রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?
সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…
মেলবোর্ন, ২৫ মার্চ- সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় এক জামায়াত নেতার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। বুধবার ভোররাতে উপজেলার শ্রীরামসি ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযুক্ত পিয়ার আলী ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয়ভাবে জামায়াতে ইসলামির শ্রীরামসি আঞ্চলিক শাখার সভাপতি হিসেবে পরিচিত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের একটি বিশেষ দল ভোররাতে পিয়ার আলীর বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় তার বসতঘর তল্লাশি করে বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি বিদেশি রিভলভার, একটি একনলা বন্দুক এবং একটি দেশীয় পাইপগান। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের মোট ১৩ রাউন্ড গুলি, ১৪ বক্স ক্যালিবারের এয়ারগানের গুলি, একটি খালি পিস্তলের ম্যাগাজিন এবং দেশীয়ভাবে তৈরি কয়েকটি প্রাণঘাতী ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযান শেষে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ জগন্নাথপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ বাদী হয়ে পিয়ার আলীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেছে।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযানের সময় অভিযুক্ত পিয়ার আলী ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
পুলিশের ধারণা, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো অবৈধভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল এবং এগুলো কী উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতার বাড়ি থেকে এ ধরনের অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় উদ্বেগ ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au