বাংলাদেশ

জাইমা রহমানের জাতিসংঘের চাকরি নিয়ে বিতর্ক, খলিলুর রহমানের ভূমিকা কতটা?

  • 10:56 pm - September 25, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৭১ বার
জাইমা রহমানের জাতিসংঘের চাকরি নিয়ে বিতর্ক। ছবিঃ সংগৃহীত

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে ‘লিগ্যাল অফিসার’ হিসেবে জাইমা রহমানের নিয়োগের পর তাঁর পেশাগত অভিজ্ঞতা, নিয়োগের প্রক্রিয়া এবং এতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসা তথ্য থেকে খলিলুর রহমান ব্যক্তিগতভাবে জাইমা রহমানের নিয়োগ নিশ্চিত করেছেন বা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁকে পদটি পাইয়ে দিয়েছেন, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জাতিসংঘের কার্যালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জাইমা বর্তমানে ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ের নির্বাহী দপ্তরে ‘লিগ্যাল অফিসার’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে তাঁর পদ ও দেশ হিসেবে ‘Legal Officer – Bangladesh’ উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষয়টি সামনে আসার পর আলোচনার একটি বড় অংশ জাইমার যুক্তরাজ্যের পেশাগত অভিজ্ঞতা ঘিরে। অনলাইনে পাওয়া তাঁর পেশাগত প্রোফাইল ও বিভিন্ন প্রকাশিত রেকর্ডে দেখা যায়, যুক্তরাজ্যে আইনসংক্রান্ত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে তিনি তুলনামূলক স্বল্পমেয়াদি দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, স্ট্র্যান্ড চেম্বার্সে তিনি ২০২০ সালের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় পাঁচ মাস লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেন। নাক্লিয়াস লিগ্যাল অ্যাডভাইস সেন্টারে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১ সালের জুলাই পর্যন্ত অ্যাকসেস কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জেফরিস সলিসিটরসে ২০২১ সালের মে থেকে ২০২২ সালের মে পর্যন্ত কোর্ট অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করেন। একই সময়ে, ২০২১ সালের জুন থেকে ২০২২ সালের মে পর্যন্ত এলএমএস লিগ্যাল ও অ্যাশলি টেইলরস লিগ্যালেও অ্যাডভোকেট বা কোর্ট অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করার তথ্য পাওয়া যায়। এসব তথ্যের একটি অনলাইন সংকলনেও একই সময়সীমা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব পদকে পুরোপুরি ‘স্বল্পমেয়াদি চাকরি’ হিসেবে দেখার ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন। জাইমার পেশাগত প্রোফাইলে একই সময়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানে অ্যাডভোকেসি কাজের তথ্য রয়েছে। আইন পেশায় বিশেষ করে ফ্রিল্যান্স বা কোর্ট অ্যাডভোকেসির ক্ষেত্রে একজন ব্যারিস্টার একই সময়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানের হয়ে আদালতে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। ফলে একাধিক প্রতিষ্ঠানে ২০২১-২২ সালে সমান্তরাল দায়িত্ব পালন করাকে সরাসরি ধারাবাহিক পূর্ণকালীন চাকরি হিসেবে গণ্য করা যায় না। তাঁর লিংকডইন প্রোফাইলেও অ্যাডভোকেসি ও আদালতে কাজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ রয়েছে।

জাইমা রহমান আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটিতে। পরে যুক্তরাজ্যে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন। ২০২৬ সালের জুনে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হয়েছেন বলে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। জাতিসংঘের প্রকাশিত জীবনীতে তাঁকে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যারিস্টার এবং আইন ও নীতিবিষয়ক পেশাজীবী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

জাইমার নতুন দায়িত্বটি এসেছে এমন একটি কার্যালয়ে, যার প্রধান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ২০২৬ সালের ২ জুন খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ৮ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, তিনি এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং দীর্ঘদিন জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক কূটনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের ৪০ জন কর্মকর্তা কাজ করছেন বলে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। তাঁদের মধ্যে একাধিক বাংলাদেশি কর্মকর্তা রয়েছেন। জাইমা ছাড়াও আবদুল আলীম ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট, মোয়াজ্জেম হোসেন অ্যাডভাইজার ও অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট, মফিজুল ইসলাম তথ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলগত পূর্বাভাসবিষয়ক সিনিয়র অ্যাডভাইজার, জাকির আহমেদ টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সিনিয়র অ্যাডভাইজার এবং মো. রফিকুল আলম মোল্লা স্বল্পোন্নত দেশবিষয়ক সিনিয়র অ্যাডভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এখানেই নিয়োগ নিয়ে প্রশ্নের সূত্রপাত হয়েছে। সমালোচকদের একটি অংশের প্রশ্ন, জাইমার পেশাগত জীবনের প্রকাশ্য রেকর্ডে দীর্ঘমেয়াদি কোনো প্রতিষ্ঠানে একটানা কাজের নজির তুলনামূলক কম থাকলেও তিনি কী প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তা হলেন।

আরও একটি প্রশ্ন হলো, এ পদটি কি নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হয়েছে, নাকি সভাপতির কার্যালয়ের নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় সরাসরি নিয়োগ, মনোনয়ন, দ্বিতীয়করণ বা অন্য কোনো ব্যবস্থায় তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রকাশ্য তথ্য থেকে এ নিয়োগের নির্দিষ্ট গ্রেড, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, চাকরির মেয়াদ, বেতন কাঠামো কিংবা নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত এখনো স্পষ্ট নয়।

তবে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো প্রমাণও এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি। বরং প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, জাইমার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের বিদ্যমান নিয়ম ও নিয়োগপ্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের সভাপতির কার্যালয়ের কাঠামোও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ পরিষদের সভাপতি জাতিসংঘ সচিবালয়ের নিয়মিত কর্মচারী নন। তাঁর কার্যালয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে কর্মকর্তা ও উপদেষ্টা যুক্ত হতে পারেন। ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ের প্রকাশিত তালিকায় কর্মকর্তাদের বিভিন্ন জাতীয়তা ও দায়িত্বের উল্লেখ রয়েছে। জাইমাকে সেখানে সরাসরি ‘Legal Officer’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

এ কারণে জাইমার নিয়োগকে সাধারণ জাতিসংঘ সচিবালয়ের কোনো নিয়মিত ‘লিগ্যাল অফিসার’ নিয়োগের সঙ্গে সরাসরি তুলনা করাও সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে। সাধারণ জাতিসংঘের চাকরিতে নির্দিষ্ট জব ওপেনিং, গ্রেড, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, দায়িত্ব ও বাছাইপ্রক্রিয়া থাকে। কিন্তু সাধারণ পরিষদের সভাপতির নিজস্ব কার্যালয়ের স্টাফিং কাঠামো একই ধরনের কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ নথি ছাড়া নিশ্চিত সিদ্ধান্তে যাওয়া কঠিন।

নিয়োগ নিয়ে আলোচনায় জাইমার পারিবারিক পরিচয়ও সামনে এসেছে। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জোবাইদা রহমানের একমাত্র মেয়ে এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নাতনি। তাঁর পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে তাঁর নিয়োগ স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি জনস্বার্থের বিষয় হয়ে উঠেছে।

প্রতিবেদনের মূল দাবির একটি হলো, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন জাইমার নিয়োগে ভূমিকা রেখেছে কি না। বিশেষ করে খলিলুর রহমান একই সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হওয়ায় এ প্রশ্নটি সামনে এসেছে। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো সরকারি নথি, নিয়োগপত্র, ই-মেইল বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ বক্তব্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।

খলিলুর রহমান নিজেই ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর কার্যালয়ে ভৌগোলিক, লিঙ্গ ও ভাষাগত ভারসাম্য বজায় রাখার কথা বলেছিলেন। তাঁর নির্বাচনের পর দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেছিলেন, তিনি এমন একটি কার্যালয় গঠন করতে চান যেখানে এসব ভারসাম্য প্রতিফলিত হবে।

ফলে জাইমার নিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখন তাঁর যোগ্যতা আছে কি না, তার চেয়ে বেশি হলো নিয়োগের ধরন কী ছিল। তিনি কি প্রতিযোগিতামূলক কোনো নিয়োগপ্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, কোনো সদস্যরাষ্ট্র তাঁকে মনোনয়ন দিয়েছে কি না, বাংলাদেশ সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান তাঁকে মনোনীত করেছে কি না, নাকি সভাপতির কার্যালয় নিজস্ব ক্ষমতায় তাঁকে নিয়োগ দিয়েছে, এসব তথ্য প্রকাশ করা হলে বিতর্কের অনেকটাই পরিষ্কার হতে পারে।

আরেকটি প্রশ্ন হলো, তাঁর পদটি কত গ্রেডের এবং এর অর্থায়ন কোথা থেকে হচ্ছে। সাধারণ জাতিসংঘের পেশাদার পদগুলোর বেতন ও সুবিধা নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় পড়ে। কিন্তু সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের নির্দিষ্ট পদগুলোর অর্থায়ন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা পদভেদে ভিন্ন হতে পারে। জাইমার বর্তমান পদের বেতন, চুক্তির মেয়াদ ও অর্থায়নের উৎস প্রকাশ্যে স্পষ্ট নয়।

এদিকে জাতিসংঘের সভাপতির কার্যালয় জাইমাকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি গোপন রাখেনি। বরং অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তাঁর নাম, পদ ও জাতীয়তা প্রকাশ করা হয়েছে এবং তাঁকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে ‘লিগ্যাল অফিসার’ হিসেবে দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ নিয়োগের অস্তিত্ব নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই; প্রশ্নটি মূলত নিয়োগের পদ্ধতি ও প্রশাসনিক ভিত্তি নিয়ে।

সুতরাং প্রকাশ্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মুহূর্তে তিনটি বিষয় আলাদা করে দেখা জরুরি। প্রথমত, জাইমা রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা জাতিসংঘের নিজস্ব ওয়েবসাইটে নিশ্চিত করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, তাঁর আইন বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, ব্যারিস্টার হিসেবে যোগ্যতা এবং যুক্তরাজ্যে আদালত ও আইনসংক্রান্ত কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তৃতীয়ত, তাঁকে ঠিক কোন প্রক্রিয়ায় এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং খলিলুর রহমান বা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল কি না, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিয়োগ নথি এখনো প্রকাশ্যে নেই।

তাই ‘খলিলুর রহমান জাইমার চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন’ এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে নিয়োগপত্র, পদটির শর্তাবলি, নিয়োগের কর্তৃপক্ষ, বাছাই বা মনোনয়ন প্রক্রিয়া, অর্থায়নের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক নথি প্রকাশ হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এসব তথ্য পাওয়া গেলে নিয়োগটি নিয়মিত, মনোনয়নভিত্তিক, দ্বিতীয়করণভিত্তিক নাকি অন্য কোনো ব্যবস্থায় হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে।

সূত্রঃ নর্থইস্ট নিউজ

এই শাখার আরও খবর

পাটওয়ারীর বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন, জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত,বলল পুলিশ

ঢাকার বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।…

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হার এড়ালেও র‌্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে ব্রাজিল

বিশ্বকাপের পর প্রথমবার মাঠে নেমেই হোঁচট খেল ব্রাজিল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। ম্যাচটি জিততে না পারায় ফিফা…

মেয়ের ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

রাজবাড়ীর কালুখালীতে মেয়ের দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে নজরুল ইসলাম খান (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গোলাপী…

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, ‘সাধারণ অভিযুক্তের মতো’ বিচারের দাবি

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা (পিআইএল) দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের অন্য দুই কমিশনারকে না জানিয়ে তিনি এককভাবে বিভিন্ন…

শি জিনপিংকে ঈগলের মূর্তি দিলেন ট্রাম্প, এর পেছনে কী বার্তা?

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে একটি বাল্ড ঈগলের ভাস্কর্য উপহার দিয়েছেন। ওয়াশিংটনে বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে ভিআইপি অতিথিদের সামনে ভাস্কর্যটি…

অর্থের অভাবে থমকে গেছে শ্রাবণীর ক্যান্সারের চিকিৎসা

মিরসরাইয়ের শ্রাবণী ভৌমিক দেড় বছর ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন। অসহনীয় শারীরিক যন্ত্রণা, একের পর এক কেমোথেরাপি আর দীর্ঘ চিকিৎসার ধকল সামলেও বেঁচে থাকার স্বপ্ন…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au