শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে আসলে কি বোঝাতে চাচ্ছেন ভারতীয় হাইকমিশনার
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে যাওয়া এবং তাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে নতুন করে…
আবারও বাড়ল তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। অক্টোবর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। রোববার (৪ অক্টোবর) নতুন এ দাম ঘোষণা করা হয়। এর আগে ১২ কেজির সিলিন্ডারের সরকারি মূল্য ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা।
তবে সরকারি দামের সঙ্গে বাস্তব বাজারদরের বড় ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভোক্তাদের অভিযোগ, নির্ধারিত দামে অনেক জায়গাতেই এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না। খুচরা বাজারে ১২ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত। ফলে বিইআরসির নির্ধারিত দামের চেয়ে ভোক্তাকে বাড়তি গুনতে হচ্ছে প্রায় ৮৬৩ থেকে ৯৬৩ টাকা। অর্থাৎ কাগজে-কলমে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা হলেও বাস্তবে একজন ভোক্তাকে দিতে হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৮০০ টাকা। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে বিইআরসির নির্ধারিত দাম কার্যকর হচ্ছে কোথায়?
এলপিজির দাম নির্ধারণে আন্তর্জাতিক বাজারের দর, ডলারের বিনিময় হারসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে বিইআরসি প্রতি মাসে নতুন দর ঘোষণা করে। এরই ধারাবাহিকতায় সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তার আগে দাম ছিল ১ হাজার ৫৯৮ টাকা।
কিন্তু সরকারি দামে কমবেশি হলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব সবসময় একইভাবে দেখা যায় না। বরং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ফলে প্রতি মাসে নতুন দর ঘোষণার পরও ভোক্তার জন্য এলপিজির প্রকৃত দাম কত—সেটিই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরকারি দর ও খুচরা বাজারের দরের মধ্যে প্রায় ১ হাজার টাকার ব্যবধান থাকলে শুধু দাম নির্ধারণ করেই বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সরবরাহকারী, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতার পর্যায়ে কোথায় অতিরিক্ত দাম যুক্ত হচ্ছে, সেটি নজরদারির আওতায় আনা জরুরি।
ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ পরিবহন ব্যয়, সরবরাহব্যবস্থা ও বাজার পরিস্থিতিকে বাড়তি দামের কারণ হিসেবে দেখাতে পারেন। কিন্তু এসব কারণে সরকারি নির্ধারিত দামের তুলনায় এত বড় ব্যবধান কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।
এদিকে নতুন করে ২৫২ টাকা দাম বাড়ানোর ফলে নির্ধারিত মূল্যই যখন ১ হাজার ৮৩৭ টাকা, তখন বাজারে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায় সিলিন্ডার বিক্রি হলে ভোক্তার ওপর দ্বিগুণ চাপ তৈরি হবে। বিশেষ করে পাইপলাইনের গ্যাস-সুবিধার বাইরে থাকা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর মাসিক ব্যয় আরও বাড়বে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au