ওটিএন বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিদেশ সফর, সেনাপ্রধানের পদে সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে ছড়ানো জল্পনা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে নানা দাবি এবং সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ রদবদল নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি এখন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা নিয়োগপ্রক্রিয়া-সংক্রান্ত বিতর্কও গুরুত্ব পাচ্ছে।
সেনাপ্রধানকে ঘিরে এই আলোচনার গুরুত্ব শুধু একজন সামরিক কর্মকর্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে নয়। বাংলাদেশের বেসামরিক সরকার ও সামরিক নেতৃত্বের সম্পর্ক, সেনাবাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কেও এর সঙ্গে প্রশ্ন জড়িয়ে রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে জল্পনা, এরপর আইএসপিআরের বিবৃতি
আলোচনার তাৎক্ষণিক পটভূমিতে রয়েছে সেনাপ্রধানের বিদেশ সফর। আইএসপিআরের তথ্য অনুযায়ী, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ৩ অক্টোবর ২০২৬ নয় দিনের সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। সফরের কর্মসূচিতে অস্ট্রেলিয়ায় সামরিক সম্মেলন ও প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট আয়োজন এবং যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
এই সফর চলাকালে সেনাপ্রধানকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অন্য দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে ৮ অক্টোবর একটি প্রতিবেদনে দাবি করে ভারতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নর্থইস্ট নিউজ। প্রতিবেদনে নাম প্রকাশ না করা কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, সেনাপ্রধানকে এ ধরনের সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছিল।
এর পর ১০ অক্টোবর রাতে আইএসপিআর জানায়, সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এসব তথ্যের উদ্দেশ্য জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করা এবং সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর ঐক্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের কথা তুলে ধরে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়।
তবে বিবৃতিতে সেনাপ্রধানকে পদ থেকে সরানোর পরিকল্পনা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের নির্দিষ্ট দাবিগুলোর পৃথক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে আইএসপিআরের বক্তব্য একদিকে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা হলেও, অন্যদিকে সেনাপ্রধানকে ঘিরে প্রকাশিত সব প্রশ্নের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হিসেবে একে দেখার সুযোগ নেই।
সেনাবাহিনীর রদবদল: নিয়মিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, নাকি ক্ষমতার ভারসাম্যে পরিবর্তন?
সেনাপ্রধানকে ঘিরে আলোচনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে বদলি ও পদায়ন। নর্থইস্ট নিউজের ৭ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ৮ সেপ্টেম্বর জারি করা দুটি পদায়ন আদেশে ঢাকাকেন্দ্রিক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ইউনিট ও সদর দপ্তরের দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। প্রতিবেদনে এসব পরিবর্তনের ফলে সেনাপ্রধানের অপারেশনাল প্রভাব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিসর সংকুচিত হয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন তোলা হয়।
প্রতিবেদনটিতে ৪৬তম স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেড, ৬ষ্ঠ স্বতন্ত্র এয়ার ডিফেন্স ব্রিগেড, ৩৩তম পদাতিক ডিভিশন এবং সেনাসদরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলামের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট পদায়ন আদেশগুলো সেনাপ্রধানের নামে জারি হয়েছিল এবং তাতে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের চিঠির উল্লেখ ছিল। অর্থাৎ, পদায়নের নথি এবং এসব পরিবর্তনের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকার অভিযোগ এক বিষয় নয়। দ্বিতীয় দাবিটি যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, আদেশের পূর্ণাঙ্গ নথি এবং সামরিক প্রশাসনের প্রচলিত পদ্ধতি সম্পর্কে আরও তথ্য প্রয়োজন।
সামরিক বাহিনীতে পদায়ন ও দায়িত্ব পরিবর্তন স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল ইউনিট ও সদর দপ্তরের একাধিক পদে পরিবর্তন যদি একই সময়ে ঘটে, তাহলে তার প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে শুধু রদবদলের ভিত্তিতে সেনাপ্রধানের ক্ষমতা কমানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।
নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক: ঠিক কী ঘটেছিল?
সেনাপ্রধানকে ঘিরে নতুন আলোচনায় নিয়োগ ও পদায়ন-সংক্রান্ত বিতর্কও গুরুত্বপূর্ণ। তবে এখানে দুটি পৃথক বিষয় আলাদা করা প্রয়োজন: সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ পদায়ন এবং বেসামরিক প্রশাসনের অধীনে গুরুত্বপূর্ণ পদে সামরিক কর্মকর্তাদের নিয়োগ।
গত ১০ সেপ্টেম্বর দুই সেনা কর্মকর্তাকে কারা অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিয়ে জারি করা আদেশ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গ্লোবাল ডিফেন্স করপোরেশনের ২৭ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামালকে কারা মহাপরিদর্শক এবং কর্নেল মো. সাইদুল ইসলামকে অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক পদে নিয়োগ দেওয়ার আদেশ জারি হয়েছিল। পরে একই দিনে আদেশগুলো বাতিল করা হয়। বাতিলের সরকারি কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে ‘জনস্বার্থের’ কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে আরও দাবি করা হয়েছে, দুর্নীতির অভিযোগ এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের তদন্তের সঙ্গে নিয়োগ বাতিলের বিষয়টি যুক্ত ছিল। তবে এই অভিযোগগুলোকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। অভিযোগের প্রকৃতি, তদন্তের অগ্রগতি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং নিয়োগ বাতিলের পূর্ণাঙ্গ নথি স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই নিয়োগ বাতিলের ঘটনাকে সরাসরি সেনাপ্রধানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত বা তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণিত অনিয়ম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার মতো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রকাশিত প্রতিবেদনটিও সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট নিয়োগ-অনিয়মের প্রমাণ উপস্থাপন করে না। তাই এই ঘটনাকে তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি দুর্নীতির অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপন করা তথ্যগতভাবে সঠিক হবে না।
তবে ঘটনাটি একটি বৃহত্তর প্রশাসনিক প্রশ্ন সামনে আনে: সামরিক কর্মকর্তাদের বেসামরিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতা, পদোন্নতি, যাচাই-বাছাই এবং নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত কতটা স্বচ্ছভাবে নেওয়া হচ্ছে? এ প্রশ্নের উত্তর পেতে সংশ্লিষ্ট নিয়োগবিধি, সরকারি প্রজ্ঞাপন এবং সিদ্ধান্তের কারণ পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
তারেক রহমান সরকারের সঙ্গে সেনাপ্রধানের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন
সেনাপ্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা হয়েছে। নর্থইস্ট নিউজের ৮ অক্টোবরের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সেনাপ্রধানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অন্য দায়িত্বে পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। অন্য একটি প্রতিবেদনে সামরিক পদায়নের পরিবর্তনকে সেনাপ্রধানের প্রভাব সীমিত করার সম্ভাব্য উদ্যোগ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়।
কিন্তু এসব প্রতিবেদনের দাবির সঙ্গে সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থানকে এক করে দেখা যাবে না। প্রকাশ্যে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের মধ্যে নিশ্চিত সংঘাত রয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। একইভাবে সেনাপ্রধানকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে, এমন দাবির পক্ষেও কোনো নিশ্চিত সরকারি ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
বেসামরিক সরকার ও সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে দায়িত্ব, কর্তৃত্ব এবং নীতিগত সমন্বয় নিয়ে মতপার্থক্য থাকলে তা রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে আলোচনার বিষয় হতে পারে। কিন্তু নির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া প্রশাসনিক রদবদলকে ব্যক্তিগত বিরোধের ফল হিসেবে ব্যাখ্যা করলে প্রকৃত পরিস্থিতি আড়ালে থেকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
বিদেশ সফর নিয়ে তথ্যের অসংগতি
বিদেশ সফর নিয়ে প্রকাশিত তথ্যের ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন। আইএসপিআরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সেনাপ্রধান ৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন। এ সফরকে ঘিরেই সাম্প্রতিক পদ পরিবর্তনের জল্পনা সামনে আসে।
অন্যদিকে, তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে পাঁচ দিনের সফরে সেনাপ্রধানের ঢাকা ছাড়ার যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, সেটি বর্তমান সফরসূচির সঙ্গে মেলে না। একই ধরনের তুরস্ক সফরের তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল ১৯ জুলাই ২০২৬-এ। তখন তিনি প্রতিরক্ষা শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এবং তুরস্কের সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য দেশটিতে গিয়েছিলেন।
আইএসপিআরের বিবৃতি কি সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে?
আইএসপিআরের ১০ অক্টোবরের বিবৃতির মূল বক্তব্য হলো, সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বাহিনীর ঐক্য, পারস্পরিক আস্থা, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের ওপর জোর দিয়ে জনসাধারণকে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করতে বলা হয়েছে।
এ ধরনের বিবৃতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত নির্দিষ্ট তথ্য ও অভিযোগের ক্ষেত্রে কোনটি ভুল, কোনটি অসম্পূর্ণ এবং কোনটি যাচাইাধীন, তা স্পষ্ট করা হলে জনমনে বিভ্রান্তি কমানোর সুযোগ তৈরি হয়।
বিশেষ করে পদায়ন-সংক্রান্ত আদেশ, কারা অধিদপ্তরে নিয়োগ বাতিল এবং সেনাপ্রধানকে সরানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিটির তথ্যগত ভিত্তি আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। কোনো প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রকাশিত হওয়া যেমন অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করে না, তেমনি সাধারণভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর সতর্কবার্তাও প্রতিটি নির্দিষ্ট অভিযোগের স্বয়ংক্রিয় খণ্ডন নয়।
শেষ পর্যন্ত কেন এত আলোচনা?
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে ঘিরে সাম্প্রতিক আলোচনা কয়েকটি আলাদা ঘটনার সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে: বিদেশ সফর, সেনাপ্রধানের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত দাবি, সামরিক পদায়ন নিয়ে প্রশ্ন, বেসামরিক প্রতিষ্ঠানে দুই সেনা কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল এবং আইএসপিআরের বিভ্রান্তিকর তথ্যবিরোধী বিবৃতি।অপরদিকে, বর্তমানে সেনাপ্রধানকে পদ থেকে সরানোর কোনো নিশ্চিত সরকারি ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
সূত্রঃ নর্থইস্ট নিউজ, হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা