তিন ঘণ্টা ব্যবধানে জাপানের পূর্বাঞ্চলে জোড়া ভূমিকম্প
জাপানের পূর্বাঞ্চলে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে চিবা ও ইবারাকি প্রিফেকচারের বিভিন্ন এলাকা কেঁপে ওঠে। তবে কোনো…
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, বিশ্বে কয়েকটি সংঘাত নিরসনে ভূমিকা রাখার কারণে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য তিনি। তবে ২০২৬ সালের পুরস্কার শেষ পর্যন্ত তার ভাগ্যে জুটবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ও প্রকাশ করেছেন তিনি।
বুধবার ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা কী সিদ্ধান্ত নেবে, আমি জানি না।’ নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি শুক্রবার এ বছরের শান্তি পুরস্কারের বিজয়ীর নাম ঘোষণা করবে।
ট্রাম্পের দাবি, গত জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি আটটি সংঘাতের অবসানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এ কারণে নোবেল শান্তি পুরস্কার তারই পাওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।
ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মতো মানুষকে পুরস্কার না দেওয়ার ব্যাপারে তাদের হয়তো একটা বদনাম আছে।’
নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা অবশ্য এবারই প্রথম বললেন না ট্রাম্প। গত বছর হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকেই বিভিন্ন সময় তিনি দাবি করে আসছেন, বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার তার প্রাপ্য।
‘এখন সেই সময় এসেছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গত বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদোর কাছ থেকে পাওয়া সম্মানের কথাও উল্লেখ করেন ট্রাম্প।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে মাচাদো তার ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক ট্রাম্পকে উপহার দেন। একই সঙ্গে ভেনেজুয়েলায় তার রাজনৈতিক প্রচেষ্টার প্রতি ট্রাম্পের সমর্থন কামনা করেন তিনি।
কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের নেতারা ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তবে এসব মনোনয়নের বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ট্রাম্প যেসব সংঘাতের অবসানে নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন, সেগুলোর কয়েকটির পক্ষ থেকেই তার কূটনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো এবং কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তসহ কয়েকটি অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত ও সহিংসতা দেখা দিয়েছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান যুদ্ধেরও এখনো কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। অথচ দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই ট্রাম্প দ্রুত এই যুদ্ধ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার পরও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিনের সংঘাত আরও জটিল হয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামও বেড়েছে।
এবারের নোবেল শান্তি পুরস্কারের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ট্রাম্প ছাড়াও রয়েছেন পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র্যাপোর্টার।
শান্তিতে নোবেল পাওয়ার দৌড়ে শেষ পর্যন্ত কে বিজয়ী হচ্ছেন, তার উত্তর মিলবে শুক্রবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির ঘোষণায়।
সূত্র: রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au