বাংলাদেশ

প্রকাশ্যে গরুভোজের ঘোষণা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু জবাইয়ের নিষেধাজ্ঞার পর সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার আশঙ্কা

হিন্দু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

  • 2:50 am - October 15, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৮২ বার
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু জবাইয়ের নিষেধাজ্ঞার পর সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার আশঙ্কা। ছবিঃ সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পশু জবাইয়ে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার পরদিন প্রকাশ্যে গরু জবাই করে ভোজ আয়োজনের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে হিন্দু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরের নিরাপত্তা, ধর্মীয় উপাসনাস্থলের মর্যাদা এবং ক্যাম্পাসে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা জারি করে। এর পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী পরদিন ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে গরু জবাই করে ভোজ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উদ্বেগ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে ঘোষণার সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের পরিচয়, আয়োজনের সুনির্দিষ্ট স্থান এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী ওটিএন বাংলার সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে রাজি না হলেও ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক হিন্দু শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা আমাদের জায়গা থেকে সংযত আছি এবং থাকব। বিষয়টি আমরা প্রশাসনের কাছে ছেড়ে দিয়েছি। তারা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বা নেবে, তাতে আমাদের আপত্তি নেই।”

তিনি বলেন, পরিস্থিতি অন্যদিকে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এর সমাধান হবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, মন্দিরের সামনে গরুর মাংস রান্নার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যে নতুন করে প্রকাশ্যে পশু জবাইয়ের ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে হিন্দু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় বিদ্বেষ বা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ক্যাম্পাসে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কোনো ঘটনা ঘটেছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।

পশু জবাইয়ে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা

ক্যাম্পাসে পশু জবাই নিয়ে বিতর্কের মধ্যে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আজম খানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্দেশনা অমান্য করলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে গণবিজ্ঞপ্তির সূত্র হিসেবে ‘জিএসসিসি/পিআরডি/৭৯/২০২৬-২০২৭’ উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্দেশনায় কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায় বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে লক্ষ্য করে বিধিনিষেধ আরোপের কথা বলা হয়নি। বরং ক্যাম্পাসে সব ধরনের পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে নির্দেশনাটি প্রযোজ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে নিষেধাজ্ঞা জারির পর প্রকাশ্যে গরু জবাই করে ভোজ আয়োজনের ঘোষণার বিষয়ে প্রশাসনের অবস্থান কী, কিংবা ঘোষণাটি ঠেকাতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

কেন্দ্রীয় মন্দিরের সামনে গরুর মাংস রান্না নিয়ে বিতর্ক

এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরের সামনে গরুর মাংস দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে পিকনিক আয়োজনের অভিযোগ ওঠে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১৭তম ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ওই আয়োজন করা হয়। শুরুতে রান্নায় গরুর মাংস ব্যবহারের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা আপত্তি জানান। একপর্যায়ে তাঁদের প্রতিবাদের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের হস্তক্ষেপে রান্না শেষ করে আয়োজকেরা অন্যত্র গিয়ে খাবার গ্রহণ করেন বলে জানা গেছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরের সামনে রান্না করা হল গো-মাংস। ওটিএন বাংলা

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অভিযোগ ওঠে, রান্নার চুলা তৈরি করতে কেন্দ্রীয় মন্দিরের ইট ব্যবহার করা হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওকে এ অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের ফল বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের একাংশ প্রতিবাদ মিছিল করেন এবং মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান। তাঁদের উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছে উপাসনাস্থলের মর্যাদা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশে ধর্মীয় আচার পালনের সুযোগ।

ঘটনার পর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতনী শিক্ষার্থীরা। ছবিঃ ওটিএন বাংলা

হিন্দু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতার আশঙ্কা

মন্দিরের সামনে রান্নার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর পশু জবাইয়ে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা এবং পরদিন প্রকাশ্যে গরু জবাই করে ভোজ আয়োজনের ঘোষণার বিষয়টি ক্যাম্পাসের পরিস্থিতিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।

এ পরিস্থিতিতে হিন্দু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তাঁদের ধর্মীয় উপাসনাস্থল সুরক্ষিত রাখা এবং কোনো পক্ষের উসকানি বা পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির মাধ্যমে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার মধ্যে কোনো ধরনের ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বা উসকানি ছড়াচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের বিষয়ও সামনে এসেছে।

মানবাধিকারকর্মীদের দৃষ্টিতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের অংশ। কোনো শিক্ষার্থী ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হুমকি, হয়রানি বা সহিংসতার আশঙ্কায় থাকলে তাঁর অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা এবং প্রয়োজনীয় সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তবে এ ঘটনায় কোনো মানবাধিকারকর্মীর নির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে গরু জবাইয়ের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কোনো সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘোষণাটি বাস্তবায়িত হলে বা এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি তৈরি হলে পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কেন্দ্রীয় মন্দিরের স্থায়ী অবকাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিনের দাবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মন্দির প্রতিষ্ঠার দাবি দীর্ঘদিনের। ক্যাম্পাসে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় উপাসনা ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য স্থায়ী জায়গার দাবিতে তাঁরা বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ নিয়েছেন।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মন্দিরের জন্য প্রস্তাবিত জায়গায় শৌচাগার নির্মাণের উদ্যোগের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পরে তাঁরা নিজেরাই ভিত্তিপূজার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় মন্দির প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।

গত শনিবার (১০ অক্টোবর) মহালয়া উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের সদস্যসচিব জয় সাহা স্থায়ী মন্দির প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় উপাসনা এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য স্থায়ী অবকাঠামোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

জয় সাহা আশা প্রকাশ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে মন্দিরটি স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

মহালয়ার অনুষ্ঠানে স্থায়ী মন্দির প্রতিষ্ঠার দাবির দুই দিন পর মন্দিরের সামনে গরুর মাংস রান্নার ঘটনা এবং পরবর্তী সময়ে পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়টি ক্যাম্পাসে ধর্মীয় উপাসনাস্থলের ব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনাকে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।

ঘটনার তদন্ত দাবি ছাত্রদল নেতার

মন্দিরের সামনে গরুর মাংস রান্নার ঘটনাটি নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা সামছুল আরিফিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপাসনাস্থলের আশপাশে আয়োজন করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের ধর্মীয় অনুভূতি ও পরিবেশ বিবেচনায় রাখা উচিত ছিল।

তিনি দাবি করেন, মন্দিরের সামনে রান্নার আয়োজন না করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের অন্য পাশে তা করা যেত। আগে মুক্তমঞ্চের আশপাশে বারবিকিউয়ের আয়োজন হলেও স্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়টি বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সামছুল আরিফিন মন্দিরের জন্য জায়গা নির্ধারণের সময় শৌচাগার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে তৈরি হওয়া আগের বিতর্কের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। বর্তমান ঘটনার পেছনে কেউ উসকানি দিয়েছেন কি না, তা তদন্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রশাসনের পদক্ষেপের অপেক্ষা

ক্যাম্পাসে পশু জবাই বন্ধে নির্দেশনা জারির পরও প্রকাশ্যে গরু জবাই করে ভোজ আয়োজনের ঘোষণার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ এখনও স্পষ্ট নয়। একই সঙ্গে হিন্দু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত জানা যায়নি।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে, ক্যাম্পাসে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো শিক্ষার্থী যেন হুমকি বা হয়রানির শিকার না হন তা নিশ্চিত করবে এবং কেন্দ্রীয় মন্দিরের নিরাপত্তা বজায় রাখবে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ অনুসন্ধান এবং যেকোনো ধরনের উসকানি বা সহিংসতার আশঙ্কা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

এই শাখার আরও খবর

পূজার আগ মুহূর্তে দিয়াশলাইয়ের কাঠির প্রতিমা অপসারণের নির্দেশ, হতাশ সাতক্ষীরার আয়োজকরা

শারদীয় দুর্গাপূজার আর মাত্র এক দিন বাকি। মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, চারদিকে উৎসবের আমেজ। এমন সময়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুরে দেড় লাখ দিয়াশলাইয়ের…

হুতিদের হামলায় কাঁপছে সৌদির নিরাপত্তার ভাবমূর্তি, দেশ ছাড়ার কথা ভাবছেন প্রবাসীরা

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের তুলনামূলক নিরাপদ ও স্থিতিশীল গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরেছে সৌদি আরব। কিন্তু রাজধানী রিয়াদের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের প্রাণঘাতী হামলার পর…

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাহীনতার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়ী করলেন শেখ হাসিনা

শারদীয় দুর্গোৎসব এমন এক সময়ে এসেছে, যখন বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা গভীর নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী…

সুনামগঞ্জে পারিবারিক মন্দির থেকে দেড় শ বছরের পুরনো ৩ প্রতিমা চুরি

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বাধনপাড়ায় একটি পারিবারিক মন্দিরের তালা ভেঙে দেড় শ বছরের বেশি পুরনো তিনটি প্রতিমা চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মন্দির থেকে সোনা, রুপা,…

গরুর মাংসের বিতর্কের পর এবার ক্যাম্পাসে যেকোনো পশু জবাই নিষিদ্ধ করল জবি প্রশাসন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় মন্দিরের সামনে গরুর মাংস রান্না করে পিকনিক আয়োজনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মধ্যে এবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরনের পশু জবাই থেকে…

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হাসপাতালে ঢুকে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, মানসিক অসুস্থতার কথা বলছে পরিবার

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে দুই দফায় গণপিটুনি দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যার আগে উপজেলার…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au