ষষ্ঠ অধিনায়ক হিসেবে বাংলাদেশ টেস্টে এমন রেকর্ড রহমতের
বাংলাদেশের বিপক্ষে আবুধাবি টেস্টে অধিনায়কত্বের অভিষেকেই বিরল রেকর্ড গড়েছেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক রহমত শাহ। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি করে টেস্ট ইতিহাসে ষষ্ঠ অধিনায়ক…
সৌদি আরবে কাজের সংকট, মাসের পর মাস বেতন আটকে থাকা, ইকামা জটিলতা এবং যুদ্ধের আতঙ্কে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা। একদিকে কর্মস্থলে কাজ কমে যাওয়ায় আয় কমছে, অন্যদিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ছুটিতে দেশে এসে আটকে পড়া প্রবাসীদের কর্মস্থলে ফিরতে না পারা এবং চাকরি হারানোর আশঙ্কা।
সৌদি আরবে ৩২ লাখের বেশি বাংলাদেশি বসবাস করেন। তাঁদের বড় একটি অংশ পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নির্মাণশ্রমিক ও গৃহকর্মীর মতো স্বল্পদক্ষ পেশায় নিয়োজিত। এসব কাজে অনেকের মাসিক আয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এর মধ্যে বেতন কমে যাওয়া, কাজ না পাওয়া এবং আবাসিক অনুমতিপত্রের জটিলতা তাঁদের আর্থিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সোমবার, ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা থেকে রিয়াদগামী মোট ৩৯টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন ৫ হাজার ৪১৮ জন যাত্রী। স্থগিত ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চারটি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের দুটি, সৌদিয়ার তিনটি এবং রিয়াদ এয়ারের তিনটি ফ্লাইট রয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সৌদিগামী ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। অন্যদিকে, নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটের সব ফ্লাইট ২১ অক্টোবর পর্যন্ত বাতিল রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।
ফ্লাইট বাতিলের কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন ছুটিতে দেশে আসা কর্মীরা। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে পড়া প্রবাসী জামাল উদ্দিন জানান, তাঁর ছুটি ১৫ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা। নির্ধারিত সময়ে সৌদিতে ফিরতে না পারলে তাঁকে অনুপস্থিত দেখিয়ে ইকামা বাতিল করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি। ফলে ফ্লাইট না পেয়ে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন তিনি।
অনেক প্রবাসীর ভিসা ও ইকামার মেয়াদও শেষ হওয়ার পথে। তাঁদের আশঙ্কা, নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে টিকিটের টাকা হারানোর পাশাপাশি চাকরিও চলে যেতে পারে। এতে দেশে থাকা পরিবারের ভরণপোষণ চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।
সৌদি আরবের আল-খারজ এলাকায় একটি পরিচ্ছন্নতাকর্মী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন কুমিল্লার জামাল হোসেন। তিনি জানান, নতুন কোম্পানিতে যোগ দেওয়ার প্রথম তিন মাস বেতন ঠিকমতো পেলেও পরে কাজ কমে যাওয়ার কথা বলে তাঁর বেতন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জামাল হোসেন বলেন, আগে মাসে ১ হাজার ৪০০ রিয়াল বেতন পেলেও এখন দেওয়া হচ্ছে ৭০০ রিয়াল। দেশে সাড়ে তিন লাখ টাকা ঋণ করে সৌদি আরবে গেছেন তিনি। এর ওপর দক্ষতা যাচাই পরীক্ষার ফি বেড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে।
শুধু জামাল হোসেন নন, একই ধরনের সমস্যায় রয়েছেন আরও অনেক বাংলাদেশি শ্রমিক। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের অন্তত ৬০০ অভিবাসী শ্রমিক আট মাসেরও বেশি সময় ধরে বেতন না পাওয়ার সমস্যায় পড়েছেন।
ভুক্তভোগী শ্রমিকদের অভিযোগ, কোম্পানিগুলো প্রথমে করোনা মহামারি ও প্রকল্পসংকটের কথা বলে বেতন আটকে রাখে। পরে বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। অনেক ক্ষেত্রে ইকামা নবায়নও বন্ধ রয়েছে। ফলে বেতন না পেয়ে দেশে ফিরতে পারছেন না অনেকে, আবার বৈধ কাগজপত্রের জটিলতায় অন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ নেওয়ার সুযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে।
দাম্মামে কর্মরত শরীয়তপুরের রফিকুল জানান, বেতন বাড়ানোর দাবি জানানোর পর তাঁর কোম্পানি শ্রমিকদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর ইকামার মেয়াদও শেষ হয়ে যাওয়ায় আইনগত জটিলতায় পড়ার আশঙ্কা করছেন তিনি।
গত ছয় মাসে নতুন ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে যাওয়া শ্রমিকদের অনেকে কাজ না পেয়ে সংকটে পড়েছেন। আগে থেকে কর্মরত অনেকেরও চাকরি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
চট্টগ্রামের সোহেল রানা দুই মাস আগে তথাকথিত ‘ফ্রি ভিসায়’ একটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রিয়াদে যান। তাঁর অভিযোগ, দেশে তাঁকে সরাসরি কোম্পানিতে কাজ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখেন, একটি কক্ষে ১৪ জনকে থাকতে হচ্ছে। প্রতিদিন সকালে কাজের সন্ধানে শ্রমবাজারে দাঁড়াতে হয় তাঁকে।
সোহেল রানা জানান, কাজ পেলে দিনে ৫০ রিয়াল আয় হয়, না পেলে খালি হাতে ফিরতে হয়। গত মাসে মাত্র নয় দিন কাজ পেয়েছেন তিনি। ফলে সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য করা ব্যয় ও ঋণের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।
কর্মসংস্থানের সংকটের পাশাপাশি সৌদি আরবে যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রবাসীদের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত এবং ২৪ জন আহত হয়েছেন। বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় হতাহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহত দুই বাংলাদেশি হলেন বগুড়ার শাজাহানপুরের মো. শাহেদ আহম্মেদ এবং কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের নাসরুল্লাহ বদরপুরী। আহত ২৪ জনের মধ্যে ১১ জন শ্রমিক এবং ১৩ জন ওমরাহযাত্রী রয়েছেন। তাঁরা রিয়াদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁদের মধ্যে তিনজন কিং আবদুল্লাহ হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছেন। তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ মোট ১২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন সৌদি নাগরিক এবং যুক্তরাষ্ট্র, মিসর, জর্ডান, সিরিয়া, ফিলিস্তিন ও সুদানের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
হামলার পর বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবগামী ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। এতে বহু কর্মী আটকে পড়েন। অন্যদিকে, সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দেওয়ার খবরেও প্রবাসীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
জেদ্দায় ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবসা করেন ফেনীর নুরুল আফসার। তিনি জানান, করোনা মহামারির সময়ের আর্থিক ক্ষতি এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি। বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্রেতারা বাইরে আসতে ভয় পাচ্ছেন এবং সন্ধ্যার পর দোকান প্রায় ফাঁকা থাকছে। ফলে ব্যবসায়ীরাও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।
প্রবাসী শ্রমিকদের অভিযোগ, যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা বলে বিভিন্ন কোম্পানি প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখছে। এতে দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ করা কর্মীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অনেকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে সৌদি আরবে গেলেও এখন নিয়মিত কাজ পাচ্ছেন না।
সৌদি আরবে কর্মসংস্থান ও আয়ের অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশে থাকা পরিবারগুলোর ওপরও। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলো আয় কমে যাওয়ায় আর্থিক চাপে পড়ছে। সৌদি আরবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী থাকলেও তাঁদের বড় অংশ স্বল্প বেতনের কাজে নিয়োজিত হওয়ায় আয় ও সঞ্চয়ের সুযোগ সীমিত।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে বিদেশে যাওয়ার ছাড়পত্র পাওয়া কর্মীর সংখ্যা প্রায় ২৯ শতাংশ কমেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, মালয়েশিয়া, ওমান ও বাহরাইনের মতো শ্রমবাজারে সীমাবদ্ধতা এবং নতুন শ্রমবাজার তৈরির চ্যালেঞ্জকে এর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশি কর্মীদের প্রধান গন্তব্য হিসেবে সৌদি আরবের অবস্থান রয়েছে।
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং রিয়াদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, যাতে প্রবাসী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সোমবার, ১২ অক্টোবর সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, যেসব সৌদি বিমানবন্দরে বিমান চলাচল সম্ভব, সেসব গন্তব্যে বিকল্প ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে আসা এবং কর্মস্থলে ফিরতে সমস্যায় পড়া প্রবাসীদের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বাংলাদেশি প্রবাসীদের কর্মসংস্থান ও প্রবাসী আয়কে প্রভাবিত করতে পারে। এ অঞ্চলে কর্মরত অনেক বাংলাদেশি চাকরি হারানো ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। কেউ কেউ ইতিমধ্যে কর্মসংস্থান হারিয়ে দেশে ফিরেছেন, আবার অনেকে কর্মহীন অবস্থায় সেখানে রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু সৌদি আরবেই ৩০ লাখের বেশি বাংলাদেশি বসবাস করছেন। চলমান সংঘাত বিদেশে কর্মসংস্থান ও প্রবাসী আয়ের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। এ পরিস্থিতিতে প্রচলিত শ্রমবাজারের ওপর নির্ভরতা কমাতে নতুন শ্রমবাজার খোঁজা এবং দক্ষ ও বৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বাংলাদেশের শ্রমবাজার দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক রাখার ঝুঁকি সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা আগে থেকেই সতর্ক করে আসছিলেন। বিকল্প শ্রমবাজার তৈরির প্রয়োজনীয়তা থাকলেও তার যথাযথ প্রতিফলন দেখা যায়নি বলে তিনি মনে করেন।
শরিফুল হাসানের মতে, চলতি বছরের মার্চে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে কর্মী যাওয়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যুদ্ধ দ্রুত শেষ হলেও শ্রমবাজারের পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরতে সময় লাগতে পারে। সংঘাতের কারণে বিদেশি বিনিয়োগ, পর্যটন, রেস্তোরাঁ ও নির্মাণ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার প্রভাব পড়বে প্রবাসী শ্রমিকদের ওপরও। কাজের সুযোগ কমার পাশাপাশি বেতন হ্রাস ও কর্মী ছাঁটাইয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
সব মিলিয়ে সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা এখন একদিকে আয় ও কর্মসংস্থানের সংকট, অন্যদিকে যুদ্ধজনিত নিরাপত্তাঝুঁকির মুখে রয়েছেন। তাঁদের অনেকের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে নিয়মিত কাজ ও বেতন ফিরে পাওয়া, নিরাপদে কর্মস্থলে যাওয়া এবং বিমান চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার ওপর। একই সঙ্গে দেশের শ্রমবাজারকে বৈচিত্র্যময় করা এবং প্রবাসী কর্মীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au