হেফাজতের রায়, মেয়েকে গুলি করে মায়ের আত্মহত্যা
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে মেয়ের হেফাজত নিয়ে আইনি লড়াইয়ে হারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চার বছর বয়সী মেয়েকে গুলি করে হত্যা করেছেন এক মা। পরে নিজের জীবনও শেষ…
ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটে মাঝ আকাশে বিমানের ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের ওপর ছুরি ও কুড়াল নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ওমানি সহকারী পাইলট হামাম আল হামামির বিরুদ্ধে। হামলার পর বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজটি আকস্মিকভাবে ভয়াবহ গতিতে নিচের দিকে নামতে শুরু করে। এতে কয়েক মুহূর্তের জন্য বিমানের ১৭০-এর বেশি যাত্রীর জীবন চরম ঝুঁকিতে পড়ে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উড্ডয়নের পর হামাম আল হামামি আচমকা ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের ওপর হামলা করেন। হামলার একপর্যায়ে তিনি বিমানের নিয়ন্ত্রণে থাকা উড়োজাহাজটিকে তীব্রভাবে নিচের দিকে নামিয়ে দেন। প্রায় এক মিনিটের মধ্যে বিমানটি ১৬ হাজার ফুটেরও বেশি নিচে নেমে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি বিমানটিকে বিধ্বস্ত করার চেষ্টার অংশ ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলার ঘটনায় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার গুরুতর আহত হন। তবে আহত অবস্থাতেও তিনি ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এরপর যাত্রী ও ক্রুদের কয়েকজন দ্রুত ককপিটে প্রবেশ করে হামাম আল হামামিকে নিয়ন্ত্রণে নেন। পরে বিমানের নিয়ন্ত্রণ আবারও সামলে নেওয়া সম্ভব হয় এবং ভয়াবহ দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামাম আল হামামি এর আগে ওমান এয়ারে কাজ করতেন। সেখানে দায়িত্ব পালনকালে ওমান সরকারের নজরদারিতে তার ইন্টারনেট ব্যবহারের বিষয়টি আসে। তিনি নিয়মিত কিছু উগ্রপন্থী ওয়েবসাইটে যাতায়াত করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর তাকে পাইলটের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দপ্তরের একটি কাজে স্থানান্তর করা হয়।
পরবর্তী সময়ে ‘উগ্রপন্থী মতাদর্শের’ সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে হামাম আল হামামিকে ওমান এয়ার থেকে চাকরিচ্যুত করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওমান এয়ার ছাড়েন।
এরপর ২০২৫ সালের জুনে তিনি রয়্যাল এয়ার মরক্কোতে যোগ দেন। সেখানে প্রায় সাত মাস কাজ করার পর ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটি ছাড়েন। পরে তিনি দুবাইয়ে চলে যান এবং সেখানে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ে হামাম আল হামামির চাকরির মেয়াদ ছিল মাত্র আট মাস। এর মধ্যেই ফ্লাইটে ক্যাপ্টেনের ওপর হামলা এবং বিমানটি ভয়াবহভাবে নিচে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
হামলার পর যাত্রী ও ক্রুদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার ককপিটের দরজা খুলতে পারায় অন্যরা ভেতরে প্রবেশের সুযোগ পান। এরপর হামাম আল হামামিকে পরাস্ত করে বিমানের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করা হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au