রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?
সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…
মেলবোর্ন, ১৭ নভেম্বর- বাংলাদেশের রাজধানীতে আজ গণপরিবহনের চলাচল স্পষ্টভাবে কমে গেছে। মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ শাটডাউনের ডাক দিয়েছে, আর তার প্রভাব সকাল থেকেই শহরের রাস্তায় দেখা যাচ্ছে। প্রতিদিনের তুলনায় আজ বাস, মিনিবাস, রাইড শেয়ারিং সবই সীমিত, আর যাত্রীও কম। ভোর থেকে অফিস সময় পর্যন্ত ঢাকার প্রধান সড়কগুলো প্রায় ফাঁকা ছিল। শাহবাগ, কাঁটাবন, মৎস্য ভবন, বাংলামটর, বিজয় সরণী, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার থেকে ধানমন্ডি; সব জায়গায় একই চিত্র। যে কয়েকটি বাস চলাচল করেছে, সেগুলোর বেশিরভাগ আসনই ছিল খালি। ব্যক্তিগত গাড়ি ও অটোরিকশাও স্বাভাবিক দিনের তুলনায় কম ছিল।
পুরান ঢাকার রায় সাহেব বাজারে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পরিবহন স্বাভাবিক থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানেও যানবাহন কমতে থাকে। অনেকে বলছেন, নিরাপত্তা অনিশ্চয়তার কারণে অপ্রয়োজনে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। শাহবাগে বাসের জন্য অপেক্ষা করা মোক্তার হোসেন বলেন, আজ রাস্তাঘাট ফাঁকা, গাড়িও কম। শাটডাউনের কারণে মানুষ ঝুঁকি নিতে চাইছে না। গুলিস্তান থেকে সাভারগামী এক যাত্রী জানান, সাধারণ দিনে যেখানে সিট পাওয়া দুষ্কর, আজ বাস অর্ধেক খালি।
গণপরিবহন স্বাভাবিক রাখতে পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিদ্ধান্ত নিলেও মাঠে তার প্রভাব দেখা যায়নি। পরিবহন মালিকদের একাংশ জানিয়েছেন, সম্প্রতি লকডাউন কর্মসূচিতে দেশজুড়ে প্রায় ২০টি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। ময়মনসিংহে আগুনে বাসচালক জুলহাস নিহত হওয়ার ঘটনাও শ্রমিকদের ভয় আরও বাড়িয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাস মালিক বলেন, স্বাভাবিক দিনে তাঁর ২০ থেকে ২২টি বাস রাস্তায় থাকে, আজ চলছে মাত্র ৯টি। তিনি বলেন, ওপর মহলের ক্ষতিপূরণের আশ্বাস থাকলেও বাস্তবে তা পাওয়া যায় না, তাই অতিরিক্ত ঝুঁকি নেওয়া হয়নি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au