বাংলাদেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক দিবস আজ, স্মরণে ছাদধসে নিহত ৪০ জন

  • 6:46 am - October 16, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৬০ বার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস। ছবিঃ সংগৃহীত

পুরোনো ভবনের ছাদ ধসে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬ শিক্ষার্থীসহ ৪০ জন। চার দশক পেরিয়েও ১৫ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে শোক, স্মৃতি ও মানবিক বেদনার দিন। নিহতদের স্মরণে আজ কালো পতাকা উত্তোলন, শোক র‍্যালি, স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, প্রার্থনা ও আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

আজ ১৫ অক্টোবর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক দিবস। ১৯৮৫ সালের এই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের একটি পুরোনো ভবনের ছাদ ধসে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ৪০ জন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ২৬ জন শিক্ষার্থী এবং ১৪ জন অতিথি ও কর্মচারী। এ ঘটনায় আহত হন আরও অনেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এই দুর্ঘটনা শুধু একটি ভবনধসের ঘটনা নয়, বরং একসঙ্গে বহু প্রাণ হারানোর শোকাবহ স্মৃতি, যা চার দশক পরও শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট মানুষের মনে গভীর বেদনা জাগায়।

প্রতি বছর ১৫ অক্টোবর নিহতদের স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শোক দিবস পালন করা হয়। দিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীতের এক মর্মান্তিক অধ্যায়কে স্মরণ করার পাশাপাশি পুরোনো স্থাপনার নিরাপত্তা, মানুষের জীবন রক্ষায় সতর্কতা এবং সম্মিলিত শোকের মধ্য দিয়ে হারিয়ে যাওয়া মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।

যে রাতে থেমে গিয়েছিল সবকিছু

১৯৮৫ সালের ১৫ অক্টোবর রাত। রাজধানীজুড়ে তখন প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে আবহাওয়া ছিল দুর্যোগপূর্ণ। বিভিন্ন বিবরণে বলা হয়েছে, সে রাতে ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যাচ্ছিল। বৃষ্টির পানিতে দুর্বল হয়ে পড়েছিল জগন্নাথ হলের পুরোনো একটি ভবনের ছাদ।

ভবনটির একটি হলরুমে তখন চলছিল ‘শুকতারা’ নামের একটি নাটক। নাটক দেখতে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন শিক্ষার্থী, অতিথি ও অন্যান্য দর্শনার্থী। সন্ধ্যার পর থেকে চলা সেই আয়োজনের পরিবেশ মুহূর্তেই বদলে যায়। নাটক শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই হঠাৎ ছাদ ধসে পড়ে। মুহূর্তে ধুলা, ইট-পাথর ও ভাঙা স্থাপনার নিচে চাপা পড়েন উপস্থিত অনেকে।

প্রাথমিকভাবে কতজন মানুষ ওই হলরুমে ছিলেন, তা নিয়ে বিভিন্ন বিবরণে ভিন্নতা রয়েছে। কোনো কোনো হিসাবে উপস্থিত মানুষের সংখ্যা দেড় থেকে দুই শ, আবার কিছু প্রতিবেদনে তা ৩০০ থেকে ৪০০ পর্যন্ত বলা হয়েছে। তবে প্রত্যক্ষ বিপর্যয়ের ব্যাপকতা এবং প্রাণহানির সংখ্যা থেকে বোঝা যায়, ওই রাতে ভবনটিতে বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ছাদধসের পরপরই শুরু হয় উদ্ধার তৎপরতা। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের বের করে আনার চেষ্টা করেন উপস্থিত শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও স্থানীয় লোকজন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু অনেকের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার রাতেই ৩৫ জনের মৃত্যু হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচজন মারা যান। সব মিলিয়ে প্রাণ হারান ৪০ জন।

নিহতদের মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী ছিলেন। বাকি ১৪ জন ছিলেন অতিথি ও কর্মচারী। আহত হন শতাধিক মানুষ বলে বিভিন্ন বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে। স্বজন, সহপাঠী ও পরিচিতদের কাছে প্রিয় মানুষদের হারানোর সেই রাত পরিণত হয় এক দীর্ঘস্থায়ী শোকে।

পুরোনো পরিষদ ভবন থেকে শোকের স্মৃতিচিহ্ন

যে ভবনে দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল, সেটি তখন ‘পরিষদ ভবন’ বা ‘অ্যাসেম্বলি হল’ নামে পরিচিত ছিল। শত বছরেরও বেশি পুরোনো এই স্থাপনা একসময় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদ ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরবর্তী সময়ে নতুন ভবন নির্মিত হলে ১৯৬৩ সালে পুরোনো ভবনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আসার পর ভবনটি জগন্নাথ হলের বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হতো। এর একটি কক্ষ টেলিভিশন কক্ষ হিসেবেও ব্যবহৃত হতো বলে বিভিন্ন বিবরণে উল্লেখ রয়েছে। একসময় যে স্থাপনা প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের অংশ ছিল, সেটিই পরে হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাদায়ক ঘটনার স্মারক।

দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে পুরোনো ভবনের ছাদের দুর্বলতা ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কথা বিভিন্ন বিবরণে উঠে এসেছে। তবে ভবনটির কাঠামোগত অবস্থা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট প্রকৌশলগত কারণ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ নথিভিত্তিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দলিলের প্রয়োজন রয়েছে।

শোক ছড়িয়ে পড়েছিল দেশজুড়ে

জগন্নাথ হলের এই দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়িয়ে সারা দেশে শোকের আবহ তৈরি হয়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিদেশি কূটনীতিকরা প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন। দুর্ঘটনার পর তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছিল বলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিবরণে উল্লেখ রয়েছে। পরদিন, ১৬ অক্টোবর, সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়।

একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে এমন বিপুল প্রাণহানির ঘটনা শিক্ষাঙ্গনে গভীর প্রভাব ফেলে। সহপাঠী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অতিথিদের একসঙ্গে হারানোর বেদনা দীর্ঘদিন ধরে বহন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সেই স্মৃতিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ধারণ করতেই ১৫ অক্টোবরকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক দিবস হিসেবে পালন করা শুরু হয়।

এরপর থেকে প্রতিবছর দিনটি ফিরে আসে নিহতদের স্মরণ, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং নতুন প্রজন্মের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের এই মর্মান্তিক অধ্যায় তুলে ধরার উপলক্ষ হয়ে। বর্তমান শিক্ষার্থীদের অনেকেই দুর্ঘটনার সময় জন্মগ্রহণ করেননি। তবু শোক দিবসের কর্মসূচি, স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে তাঁরা জানতে পারেন তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে ঘটে যাওয়া সেই ভয়াবহ ঘটনার কথা।

স্মরণে কালো পতাকা, শোক র‍্যালি ও প্রার্থনা

শোক দিবস উপলক্ষে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সকাল ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ভবন ও হলে কালো পতাকা উত্তোলন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কালো ব্যাজ ধারণ করবেন।

জগন্নাথ হলের স্মৃতিসৌধ। ছবিঃ সংগৃহীত

সকাল সাড়ে ৭টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের নেতৃত্বে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোক র‍্যালি শুরু হবে। র‍্যালিটি জগন্নাথ হলের স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা। সেখানে নিহতদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হবে।

সকাল ৮টায় অক্টোবর স্মৃতি ভবনের টিভি কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা এবং তাঁদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এ আয়োজন করা হচ্ছে।

এ ছাড়া সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নিহতদের প্রতিকৃতি, ছবি ও বিভিন্ন দলিল প্রদর্শন করা হবে। এসব ছবি ও নথির মাধ্যমে দুর্ঘটনার ইতিহাস, নিহতদের স্মৃতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক দিবস পালনের ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হবে।

বাদ মাগরিব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদসহ সব হল মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। শোক দিবসের সব কর্মসূচি যথাযথভাবে পালনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।

দেশের বাইরে থেকেও স্মরণে জগন্নাথ হলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক দিবস উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়াতেও স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। এই শোকাবহ দিনের স্মৃতিকে ধারণ করে এবং নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া (JHAAA) ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে সিডনির কিংস ল্যাংলির জিম সাউথি কমিউনিটি সেন্টারে এক স্মরণ ও প্রার্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

দেশের বাইরে বসবাস করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে স্মৃতি ও সম্পর্ক ধরে রাখা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের কাছে এই আয়োজন নিহতদের স্মরণ এবং জগন্নাথ হলের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি উপলক্ষ। ঢাকার ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির পাশাপাশি প্রবাসে এ ধরনের স্মরণসভা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আবেগগত সম্পর্কের ধারাবাহিকতাও প্রকাশ করে।

চার দশক পরও যে স্মৃতি মুছে যায়নি

জগন্নাথ হলের ছাদধসের ঘটনা আজও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে গভীর শোকের প্রতীক। ১৯৮৫ সালের সেই রাতে প্রাণ হারানো মানুষদের প্রত্যেকের ছিল আলাদা জীবন, পরিবার, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ। তাঁদের অনুপস্থিতি শুধু স্বজনদের জীবনেই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিতেও স্থায়ী শূন্যতা তৈরি করেছে।

শোক দিবস তাই কেবল অতীতের একটি দুর্ঘটনাকে স্মরণ করার আনুষ্ঠানিকতা নয়। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দিন। একই সঙ্গে পুরোনো ভবনের নিরাপত্তা, স্থাপনা রক্ষণাবেক্ষণ এবং যেকোনো জনসমাগমে মানুষের জীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করার গুরুত্বও স্মরণ করিয়ে দেয়।

প্রতি বছর ১৫ অক্টোবর কালো পতাকা, অর্ধনমিত বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা, শোক র‍্যালি, পুষ্পস্তবক অর্পণ, প্রার্থনা ও দোয়ার মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেই রাতের নিহতদের স্মরণ করে। সময় এগিয়ে যায়, প্রজন্ম বদলায়, কিন্তু জগন্নাথ হলের সেই ছাদধসের স্মৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে থেকে যায় এক গভীর ক্ষত হয়ে।

আজকের শোক দিবসে ৪০ জন নিহত মানুষের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তাঁদের জীবন ও মৃত্যুর ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, স্মরণ শুধু অতীতকে ধারণ করে না, ভবিষ্যতে আরও সতর্ক, দায়িত্বশীল ও মানবিক হওয়ার প্রয়োজনীয়তাও সামনে আনে।

এই শাখার আরও খবর

বাংলাদেশ: সব নাগরিকের রাষ্ট্র, নাকি তৌহিদি জনতার শাসনাধীন রাষ্ট্র?

বাংলাদেশে উচ্ছৃঙ্খল জনতার সহিংসতার ভয়াবহ বিপদ সামনে এনেছে সাতক্ষীরায় ওয়াহিদুজ্জামান শামীমের মৃত্যু। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৩ অক্টোবর মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য…

সিডনিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস পালিত: জগন্নাথ হলের সেই মর্মান্তিক ঘটনার স্মৃতিচারণে আবেগঘন পরিবেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অন্যতম শোকাবহ দিন ১৫ অক্টোবর। ১৯৮৫ সালের এই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের একটি ভবনের ছাদ ধসে ৩৯ জন শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও অতিথি…

নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা, শরীরে পাঁচটি গুলির চিহ্ন

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে দোকানে বসে থাকা সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সোয়া ৮টার দিকে কলমাকান্দা পৌরসভার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের…

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন শুরু, বুথে ২ শতাংশ নাম বাদ দেওয়ার প্রস্তাব এলেই যাচাই

পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (স্পেশাল সামারি রিভিশন বা এসএসআর) শুরু করতে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এই প্রক্রিয়ায়…

সিডনির হাসপাতালে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ‘১০০ শতাংশেরও বেশি’ ঠেকানো সম্ভব ছিল: ভুক্তভোগী

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির একটি হাসপাতালে জ্বালানি ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ এক রোগী বলেছেন, ভয়াবহ এ হামলা ‘১০ লাখ শতাংশ’ প্রতিরোধ করা সম্ভব ছিল।…

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাসঘাতকতা করেছে: জেলেনস্কির

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপে নিজেকে বিশ্বাসঘাতকতার শিকার বলে মনে করছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তাঁর অভিযোগ, রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা সীমিত করার হুমকি দেওয়া…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au