রোনালদোকে ছাড়াই ডেনমার্ককে ৪-২ গোলে হারাল পর্তুগাল
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ছাড়াই দারুণ জয় পেয়েছে পর্তুগাল। উয়েফা নেশন্স লিগের রোমাঞ্চকর ম্যাচে কোপেনহেগেনের পারকেন স্টেডিয়ামে স্বাগতিক ডেনমার্ককে ৪-২ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। এই জয়ের ফলে প্রতিযোগিতায়…
পাবনার সুজানগরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করে তা ফেসবুকে প্রচারের অভিযোগে রবিন বিশ্বাস নামে এক স্কুলছাত্রকে আটক করেছে পুলিশ। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়ভাবে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
রবিন বিশ্বাস রানীনগর ইউনিয়নের বাদাই গ্রামের মো. গাজী বিশ্বাসের ছেলে। সে আমিনপুর থানার বিলগাজনা স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তার বয়স ১৬ ও ১৭ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি রবিন শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করে তা ফেসবুকে প্রচার করে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হওয়ার পর বৃহস্পতিবার স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী বিদ্যালয়ে গিয়ে রবিনকে বের করে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের বাধা দিয়ে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেন।
এর কিছুক্ষণ পর আমিনপুর থানা পুলিশ বিদ্যালয়ে যায়। পরে ক্লাস শেষ হওয়ার পর রবিনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, রবিন নিজেই শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করে তা ফেসবুকে প্রচার করেছে। পুলিশের কাছে এ বিষয়ে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পরে থানায় থাকা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
অন্যদিকে, স্কুল থেকে একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীকে আটক করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে তাকে আটকের বিষয়টি নিয়েও বিভিন্ন মহলে কথা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে রবিনের পরিবারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে রবিনের ফেসবুক পোস্টের বিষয়টি পুলিশের বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তার নিজের বক্তব্য বা পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার ব্যাখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টির বিস্তারিত আরও স্পষ্ট হতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au