বাংলাদেশ

জানুয়ারিতে শুরু ‘একুশের’ বইমেলা, ফেব্রুয়ারির ঐতিহ্য থেকে সরে যাওয়ার প্রশ্ন

  • 3:35 am - October 19, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৫৩ বার
জানুয়ারিতে শুরু ‘একুশের’ বইমেলা। ছবিঃ সংগৃহীত

অমর একুশে বইমেলা মানেই ফেব্রুয়ারি, ভাষা আন্দোলনের চেতনা এবং বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীর সংযোগ। দীর্ঘদিন ধরে ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে আয়োজিত এই বইমেলা লেখক, পাঠক ও প্রকাশকদের কাছে কেবল বই কেনাবেচার আয়োজন নয়, বরং ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক। তবে ২০২৭ সালের অমর একুশে বইমেলা ৭ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলা একাডেমি। এতে মেলার ঐতিহ্যবাহী সময়সূচি ও ফেব্রুয়ারির সঙ্গে এর ঐতিহাসিক যোগসূত্র বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বাংলা একাডেমির প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ২০২৭ সালের বইমেলার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি মেলা শুরু হয়ে চলবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

তবে মেলার সময়সূচি নিয়ে প্রকাশকদের মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে। একদিকে রমজান, বই বিক্রির পরিস্থিতি ও প্রকাশকদের আর্থিক ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে মেলা এগিয়ে আনার পক্ষে মত দিয়েছেন কেউ কেউ। অন্যদিকে, ফেব্রুয়ারির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অক্ষুণ্ন রাখার ওপর জোর দিচ্ছেন প্রকাশকদের একটি অংশ।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, প্রকাশকদের সঙ্গে আলোচনা করেই বইমেলার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির (বাপুস) সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি।

বাপুসের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেন, তাঁরা বইমেলার সঙ্গে ফেব্রুয়ারির ঐতিহাসিক যোগসূত্র ধরে রাখতে চান। তাঁর মতে, অমর একুশে বইমেলা একুশে ফেব্রুয়ারি ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। তাই মেলার সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

রেজাউল করিম বাদশা বলেন, ‘আমরা ফেব্রুয়ারির ঐতিহ্য ধরে রাখতে চাই। বইমেলা তো একুশে ফেব্রুয়ারির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এটা আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বিষয়।’

বাংলা একাডেমির বিজ্ঞপ্তিতে ২০২৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেলা আয়োজনের কথা বলা হলেও সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেলা চালানোর বিষয়ে কথা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাপুস সভাপতি। তাঁর ভাষ্য, মেলা এক মাসের বেশি সময় ধরে চললেও তাঁদের আপত্তি নেই। তবে ফেব্রুয়ারির সঙ্গে মেলার সম্পর্ক বজায় রাখাটা তাঁদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘এক মাসের বেশি হোক, অসুবিধা নাই। কিন্তু আমরা ফেব্রুয়ারির সঙ্গে যুক্ত থাকতে চাই।’

অর্থাৎ, প্রকাশকদের একটি অংশের কাছে মেলার সময়কাল বাড়ানো বা কমানোর চেয়ে ফেব্রুয়ারির ঐতিহাসিক সময়পর্বের সঙ্গে আয়োজনটির সংযোগ ধরে রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেলা চালানোর বিষয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার যে দাবি বাপুস সভাপতি করেছেন, তা বাংলা একাডেমির প্রকাশিত সময়সূচিতে প্রতিফলিত হয়নি।

রমজান ও বিক্রি কমার আশঙ্কা

বইমেলার সময়সূচি নির্ধারণে প্রকাশকদের আর্থিক বাস্তবতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাপুস সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা জানান, মেলায় অংশ নিতে গিয়ে প্রকাশকদের উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করতে হয়। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী বই বিক্রি না হলে তাঁদের লোকসানের মুখে পড়তে হয়। আগামী বছরের মেলার সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে রমজানকে কেন্দ্র করে বিক্রি কমে যাওয়ার আশঙ্কাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

একটি সৃজনশীল প্রকাশনীর মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রমজানের মধ্যে বইমেলা আয়োজন করলে সাধারণত প্রত্যাশিত ক্রেতা-সমাগম হয় না বলে তাঁদের আশঙ্কা। এতে প্রকাশকদের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে। এ কারণে তাঁদের পক্ষ থেকে বইমেলা এগিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। জানুয়ারির শুরুতে মেলা আয়োজনের সিদ্ধান্তের পেছনে এই বিবেচনাও কাজ করেছে বলে জানান তিনি।

প্রকাশকদের যুক্তি, বইমেলায় অংশগ্রহণের জন্য আগেভাগেই বই প্রকাশ, মুদ্রণ, পরিবহন, স্টল পরিচালনা ও কর্মী নিয়োগসহ নানা প্রস্তুতি নিতে হয়। মেলার তারিখ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে এসব পরিকল্পনা ব্যাহত হয়। আবার এমন সময়ে মেলা অনুষ্ঠিত হলে, যখন পাঠকের উপস্থিতি কম থাকে, তখন বিনিয়োগের অর্থ তুলে আনা কঠিন হয়ে পড়ে।

সাম্প্রতিক সময়ে বই বিক্রি কমে যাওয়ার কারণে প্রকাশকদের আর্থিক চাপ বেড়েছে বলেও তাঁদের কেউ কেউ দাবি করছেন। তাঁদের মতে, বইমেলার সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক গুরুত্বের পাশাপাশি বাজারের বাস্তবতা, পাঠকের উপস্থিতি এবং প্রকাশকদের সক্ষমতাও বিবেচনায় নেওয়া দরকার।

তবে ফেব্রুয়ারির ঐতিহ্য বজায় রাখার পক্ষে থাকা প্রকাশকদের বক্তব্য হলো, অমর একুশে বইমেলাকে সাধারণ বাণিজ্যিক আয়োজন হিসেবে দেখলে এর ঐতিহাসিক তাৎপর্য উপেক্ষিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ধারণ করে গড়ে ওঠা এই মেলার সময়সূচি নির্ধারণে তাই অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও ঐতিহ্য, উভয় দিকের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।

২০২৬ সালের বইমেলা নিয়েও ছিল অনিশ্চয়তা

২০২৭ সালের বইমেলার সময়সূচি নিয়ে বিতর্কের আগে ২০২৬ সালের আয়োজন নিয়েও একাধিকবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হয়েছিল বাংলা একাডেমিকে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রমজানের সময় বিবেচনায় নিয়ে ২০২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর বাংলা একাডেমি ঘোষণা করেছিল, ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বইমেলা আয়োজন করা হবে।

তবে ডিসেম্বর মাসে মেলা আয়োজনের এ সিদ্ধান্ত নিয়ে লেখক ও প্রকাশকদের একাংশ আপত্তি জানান। তাঁদের মতে, অমর একুশে বইমেলার ঐতিহাসিক সময় ফেব্রুয়ারি মাস। ফলে ডিসেম্বরের আয়োজন ঐতিহ্যবাহী সময়সূচি থেকে বিচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছিল।

এরপর ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বইমেলা আয়োজনের কথা বলা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিসেম্বরের জন্য নির্ধারিত সময়সূচি স্থগিত করে বাংলা একাডেমি।

দীর্ঘ আলোচনা ও সমালোচনার পর ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমির শহীদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বইমেলা ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলার কথা ছিল। উদ্বোধনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল বেলা ১১টা।

কিন্তু রমজানের মধ্যে মেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রকাশকদের একাংশ আপত্তি জানান। তাঁদের আশঙ্কা ছিল, জাতীয় নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি এবং রমজানের কারণে মেলায় দর্শনার্থী ও ক্রেতার উপস্থিতি কমে যেতে পারে। এতে প্রকাশকদের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি বাড়বে। এ পরিস্থিতিতে মেলা পেছানো বা সময়সূচি পুনর্বিবেচনার দাবিও ওঠে।

শেষ পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বইমেলা শুরু হয়। মেলা চলে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। সময়সূচি নির্ধারণ ও পরিবর্তন নিয়ে দীর্ঘ অনিশ্চয়তা এবং রমজানের মধ্যে আয়োজনের কারণে প্রকাশকদের অংশগ্রহণ, বিক্রি ও আর্থিক ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ সামনে আসে।

ঐতিহ্য বনাম আর্থিক বাস্তবতা

প্রকাশকদের কাছে অমর একুশে বইমেলা বছরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিক্রির উপলক্ষ। নতুন বই প্রকাশ, লেখক-পাঠকের সরাসরি যোগাযোগ এবং প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচিতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে মেলাটির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। এ কারণে মেলার সময়সূচি নির্ধারণে তাঁদের আগ্রহ ও মতামত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে মেলার তারিখ বারবার পরিবর্তিত হলে প্রকাশকদের প্রস্তুতি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পাঠকদের মধ্যেও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। কখন মেলা শুরু হবে, কত দিন চলবে এবং কোন সময়ে পাঠকের উপস্থিতি বেশি থাকবে, এসব বিষয় প্রকাশনা ব্যবসার পরিকল্পনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

অন্যদিকে, অমর একুশে বইমেলার পরিচয় ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য ফেব্রুয়ারি মাসের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ, মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশের সঙ্গে মেলার ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে। তাই মেলার সময়সূচি ফেব্রুয়ারি থেকে এগিয়ে আনার সিদ্ধান্তকে শুধু প্রশাসনিক বা বাণিজ্যিক বিবেচনায় দেখছেন না সংশ্লিষ্টদের অনেকে।

২০২৭ সালের মেলার ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আয়োজনটি জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শুরু হয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শেষ হবে। ফলে মেলার একটি অংশ ফেব্রুয়ারিতে পড়লেও একুশে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে না। বাপুস সভাপতি অবশ্য জানিয়েছেন, তাঁরা মেলা ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চালানোর বিষয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

এ অবস্থায় বাংলা একাডেমির ঘোষিত সময়সূচি এবং প্রকাশকদের একাংশের প্রত্যাশার মধ্যে সমন্বয় কীভাবে হবে, তা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকার সুযোগ রয়েছে। মেলার চূড়ান্ত সময়সূচিতে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, সে বিষয়ে সরবরাহ করা তথ্যে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তের উল্লেখ নেই।

সব মিলিয়ে, ২০২৭ সালের অমর একুশে বইমেলার সময়সূচি নির্ধারণে দুটি বিষয় সামনে এসেছে। একদিকে রমজান ও বিক্রি কমে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে প্রকাশকদের আর্থিক স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়ার দাবি রয়েছে। অন্যদিকে, ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত ফেব্রুয়ারির সঙ্গে বইমেলার ঐতিহাসিক সম্পর্ক বজায় রাখার প্রত্যাশা রয়েছে লেখক, পাঠক ও প্রকাশকদের একটি অংশের। এই দুই বাস্তবতার মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য আনা হবে, সেটিই এখন বইমেলার সময়সূচি নিয়ে আলোচনার মূল প্রশ্ন।

এই শাখার আরও খবর

ফজলে করিমের জামিনে ঘুষ দাবি, বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা নিয়ে ব্রিটিশ প্রতিবেদনে উদ্বেগ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিচারব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে একটি অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ২০২৬ সালের…

মুম্বাইয়ে টাইগার শ্রফকে হত্যাচেষ্টার দাবি বিষ্ণোই গ্যাংয়ের, গুলিবিদ্ধ গাড়িচালক

ভারতের বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় হত্যাচেষ্টার দাবি করেছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা…

এটিওতে ক্রেডিট কার্ডে কর পরিশোধ বন্ধের সিদ্ধান্ত স্থগিত, আলবানিজ-চালমার্সের দ্বন্দ্বের খবর নাকচ শ্রমমন্ত্রীর

অস্ট্রেলিয়ার কর দপ্তরে (এটিও) ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কর পরিশোধ বন্ধের সিদ্ধান্ত স্থগিত করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ ও অর্থমন্ত্রী জিম চালমার্সের মধ্যে মতবিরোধের গুঞ্জন উঠেছে।…

বিতর্কের মুখে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নিয়ে অংশগ্রহণ এবং অভিযানের সময় কয়েকজনকে ধরতে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশের পর বিতর্কের মুখে পড়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য…

বেঁচে থাকলে দেশ ও মানুষের সেবায় শেখ হাসিনার একনিষ্ঠ ছায়াসঙ্গী হতেন শেখ রাসেল

কিছু মৃত্যু কেবল একটি জীবনের অবসান ঘটায় না, থামিয়ে দেয় অসংখ্য সম্ভাবনার অঙ্কুরোদ্গম। কিছু হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারকে নিঃস্ব করে না, একটি জাতির বিবেককে চিরদিনের…

নতুন রাজনৈতিক কার্টুনে জ্যাকি ল্যাম্বির শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে পলিন হ্যানসনের কটাক্ষ

অস্ট্রেলিয়ার সিনেটর জ্যাকি ল্যাম্বির ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যগত সমস্যা নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপনা করে নতুন রাজনৈতিক কার্টুন প্রকাশ করেছেন দেশটির ডানপন্থী দল ওয়ান নেশনের নেতা পলিন হ্যানসন। ‘প্লিজ…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au