জাতীয় দলের বিতর্ক পেছনে ফেলে ৯৮০তম গোল রোনালদোর
জাতীয় দলের কোচের সঙ্গে বিরোধ এবং ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার বিতর্ক পেছনে ফেলে আবারও গোলের আলো ছড়ালেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সৌদি প্রো লিগে আল-দিরিয়াহর বিপক্ষে…
তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক শোকবার্তায় তিনি রোটনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
জানা গেছে, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন দুই বছরের বেশি সময় ধরে চিকিৎসার জন্য ভারতের কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। গত ৪ অক্টোবর রাতে তাঁকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে থাকা অবস্থায় শনিবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।
রোটনের মৃত্যুর খবর জানিয়ে ফেসবুকে এনামুল হক শামীম লেখেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন তাঁদের অত্যন্ত প্রিয় একজন মানুষ ছিলেন। তিনি রোটনকে নিজের ছোট ভাই, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং সুখে-দুঃখে পাশে থাকা ঘনিষ্ঠ সঙ্গী হিসেবে উল্লেখ করেন।
শামীম আরও বলেন, ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহের একজন মানুষ এবং রাজপথের দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধাকে হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। এত দ্রুত রোটন তাঁদের ছেড়ে চলে যাবেন, তা ভাবতেও কষ্ট হচ্ছে।
শোকবার্তায় তিনি রোটনের রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করেন। তাঁর ভাষায়, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি রোটন সবসময় অবিচল ছিলেন। রাজনীতির কঠিন ও সংকটময় সময়েও তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি বলে উল্লেখ করেন শামীম।
মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিতি পান রোটন। পরবর্তী সময়ে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।
চট্টগ্রামের রাউজানের বাসিন্দা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে চট্টগ্রাম-৬ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন।
পরবর্তী সময়ে ২০২১ সালে তাঁকে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।
এদিকে রোটনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কলকাতায় অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতারা জানিয়েছেন, তাঁর মরদেহ ঢাকায় নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করা হয়েছে। দূতাবাসের পক্ষ থেকেও যোগাযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী ও ঘনিষ্ঠজনেরা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তাঁরা।
সূত্র: দ্য ডেইলি অবজারভার
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au