রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?
সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…
মেলবোর্ন, ২২ আগষ্ট- জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম্’-এর মর্যাদা ও ঐতিহ্যের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। একই সঙ্গে বন্দে মাতরম্ নিয়ে মহাত্মা গান্ধীর বক্তব্য দেশজুড়ে প্রচার করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শনিবার নয়াদিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় পদাধিকারীদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের নেতৃত্বে জাতীয় গানের পূর্ণাঙ্গ সংস্করণের মর্যাদা রক্ষায় একটি প্রস্তাবও পাস হয়।
সম্প্রতি কংগ্রেসের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে দলীয় কর্মসূচিতে বন্দে মাতরমের প্রথম দুটি স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কংগ্রেসের যুক্তি, ১৯৩৭ সালে কলকাতায় কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু, সুভাষচন্দ্র বসু ও সর্দার বল্লভভাই পটেলসহ তৎকালীন শীর্ষ নেতারা প্রথম দুটি স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
কংগ্রেসের ওই সিদ্ধান্তের জবাব দিতেই মহাত্মা গান্ধীর বক্তব্যকে সামনে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। দলটির দাবি, গান্ধী বন্দে মাতরমকে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগানো শক্তিশালী স্লোগান হিসেবে দেখেছিলেন।
বিজেপি জানিয়েছে, বন্দে মাতরমের ইতিহাস ও ঐতিহ্য দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে বিশেষ প্রচার কর্মসূচি নেওয়া হবে। রাজনৈতিক স্বার্থ বা ‘তোষণের রাজনীতি’র কারণে জাতীয় গানের মর্যাদার সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না বলেও বৈঠকে জানানো হয়।
বন্দে মাতরমের প্রথম দুটি স্তবক গাওয়ার কংগ্রেসের সিদ্ধান্তের শুরু থেকেই বিরোধিতা করে আসছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এ সিদ্ধান্তকে ‘দেশবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভোটব্যাংকের রাজনীতির অভিযোগ তুলেছিলেন।
শনিবারের বৈঠক শেষে বিজেপির সভাপতি নিতিন নবীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, বন্দে মাতরম কোনো একটি রাজনৈতিক দলের বিষয় নয়। এটি দেশের সম্মান এবং স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করা অসংখ্য দেশপ্রেমিকের সঙ্গে জড়িত।
তিনি আরও বলেন, একসময় বন্দে মাতরমের শক্তি এতটাই প্রবল ছিল যে ব্রিটিশ শাসকেরা এটিকে দমন করতে চেয়েছিল। ভারতীয়দের কাছে এটি স্বাধীনতা, আত্মত্যাগ ও জাতীয় গর্বের প্রতীক। তাই ভোটব্যাংকের রাজনীতির মধ্যে এর ঐতিহ্যকে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়।
সূত্র-আনন্দবাজার ডট কম
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au