরপর মঙ্গলবার আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকর্মীরা। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার আরও আটটি মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
নেপালে এর আগেও ভয়াবহ পর্বতারোহণ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০১৪ সালে এভারেস্টে তুষারধসে ১৬ জন প্রাণ হারান। এর পরের বছর, ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে এভারেস্টে আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়।
বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের মধ্যে আটটির অবস্থান নেপালে। এ কারণে দেশটির পর্যটন ও অর্থনীতিতে পর্বতারোহণ এবং ট্রেকিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ৭ হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার পর্বত অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া পর্বতারোহীদের কাছেও হিমলুং পর্বত একটি পরিচিত গন্তব্য।
হিমলুং পর্বতের বেস ক্যাম্পে এই তুষারধসের ঘটনায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকলেও একজন এখনও নিখোঁজ থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সুত্রঃ আল জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au