অস্ট্রেলিয়ায় মূল্যস্ফীতি ও সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনা না হলে সাধারণ মানুষকে উচ্চ সুদের হার ও বেকারত্বের চাপ সামলাতে হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ওয়ান নেশন দলের নেতা পলিন হ্যানসন।
নিউজ২৪-এর উপস্থাপক জেমস ম্যাকফারসনের সঙ্গে আলাপকালে পলিন হ্যানসন বলেন, সরকার যদি মূল্যস্ফীতির হার কমাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সুদের হার বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে। তার মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার প্রভাব সরাসরি মানুষের জীবনযাত্রা ও আর্থিক অবস্থার ওপর পড়তে পারে।
হ্যানসন বলেন, “তারা যদি মূল্যস্ফীতির হার কমাতে না পারে, তাহলে সুদের হার বাড়াতেই হবে।”
সরকারি ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার বক্তব্য, সরকার যদি ব্যয় কমাতে বা ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারে, তাহলে অর্থনীতিতে ভারসাম্য আনতে অন্য ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে, যার মধ্যে উচ্চ বেকারত্বও থাকতে পারে।
হ্যানসন বলেন, “অথবা যদি তারা তাদের ব্যয় কমাতে না পারে, ব্যয় বন্ধ না করে, তাহলে সেটির ভারসাম্য আনতে হবে এবং দেশে উচ্চ বেকারত্ব দেখা দেবে।”
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার কোম্পানিগুলোর ব্যয় কমানো এবং অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের কথাও উল্লেখ করেন ওয়ান নেশন নেতা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে এসব ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন হতে পারে।
তিনি বলেন, “মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অস্ট্রেলিয়ায় হয় কোম্পানিগুলোর ব্যয় কমাতে হবে, নয়তো উচ্চহারে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।”
হ্যানসনের এই বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল সরকারি ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, সুদের হার ও বেকারত্বের পারস্পরিক সম্পর্ক। তিনি সতর্ক করেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে এর প্রভাব অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ মানুষের ওপর আরও বড় আর্থিক চাপ হিসেবে দেখা দিতে পারে।