ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রজ্ঞাপন জারি
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি। এ বিষয়ে মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে…
মেলবোর্ন, ২৩ মে- বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার কামুল্লা হিন্দু পাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় ও বাড়িঘরে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ঘটনাটিকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করে দোষীদের দ্রুত শনাক্ত ও শাস্তির দাবি উঠেছে।
অভিযোগ উঠেছে, বৃহস্পতিবার(২২মে) গভীর রাতে কামুল্লা হিন্দু পাড়ার কেন্দ্রীয় মন্দির এবং কয়েকটি বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায় একদল দুর্বৃত্ত। স্থানীয়দের দাবি, একটি সামান্য ভুল বোঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে আগে গ্রাম্য শালিস ও স্থানীয় মুরুব্বিদের মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে একদল উগ্র যুবক পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালায়।
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা অভিযোগ করেন, দিনের বেলায় হুমকি দেওয়ার পর রাতের আঁধারে হামলা চালানো হয়েছে। তারা একে কাপুরুষোচিত হামলা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় ছিল, এই ঘটনা তার ওপর বড় আঘাত।
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে কাজল চন্দ্র নামে এক স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, অপরাধীর কোনো ধর্ম নেই। কেউ অন্যায় করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু কোনো ঘটনার অজুহাতে পুরো একটি সম্প্রদায়ের উপাসনালয় ও বাড়িঘরে হামলা চালানো সম্পূর্ণ বেআইনি ও ন্যক্কারজনক।
তিনি নন্দীগ্রাম-কাহালুর সংসদ সদস্য আলহাজ মোশারফ হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এলাকার শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবসময় তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। এ ঘটনায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যের ভিত্তিতে হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব। তারা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে যেকোনো ধরনের উস্কানি ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় বিভিন্ন মহল ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au