সরকার চায় ঐক্য, একটি মহল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি: প্রধানমন্ত্রী
দেশের সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য গড়ে তুলতে চায় সরকার। তবে সরকার যখন সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তখন একটি মহল দেশে বিভ্রান্তি ছড়ানোর…
মেলবোর্ন ২৩ ফেব্রুয়ারি- ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ার জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে পাকিস্তানভিত্তিক সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ-এর এক শীর্ষ জঙ্গিসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সংগঠনটির মোস্ট ওয়ান্টেড সদস্য সাইফুল্লাহ রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কিশতওয়ারের একটি পাহাড়ি এলাকায় অভিযান শুরু হয়। সেখানে মাটির তৈরি একটি ঘরের ভেতরে অবস্থান করছিল জঙ্গিরা। বাহিনী ঘিরে ফেললে তারা গুলি ছুড়তে শুরু করে। পাল্টা গুলিতে তিন জঙ্গিই নিহত হয়। শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া এ বন্দুকযুদ্ধ রোববার সকাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
প্রথমে এক জঙ্গির মৃত্যুর কথা জানানো হলেও পরে নিশ্চিত করা হয়, নিহতের সংখ্যা তিন। এর মধ্যে সাইফুল্লাহর মাথার দাম পাঁচ লাখ রুপি ঘোষণা করা ছিল। গত দুই বছর ধরে কিশতওয়ার এলাকায় সক্রিয় থাকা সাইফুল্লাহ নিরাপত্তা বাহিনীর একাধিক অভিযানের মুখে অন্তত ২০ বার পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল বলে জানা গেছে।
অভিযানে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী এবং বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। ঘটনাস্থল থেকে দুটি স্বয়ংক্রিয় রাইফেল ও বিপুল পরিমাণ রসদ উদ্ধার করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সাইফুল্লাহকে হত্যা করা এই অভিযানের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে একই এলাকায় জইশ-ই-মোহাম্মদের আরেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা আদিলও নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত হন।
গত জানুয়ারি থেকে ‘অপারেশন ত্রাশি-১’ নামে একটি সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে কিশতওয়ারের চাত্রু, সোনার, দোলগাম ও দিচ্ছারসহ দুর্গম বনাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত তল্লাশি ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে। গত এক মাসে চাত্রু বনাঞ্চলে অন্তত ছয়বার বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে বলে নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au