বাংলাদেশ

বিশ্বজুড়ে স্কুলে মোবাইল নিয়ন্ত্রণ, বাংলাদেশে কী করবে?

  • 2:14 pm - September 29, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৩৪ বার
শ্রেণিকক্ষ: এআই জেনারেটেড ছবি।ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কুলে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ বা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ বাড়ছে। শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ কমে যাওয়া, সাইবার বুলিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব এবং অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে শিশুদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশ নিয়ে উদ্বেগ থেকেই এমন নীতি নেওয়া হচ্ছে। ইউনেস্কোর বৈশ্বিক শিক্ষা পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ১১৪টি দেশে স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে জাতীয় পর্যায়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, যা বিশ্বের মোট দেশের প্রায় ৫৮ শতাংশ।

তবে কয়েক বছর আগেও পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। ২০২৩ সালের জুনে বিশ্বের মাত্র ২৪ শতাংশ দেশে স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে জাতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা ছিল। ২০২৫ সালের শুরুতে এ হার বেড়ে ৪০ শতাংশে দাঁড়ায়। চলতি বছরের মার্চে তা আরও বেড়ে ৫৮ শতাংশে পৌঁছেছে। অর্থাৎ স্কুল পর্যায়ে মোবাইল ফোন নিয়ন্ত্রণ এখন বিশ্বজুড়ে শিক্ষা নীতির গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে উঠেছে।

তবে অন্য দেশের নীতি সরাসরি বাংলাদেশে কার্যকর করা কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ বিভিন্ন দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ, শিক্ষা ব্যবস্থা, পারিবারিক কাঠামো এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ এক নয়। শিক্ষাবিদ ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে মোবাইল ব্যবহারের বিষয়ে নীতিমালা তৈরি করা প্রয়োজন।

বিশ্বজুড়ে বাড়ছে মোবাইল নিয়ন্ত্রণ

ইউনেস্কোর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত বলিভিয়া, কোস্টারিকা, ক্রোয়েশিয়া, জর্জিয়া, মালদ্বীপ ও মাল্টাসহ কয়েকটি দেশ স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে জাতীয় পর্যায়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

তবে সব দেশে নিষেধাজ্ঞার ধরন এক নয়। কোথাও স্কুল চলাকালীন পুরো সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ, আবার কোথাও শুধু শ্রেণিকক্ষে ফোন ব্যবহার বন্ধ রাখা হয়েছে। কিছু দেশে শিক্ষার প্রয়োজনে কিংবা প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ শিক্ষার্থীদের বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে মোবাইল ব্যবহারের সুযোগও রাখা হয়েছে।

ফ্রান্সে প্রাথমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় পর্যায়ে একক কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও ৩৯টি অঙ্গরাজ্যে স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি অঙ্গরাজ্যে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং ২৪টি অঙ্গরাজ্যে স্কুল ডিস্ট্রিক্টগুলোকে মোবাইল ব্যবহারের বিষয়ে নিজস্ব নীতিমালা তৈরির বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে।

ইংল্যান্ডেও স্কুলের দিনে মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধ রাখার বিষয়ে বিদ্যালয়গুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে কীভাবে সেই নীতি বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে স্কুলগুলোরও ভূমিকা রয়েছে।

বাংলাদেশের বাস্তবতা ভিন্ন

শিক্ষাবিদ, নাট্যকার ও নির্দেশক অধ্যাপক মলয় ভৌমিক মনে করেন, আধুনিক প্রযুক্তিকে অস্বীকার করে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। প্রযুক্তিকে মানুষের নিয়ন্ত্রণে রেখে ইতিবাচক কাজে ব্যবহার করতে হবে। তার মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রেও একই নীতি প্রযোজ্য।

তিনি স্কুল পর্যায়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধ রাখার পক্ষে মত দিয়ে বলেন, অন্তত মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের হাতে স্মার্টফোন না দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে স্কুলে ফোন নিষিদ্ধ করলেও জরুরি প্রয়োজনে পরিবারের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্কুল কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে।

মলয় ভৌমিকের মতে, শুধু স্কুলে মোবাইল ফোন বন্ধ করলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। পরিবারেও সচেতনতা তৈরি করতে হবে। অনেক সময় বাবা-মা সন্তানকে ব্যস্ত রাখার জন্য তার হাতে স্মার্টফোন তুলে দেন বা মোবাইল গেম খেলতে দেন। তাই অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিশুদের হাতে স্মার্টফোন না দেওয়া এবং অনিয়ন্ত্রিত মোবাইল গেম ও ডিজিটাল কনটেন্ট থেকে তাদের দূরে রাখার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।

তার মতে, শিশুদের শুধু পরীক্ষা ও ফলাফলকেন্দ্রিক শিক্ষার মধ্যে রাখা উচিত নয়। গল্প, কবিতা ও অন্যান্য বই পড়া, ছবি আঁকা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, খেলাধুলা এবং প্রকৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ বাড়াতে হবে। এসব বিকল্প সুযোগ না থাকায় অনেক শিশু ধীরে ধীরে মোবাইলনির্ভর হয়ে পড়ছে।

মলয় ভৌমিক আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের অনেকে এখন মূল পাঠ্যবই বা গল্প-কবিতা না পড়ে মোবাইলে তার সারাংশ খুঁজে নেয়। গুগল বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে কোনো গল্প, কবিতা কিংবা চরিত্রের বৈশিষ্ট্য ও মূল বক্তব্য সহজেই পাওয়া যায়। ফলে মূল লেখা না পড়েই খণ্ডিত জ্ঞান নিয়ে বেড়ে ওঠার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

তিনি মনে করেন, শুধু লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন না করে তাদের কর্মকাণ্ড, সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকেও মূল্যায়নের অংশ করা উচিত। শিক্ষার্থীরা মোবাইল বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে সরাসরি উত্তর নিয়ে আসছে কি না, সেটিও শিক্ষকদের খেয়াল রাখতে হবে। এজন্য শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

শিশুদের বিকল্প সুযোগ তৈরির তাগিদ

শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধূরী মনে করেন, মোবাইল ফোন পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব না হলেও এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তার মতে, ঝুঁকিপূর্ণ কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বয়সভিত্তিক বিধিনিষেধ বিবেচনা করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, শুধু স্কুলে মোবাইল ফোন বন্ধ করলে হবে না, বাসাতেও এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এজন্য অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করা জরুরি। সন্তান কোন ধরনের কনটেন্ট দেখছে, কতক্ষণ মোবাইল ব্যবহার করছে এবং কী উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে, সে বিষয়ে পরিবারকে সচেতন হতে হবে।

রাশেদা কে চৌধূরী বলেন, দেশে অনেক সময় কোনো সমস্যা বড় আকার ধারণ করার পর উদ্যোগ নেওয়া হয়। তাই মোবাইল ফোনের ক্ষতিকর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আগেভাগেই ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তবে শিশুদের শুধু দায়ী করলে হবে না, তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য বিকল্প সুযোগও তৈরি করতে হবে।

তার মতে, করোনাভাইরাস মহামারির সময় থেকে শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের অভ্যাস অনেক বেড়েছে। একই সময়ে খেলাধুলার মাঠ, সাঁতার বা বাইরে দৌড়ানোর মতো সুযোগ কমে যাওয়ায় অনেক শিশু ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে। ফলে গল্প বলা, ছবি আঁকা, খেলাধুলা ও অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ বাড়ানো জরুরি।

শুধু নিষেধাজ্ঞা নয়, সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ আরিফ মঈনুদ্দীন মনে করেন, বাংলাদেশে শ্রেণিকক্ষে স্মার্টফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করা অথবা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যৌক্তিক। করোনাভাইরাস মহামারি ও পরবর্তী সময়ে স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গেমিংয়ের আসক্তিও বেড়েছে বলে তিনি মনে করেন।

তার মতে, শিক্ষার্থীদের মোবাইল গেমের অতিরিক্ত ব্যবহার থেকে বের করে আনতে পরিবার, বিদ্যালয় এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। নির্দিষ্ট স্ক্রিন টাইম, বিনোদন ও খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানো এবং সন্তানদের সামনে বাবা-মায়ের নিজেদের মোবাইল ব্যবহারে সচেতন হওয়া জরুরি।

একই সঙ্গে স্কুলে বিতর্ক, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান ক্লাব, তথ্যপ্রযুক্তি মেলা ও বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মকাণ্ড নিয়মিত আয়োজন করা যেতে পারে। এতে শিক্ষার্থীরা মোবাইলের বাইরে নিজেদের মেধা ও আগ্রহ বিকাশের সুযোগ পাবে।

নিষেধাজ্ঞার বদলে ব্যবহারবিধির পরামর্শ

শিক্ষা গবেষক কে এম এনামুল হক বলেন, বিশ্বজুড়ে স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ এখন গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা-নীতি বিষয়। তবে বিষয়টিকে শুধু ‘মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ’ হিসেবে দেখলে পুরো বাস্তবতা বোঝা যাবে না।

তার মতে, মোবাইল ফোনের পাশাপাশি ল্যাপটপ, আইপ্যাডসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসও বর্তমানে শিক্ষার অংশ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে করোনাভাইরাস মহামারির সময় প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার বিস্তারের ফলে শিক্ষা ব্যবস্থায় ডিজিটাল প্রযুক্তির গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে।

কে এম এনামুল হকের মতে, বাংলাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার পরিবর্তে স্থানীয় বাস্তবতা, প্রতিষ্ঠানের ধরন, শিক্ষার্থীদের বয়স এবং প্রয়োজন বিবেচনায় ব্যবহারবিধি তৈরি করা বেশি কার্যকর হতে পারে। কোথায়, কখন এবং কী উদ্দেশ্যে মোবাইল বা অন্য ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য, সাইবার নিরাপত্তা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাবও বিবেচনায় রাখতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শুধু নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার, বয়স ও প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা তৈরির দিকে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও তাই প্রযুক্তিকে পুরোপুরি দূরে সরিয়ে না রেখে নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও শিক্ষাবান্ধব ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা হবে কি না, তার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কীভাবে ক্ষতিকর ডিজিটাল কনটেন্ট থেকে সুরক্ষা দেওয়া যায় এবং একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতা শেখানো যায়, সেটিও শিক্ষা নীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়া দরকার।

এই শাখার আরও খবর

কাতারের এলএনজি সরবরাহ বন্ধ, চাপে বাংলাদেশসহ চার দেশ

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে। এর মধ্যে কাতার…

রামু হামলার ১৪ বছর, বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের

কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ বিহার ও বসতিতে ভয়াবহ হামলার ১৪ বছর পূর্ণ হলেও এখনো শেষ হয়নি বিচারপ্রক্রিয়া। দীর্ঘ সময়েও মামলাগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা…

শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামকে হারিয়ে শীর্ষে ফ্রান্স

বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচজুড়ে দাপট দেখিয়েও গোলের দেখা পাচ্ছিল না ফ্রান্স। একের পর এক আক্রমণ, কয়েকটি সহজ সুযোগ এবং ক্রসবারে বল লাগার পরও কাঙ্ক্ষিত গোলটি আসছিল…

মধ্যরাতেও বিক্ষোভে উত্তপ্ত চুয়েট

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ, ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার…

বাংলাদেশি পাটপণ্যে নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা ভারতের

বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পাটপণ্যের ওপর নতুন করে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছে ভারত। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের ২৪ সেপ্টেম্বরের এক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত ৩৬টি বাংলাদেশি পাটপণ্য…

জামায়াতের উত্থান দেশকে ধর্মযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে: নুরুল হক নূর

জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক উত্থান বাংলাদেশকে ধর্মযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে এবং দেশের অস্তিত্বকে সংকটের মুখে ফেলতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au