নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪, আহত ৩২
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন…
মেলবোর্ন, ৭ জানুয়ারি: অস্ট্রেলিয়ার ওয়ান নেশন পার্টির নেতা ও সিনেটর পলিন হ্যানসন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজকে চিঠি লিখে সিনেট থেকে তাঁর এক সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন। সংসদ যদি ফেব্রুয়ারি ৬–এর আগেই পুনরায় বসে, তাহলে যেন তিনি নতুন ঘৃণাত্মক বক্তব্য ও আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত আইন নিয়ে বিতর্কে অংশ নিতে পারেন, সেই দাবি তুলেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ নিশ্চিত করেছেন, সংসদ দ্রুত পুনরায় ডাকার বিষয়টি সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। বন্ডাই সন্ত্রাসী হামলার পর প্রণীত জরুরি আইন—যার মধ্যে ঘৃণাত্মক বক্তব্য নিয়ন্ত্রণ এবং একটি জাতীয় বন্দুক পুনঃক্রয় (গান বাইব্যাক) পরিকল্পনা রয়েছে—নিয়ে ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে।
বর্তমানে পলিন হ্যানসন সাত কার্যদিবসের জন্য সিনেট থেকে বরখাস্ত থাকায়, সংসদ বসলে তিনি ওই আইনগুলোর ওপর ভোট দিতে বা বিতর্কে অংশ নিতে পারবেন না। গত নভেম্বরে সংসদের ভেতরে বোরকা পরে প্রতিবাদ করায় সিনেট তাঁকে তিরস্কার করে এবং সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে।
আলবানিজকে লেখা চিঠিতে হ্যানসন বলেন, “এই জরুরি বিলগুলো নিয়ে বিতর্কে অংশ নিতে সিনেট যে নিষেধাজ্ঞা আমার ওপর আরোপ করেছে, তা প্রত্যাহারে আপনার সমর্থন চাইছি।” তিনি দাবি করেন, ওয়ান নেশনের নেতা ও কুইন্সল্যান্ডের সিনেটর হিসেবে তাঁর বক্তব্য এই আলোচনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, বিদেশে সরকারি সংসদীয় প্রতিনিধি দল থেকে তাঁকে বাদ রাখলেও তিনি আপত্তি করবেন না। তাঁর মতে, এতে তাঁর ব্যক্তিগতভাবে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বা বিদেশ ভ্রমণে কোনো বাধা সৃষ্টি হবে না।
হ্যানসন দাবি করেন, ইসলামি উগ্রবাদ নিয়ে তিনি বহুদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন, কিন্তু সরকার বরং তাঁকেই আক্রমণ করছে। তিনি লেবার ও গ্রিনসকে অভিযুক্ত করেন তাঁর সতর্কতা উপেক্ষা করার এবং ওয়েস্টার্ন সিডনির মুসলিম অধ্যুষিত আসনগুলোতে ভোট পাওয়ার রাজনীতি করার জন্য।
নভেম্বরে তিরস্কৃত হওয়ার পর হ্যানসন তখন বলেছিলেন, সাত দিনের নিষেধাজ্ঞা তাঁকে মোটেও বিচলিত করছে না। উল্লেখ্য, এটি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দ্বিতীয়বার, যখন তিনি সিনেট চেম্বারে বোরকা পরে প্রতিবাদ করেছিলেন, যা তখন সব রাজনৈতিক দলের তীব্র নিন্দার মুখে পড়েন।
Source: news.com.au
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au