সরকার চায় ঐক্য, একটি মহল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি: প্রধানমন্ত্রী
দেশের সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য গড়ে তুলতে চায় সরকার। তবে সরকার যখন সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তখন একটি মহল দেশে বিভ্রান্তি ছড়ানোর…
মেলবোর্ন, ২১ নভেম্বর- কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন মিয়া বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। পরীক্ষার দিনই সে ছিল কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে। পুলিশ তাকে ছাত্রলীগের কর্মী সন্দেহে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গেছে।
ইমরান ঢালুয়া বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। গ্রেপ্তারকৃত ইমরানের বাবা ইসহাক মিয়া ক্ষুদ্র ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। তার দাবি, ছেলে রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত নয় এবং কোনো মিছিলে অংশ নেওয়ার প্রমাণও নেই। গভীর রাতে বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। পরদিন পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় ইমরানকে অন্যতম আসামি করে আদালতে পাঠায়।
ইসহাক মিয়া জানান, ছেলের পরীক্ষার প্রবেশপত্র হাতে নিয়ে থানায় গিয়েও কোনো সহযোগিতা পাননি। তিনি বলেন, ছেলের ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে ফেলে অন্যায়ভাবে ফাঁসানো হয়েছে এবং কারও দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তাকে মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেলাল হোসেন মজুমদার বলেন, ইমরান নিয়মিত শিক্ষার্থী এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত এমন কোনো তথ্য প্রতিষ্ঠানের কাছে নেই। তাকে কী কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা বিদ্যালয়ও জানে না।
থানা–পুলিশ জানায়, ঝটিকা মিছিল ও সরকারবিরোধী স্লোগানের ঘটনায় করা মামলায় ইমরানকে ছয় নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলার বিবরণে তাকে ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ওসি এ কে ফজলুল হক স্বীকার করেন, পুলিশের কাছে ইমরানের কোনো ছবি বা ভিডিও নেই। তিনি দাবি করেন, একই ঘটনায় আগে গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ইমরানের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনাটি ইমরানের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। বাবার একটাই দাবি, ছেলের নির্দোষিতা যাচাই করে দ্রুত মুক্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে সে পড়াশোনায় ফিরতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au