প্রবাস দর্পন

মহালয়া

সিডনিতে মহালয়ার আবাহনে দেবীপক্ষের সূচনা, প্রবাসে বাঙালির শিকড় সন্ধান

  • 12:20 pm - October 11, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২৩৮ বার
অস্ট্রেলিয়ান বাঙালি হিন্দু অ্যাসোসিয়েশন (আভা) ১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ব্ল্যাকটাউনের মারায়ং সাউথ পাবলিক স্কুল প্রাঙ্গণে ‘মহালয়া ও মেলা ২০২৬’ আয়োজন কর। ছবি: ওটিএন বাংলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিডনি

শরতের স্নিগ্ধ আবেশ, চণ্ডীপাঠের গাম্ভীর্য আর আগমনী সুরের মূর্ছনায় দেবীপক্ষের আগমনী বার্তা ধ্বনিত হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে শুভ মহালয়াকে কেন্দ্র করে প্রবাসী বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে ধর্মীয় আবেগ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও মিলনোৎসবের আবহ। বিভিন্ন বাঙালি হিন্দু সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানগুলোয় প্রতিফলিত হয়েছে বাংলার চিরায়ত উৎসব-ঐতিহ্যকে প্রবাসের মাটিতে লালন ও পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয়।

মহালয়া বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে কেবল একটি ধর্মীয় তিথি নয়; এটি শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতীক্ষা, স্মৃতিমেদুর আবেগ এবং দেবী দুর্গার আগমনকে ঘিরে এক চিরন্তন সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গ। পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনাকে ঘিরে এই দিনটি বাঙালির ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জীবনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। চণ্ডীপাঠ, স্তোত্রপাঠ ও আগমনী সংগীতের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার আবাহন যেন বাঙালির হৃদয়ে নতুন করে জাগিয়ে তোলে শারদীয় উৎসবের অনির্বচনীয় আনন্দ।

বাংলাদেশ পূজা অ্যাসোসিয়েশনের দশম মহালয়া

সিডনিতে মহালয়া উদ্‌যাপনের ধারাবাহিকতায় উল্লেখযোগ্য আয়োজন করেছে বাংলাদেশ পূজা অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)। প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, বিক্রফটের রোজলিয়া কমিউনিটি সেন্টারে সংগঠনটির দশম মহালয়া উদ্‌যাপিত হয়। চণ্ডীপাঠ, সংগীত ও মঞ্চ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি ধর্মীয় আবহের পাশাপাশি বাঙালি সংস্কৃতির এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।

অনুষ্ঠানের মঞ্চায়ন পরিচালনায় ছিলেন সুমিতা দে ও অনুপম গোস্বামী। চণ্ডীপাঠ পরিবেশন করেন জ্যোতি বিশ্বাস; তবলায় সহযোগিতা করেন জন্মেজয় রায়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিপিএর মহালয়া আয়োজনের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে। দশম আয়োজনের এই মাইলফলক সংগঠনটির ধারাবাহিক সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়।

মহালয়া ও মেলায় আভার আয়োজন

অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ান বাঙালি হিন্দু অ্যাসোসিয়েশন (আভা) ১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ব্ল্যাকটাউনের মারায়ং সাউথ পাবলিক স্কুল প্রাঙ্গণে ‘মহালয়া ও মেলা ২০২৬’ আয়োজন কর। সংগঠনটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দিনব্যাপী এ আয়োজনের নির্ধারিত সময় ছিল দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই উদ্যোগে পরিবার-পরিজনসহ কমিউনিটির সদস্যদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

আভার মতো সংগঠনগুলোর কার্যক্রম প্রবাসে বাঙালি হিন্দু ঐতিহ্য সংরক্ষণ, সাংস্কৃতিক বন্ধন দৃঢ় করা এবং বহুসাংস্কৃতিক অস্ট্রেলীয় সমাজে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের পরিবেশ সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আগমনী অস্ট্রেলিয়া আয়োজনে মহালয়া

শারদীয় আবহ, আগমনী সুর আর দেবী দুর্গার শারদীয় আবহ, আগমনী সুর আর দেবী দুর্গার আবাহনে সিডনির ওরিয়ংটনে অনুষ্ঠিত হয়েছে আগমনী অস্ট্রেলিয়ার শুভ মহালয়া উদ্‌যাপন। প্রবাসের মাটিতে বাংলার চিরায়ত ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানকে ঘিরে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সৃষ্টি হয় শারদোৎসবের আগমনী আবহ।

মহালয়া বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে দেবীপক্ষের সূচনালগ্ন এবং শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতীক্ষার এক আবেগঘন অনুষঙ্গ। চণ্ডীপাঠ, স্তোত্রপাঠ ও আগমনী সংগীতের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমনের বার্তা ধ্বনিত হয়। সেই চিরন্তন ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় সিডনিতে আগমনী অস্ট্রেলিয়ার এই আয়োজন প্রবাসী বাঙালির ধর্মীয় অনুভূতি, সাংস্কৃতিক পরিচয় ও শিকড়ের প্রতি ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

বাংলার বাইরে বসবাস করলেও ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রাখতে প্রবাসী বাঙালি সংগঠনগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মহালয়ার মতো আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির ঐতিহ্য, সংগীত ও ধর্মীয় অনুষঙ্গ তুলে ধরার পাশাপাশি কমিউনিটির সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করে।

আগমনী অস্ট্রেলিয়া সিডনির বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠন। দুর্গাপূজা, লক্ষ্মীপূজা, কালীপূজা ও সরস্বতীপূজাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি প্রবাসে বাঙালি ঐতিহ্য সংরক্ষণে ভূমিকা রেখে চলেছে।

দেবীপক্ষের আগমনী বার্তা নিয়ে মহালয়া তাই কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়; এটি প্রবাসে বাঙালির আত্মপরিচয়, সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ঐতিহ্য বহমান রাখার এক অনন্য উপলক্ষ। আবাহনে সিডনির ওরিয়ংটনে অনুষ্ঠিত হয়েছে আগমনী অস্ট্রেলিয়ার শুভ মহালয়া উদ্‌যাপন। প্রবাসের মাটিতে বাংলার চিরায়ত ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানকে ঘিরে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সৃষ্টি হয় শারদোৎসবের আগমনী আবহ।

মহালয়া বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে দেবীপক্ষের সূচনালগ্ন এবং শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতীক্ষার এক আবেগঘন অনুষঙ্গ। চণ্ডীপাঠ, স্তোত্রপাঠ ও আগমনী সংগীতের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমনের বার্তা ধ্বনিত হয়। সেই চিরন্তন ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় সিডনিতে আগমনী অস্ট্রেলিয়ার এই আয়োজন প্রবাসী বাঙালির ধর্মীয় অনুভূতি, সাংস্কৃতিক পরিচয় ও শিকড়ের প্রতি ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

বাংলার বাইরে বসবাস করলেও ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রাখতে প্রবাসী বাঙালি সংগঠনগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মহালয়ার মতো আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির ঐতিহ্য, সংগীত ও ধর্মীয় অনুষঙ্গ তুলে ধরার পাশাপাশি কমিউনিটির সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করে।

সিডনির প্রবাসী বাঙালি সমাজে মহালয়াকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগ সেই ঐতিহ্যকেই নতুন মাত্রা দিচ্ছে। ছবি: ওটিএন বাংলা

আগমনী অস্ট্রেলিয়া সিডনির বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠন। দুর্গাপূজা, লক্ষ্মীপূজা, কালীপূজা ও সরস্বতীপূজাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি প্রবাসে বাঙালি ঐতিহ্য সংরক্ষণে ভূমিকা রেখে চলেছে।

দেবীপক্ষের আগমনী বার্তা নিয়ে মহালয়া তাই কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়; এটি প্রবাসে বাঙালির আত্মপরিচয়, সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ঐতিহ্য বহমান রাখার এক অনন্য উপলক্ষ।

প্রবাসে শিকড়ের টানে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ঐতিহ্য

প্রবাসজীবনের ব্যস্ততা ও ভৌগোলিক দূরত্ব সত্ত্বেও মহালয়ার মতো উৎসব বাঙালিকে তার সাংস্কৃতিক শিকড়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখে। জন্মভূমি থেকে বহু দূরে থেকেও চণ্ডীপাঠের ধ্বনি, আগমনী গানের সুর এবং শারদীয় উৎসবের আবহ প্রবাসী বাঙালির মনে জাগিয়ে তোলে বাংলার স্মৃতি ও স্বদেশের অনুরণন।

বিশেষত সিডনিতে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের কাছে এসব আয়োজন নিজস্ব ভাষা, সংগীত, ধর্মীয় আচার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। পারিবারিক অংশগ্রহণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং কমিউনিটির মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে ঐতিহ্য কেবল স্মৃতির বিষয় হয়ে থাকে না; তা হয়ে ওঠে জীবন্ত সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার।

সম্প্রীতি ও সম্মিলিত উদ্‌যাপনের বার্তা

মহালয়ার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অশুভের অবসান ও শুভশক্তির জাগরণের প্রত্যাশার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। দেবী দুর্গার আবাহন তাই ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিসর অতিক্রম করে বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়, আত্মিক প্রত্যয় ও সম্মিলিত আনন্দের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত।

সিডনির প্রবাসী বাঙালি সমাজে মহালয়াকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগ সেই ঐতিহ্যকেই নতুন মাত্রা দিচ্ছে। ধর্মীয় অনুশীলন, সাংস্কৃতিক চর্চা ও সামাজিক সংযোগের সমন্বয়ে এসব আয়োজন প্রমাণ করে—দেশের সীমানা পেরোলেও ভাষা, সংস্কৃতি ও শিকড়ের প্রতি ভালোবাসা ম্লান হয় না।

শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী বার্তা বুকে ধারণ করে শুভ মহালয়া তাই প্রবাসী বাঙালির কাছে শুধু একটি তিথি নয়; এটি ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ, প্রজন্মের সেতুবন্ধন এবং বাঙালিয়ানার চিরন্তন উদ্‌যাপন।

এই শাখার আরও খবর

এনসিটি ইজারা বাতিলের দাবি, প্রয়োজনে হরতালে যাওয়ার ঘোষণা জোটের

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়েছে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট। একই সঙ্গে সোমবার (১২ অক্টোবর) বন্দর…

রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা, আগের হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ নিহত ১৩

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববারের এ হামলায় কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। এর…

অস্ট্রেলিয়ায় কোথায় কবে দুর্গাপূজা

অস্ট্রেলিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে প্রস্তুত বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। ২০২৬ সালের দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেশটির আটটি রাজ্য ও অঞ্চলের বিভিন্ন শহরে পূজা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মিলনমেলার আয়োজন…

হঠাৎ সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা, পর্যটকদের গন্তব্যে ফেরার নির্দেশ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক পর্যটনকেন্দ্র অনিবার্য কারণবশত সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে সেখানে অবস্থানরত পর্যটকদের মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল ৫টার মধ্যে সাজেক…

না ফেরার দেশে ষাটের দশকের নায়িকা নাসিমা খান

বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা নাসিমা খান আর নেই। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৮টার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস…

নেত্রীকে ফেরানোর দৃপ্ত শপথ নেওয়া গোপালগঞ্জ আ. লীগ সভাপতির চিরবিদায়

গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব আলী খান (৭০) মারা গেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে দলের জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au