ভারি বৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড উত্তর প্রদেশ, নিহত ৫৬
ভারতের উত্তর প্রদেশে টানা ৬০ ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় রাজ্যটিতে অন্তত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৪৬ জন।…
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের পর ইমুতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এক কিশোরী ও এক যুবকের। পরে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে দেখা করতে গিয়ে ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরীকে জোর করে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রাজু গাজী (২১) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন। অভিযুক্ত রাজু সখিপুর থানার চারভাগা শনিকান্দি গ্রামের সুলতান গাজীর ছেলে।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নড়িয়া উপজেলার পূর্ব দিনারা গ্রামের ওই কিশোরীর সঙ্গে প্রায় তিন মাস আগে টিকটকের মাধ্যমে রাজুর পরিচয় হয়। পরে ইমুতে নিয়মিত যোগাযোগের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজুর সঙ্গে দেখা করতে নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক গোলারমাঠ এলাকায় যায় কিশোরী। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, সেখানে রাজু জোর করে তাকে মোটরসাইকেলে তুলে সখিপুরে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে একদিন আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করা হয়।
পরদিন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ঢাকায় নিয়ে যান রাজু। সেখানে একটি আবাসিক হোটেলে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়। পরে কিশোরী বিয়ের জন্য কাবিননামা করার কথা বললে তাকে এলাকায় ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর বাড়ির পাশের একটি সড়কে তাকে রেখে রাজু চলে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর বিষয়টি জানাজানি হলে কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় মাতব্বর ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিষয়টি নিয়ে বিচার চান। সেখানে সমাধান না হওয়ায় অভিযুক্তের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তারা। পরিবারের দাবি, রাজু বিয়েতে রাজি হননি।
এ ছাড়া মামলা করলে বা বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে কিশোরীকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের ভাষ্য, আইনি সহায়তার জন্য সখিপুর থানায় গেলে তাদের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে কিশোরীর মা আদালতে মামলা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে রাজু গাজীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হোসেন বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au