সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড: আমার মাইয়ার লাশ আইনা দাও, আমি ওরে দেহুম
‘আমি কেমনে বাঁচুম রে, আমার সুইটিরে আইনা দ্যাও রে। আমার মাইয়ার লাশ আইনা দাও, আমি ওরে দেহুম।’ সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া মেয়ে সুইটি আক্তারের…
মেলবোর্ন, ১৫ নভেম্বর- ঢাকার জাতীয় ঈদগাহের সামনে দুটি ড্রামভর্তি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রমনা থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে নিহত মো. আশরাফুল হকের এক বন্ধুকে। পুলিশ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে ব্যক্তিগত বিরোধ ও আর্থিক লেনদেনকে ঘটনাটির সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সিআইডি ও ডিএমপি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে দুটি নীল ড্রাম রাস্তার পাশে রেখে যায় দুজন ব্যক্তি। সন্ধ্যায় দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে পুলিশ ড্রাম খুলে চালের ভেতর কালো পলিথিনে মোড়ানো খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট মরদেহের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করে।
নিহত আশরাফুল হক রংপুরের বদরগঞ্জের শ্যামপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন। পুলিশ জানায়, গত কয়েকদিন তিনি নিখোঁজ ছিলেন, তবে পরিবার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি।
ডিএমপির রমনা বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যে দুজন ড্রাম রেখে যায় তাদের একজন নিহত আশরাফুলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাকে মামলার আসামি করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
পুলিশের ধারণা, অল্প কয়েকদিন আগে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। হত্যার পর মরদেহ খণ্ড করে ড্রামে ভরে শহরের ব্যস্ত সড়কে ফেলে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা সামগ্রী পরীক্ষার জন্য ফরেনসিকে পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, হত্যার পেছনে জড়িতদের শনাক্তে জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ চলছে। খুব দ্রুত এ ঘটনার পুরো চিত্র বের হয়ে আসবে বলে তারা আশা করছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au