২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, নিউ ইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে দক্ষিণ এশিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিবিষয়ক ব্রিফিং। ছবি: সংগৃহীত।
OTN Bangla Desk: বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে দুই দেশ আলোচনা করে একটি সমঝোতায় পৌঁছাবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি।
নিউইয়র্কের Foreign Press Centre-এ “US Policy in Support of a Stable, Prosperous and Sovereign South Asia” শীর্ষক এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা এ কথা বলেন। ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাংবাদিকরা অংশ নেন।
শেখ হাসিনাকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে একটি বড় ধরনের বিরোধ বা উত্তেজনার উৎস হয়ে উঠেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন আশা করে দুই প্রতিবেশী দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছাবে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত কী হওয়া উচিত—সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান ঘোষণা করেনি।
শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতা হারানোর পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন। তাঁর প্রত্যর্পণ নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আলোচনা ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলমান রয়েছে। ভারত এর আগে জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ অনুরোধটি তারা আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়ার আলোকে বিবেচনা করছে।
ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্ভাব্য বৈঠক নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর থাকা বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়।
জবাবে মার্কিন কর্মকর্তা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কাজ অব্যাহত রাখতে চায় এবং বাংলাদেশকে আরও স্থিতিশীল, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ করতে সহযোগিতায় আগ্রহী। আওয়ামী লীগের ওপর থাকা বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের বিষয়ে তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সরকারকেই নিতে হবে।
Source: The Business Standard