রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?
সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…
মেলবোর্ন, ৬ জানুয়ারি- নিউইয়র্কে আদালতে হাজির হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ডেলসি রদ্রিগেজ। এর আগে তিনি নিকোলাস মাদুরো সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। স্থানীয় সময় সোমবার কারাকাসে জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে তার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। অধিবেশন শুরুই হয় সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মুক্তির দাবিতে।
শপথ অনুষ্ঠান চলাকালে ভেনেজুয়েলার জাতীয় পরিষদে নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের একটি প্রতিকৃতি উন্মোচন করা হয়। শপথ নেওয়ার পর ৫৬ বছর বয়সী ডেলসি রদ্রিগেজ নিউইয়র্কে মাদুরোকে আটক করে আদালতে তোলার ঘটনাকে অপহরণ বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে মর্মাহত এবং ক্ষুব্ধ।
শপথগ্রহণের সময় কারাকাসের ফেডারেল লেজিসলেটিভ প্যালেসের বাইরে কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হন। তারা নিকোলাস মাদুরো, সিলিয়া ফ্লোরেস এবং অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের প্রতি সমর্থন জানান। জাতীয় পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে রদ্রিগেজ বলেন, তিনি গভীর বেদনা নিয়ে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তার ভাষায়, অবৈধ সামরিক আগ্রাসন ভেনেজুয়েলা ও জনগণের জীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে।
ভেনেজুয়েলায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করে ডেলসি রদ্রিগেজ বলেন, তিনি দেশের শান্তি রক্ষা, অর্থনৈতিক স্থিতি এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করবেন। তবে এর আগের দিন রোববার অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে তিনি তুলনামূলকভাবে নরম অবস্থান নেন। সে সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
জাতীয় পরিষদের ওই অধিবেশনে বক্তব্য দেন মাদুরোর ছেলে ও সংসদ সদস্য নিকোলাস মাদুরো গের্রাও। তিনি তার মা-বাবার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেন, তারা দেশে ফিরে আসবেন। একই সঙ্গে তিনি অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের প্রতিও নিঃশর্ত সমর্থনের ঘোষণা দেন।
এদিকে কারাকাসে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রায় দুই ঘণ্টা আগে নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির হন নিকোলাস মাদুরো। সেখানে তিনি জোর দিয়ে বলেন, তিনি এখনো ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট। মাদক পাচার ও সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত থাকার চারটি অভিযোগে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৭ মার্চ দিন ধার্য করেন।
এই ঘটনার পর জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার কড়া সমালোচনা ওঠে। জবাবে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন দূত বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি মজুত কোনো অবৈধ নেতার হাতে ছেড়ে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au