বাংলাদেশ

‘জাতীয় সরকার’ গঠনের আলোচনা

তারেক রহমানকে সরিয়ে ‘মাইনাস টু’ পরিকল্পনা, সক্রিয় ‘ডিপ স্টেট’?

  • 5:10 am - October 17, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৩৩৮ বার
তারেক রহমানকে সরিয়ে ‘মাইনাস টু’ পরিকল্পনা। ছবিঃ সংগৃহীত

সেনাবাহিনী ও সরকারের মধ্যে টানাপোড়েন, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাবেক সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠক এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে সম্ভাব্য বিশেষ বৈঠকের খবর ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের জল্পনা। রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে তৎপরতার দাবি করা হলেও এসব তথ্যের বেশ কিছু অংশ স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ক্ষমতার বাইরে রেখে ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলা বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে একটি ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে রাজনৈতিক ও সামরিক মহলে নতুন তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছে একটি সংবাদ প্রতিবেদন। এতে বলা হয়েছে, সরকারের সঙ্গে সেনাবাহিনীর দূরত্ব কমানো, বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা এবং দেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে কথিত ‘ডিপ স্টেট’-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সক্রিয় হয়েছেন।

প্রতিবেদনটিতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাবেক সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠক, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামানের বিদেশ সফর, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে সম্ভাব্য বৈঠক এবং সাবেক সামরিক কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়েছে। তবে এসব তৎপরতার সঙ্গে ‘মাইনাস টু’ পরিকল্পনার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করার মতো স্বাধীন প্রমাণ প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১১ অক্টোবর অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাখাওয়াত হোসেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপতিকে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে। বৈঠকে সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে দূরত্ব কমাতে ভূমিকা রাখার জন্য রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

একই বৈঠকে বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা এবং দেশের কথিত ‘রাজনৈতিক সংকট’ নিরসনেও রাষ্ট্রপতির ভূমিকা চাওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে এসব দাবির পক্ষে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, সরকার কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রতিবেদনে উদ্ধৃত করা হয়নি।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, কথিত ‘ডিপ স্টেট’-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আবারও ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলা বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে জাতীয় সরকার গঠনের চেষ্টা করছেন। তবে রাষ্ট্রপতি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি তাঁর অঙ্গীকার স্পষ্ট করেছেন এবং এ বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

নিউইয়র্ক সফরে মুহাম্মদ ইউনূস, যুক্তরাষ্ট্রে সেনাপ্রধানের সফর

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ১২ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস কাতার এয়ারওয়েজের কিউআর৬৩৯ ফ্লাইটে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লামিয়া মোরশেদ ও সাব্বির আহমেদ। ১০ দিনের সফর শেষে ২২ অক্টোবর কাতার এয়ারওয়েজের কিউআর৬৪২ ফ্লাইটে তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে ফিরেছিলেন বলেও জানানো হয়েছে।

এদিকে, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামান যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে একটি ‘বিশেষ বৈঠক’ হওয়ার কথা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই বৈঠকে ভারতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

তবে বৈঠকটির সময়সূচি, অংশগ্রহণকারী এবং আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি। ফলে এই সফরগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিংবা কথিত ‘মাইনাস টু’ পরিকল্পনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

লন্ডনে ভারতীয় কূটনীতিকদের বৈঠকের গুঞ্জন

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একই সময়ে তুরস্ক হয়ে লন্ডনে পৌঁছেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও সেখানে রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটির দাবি অনুযায়ী, দীনেশ ত্রিবেদী, হুমায়ুন কবির এবং ভারতীয় কূটনীতিক বিক্রম দোরাইস্বামীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে পারে। তবে প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে একটি সূত্রের দেওয়া তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ফলে লন্ডনে এমন কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বা হওয়ার কথা রয়েছে কি না, কিংবা বৈঠকটির সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

ঢাকা সেনানিবাসের বৈঠকের পর তৎপরতা বাড়ার দাবি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত একটি ‘মিনি দরবারে’ নেওয়া সিদ্ধান্তের পর কথিত ‘ডিপ স্টেট’-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তৎপরতা বেড়েছে। ওই বৈঠকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন এবং তাঁর ‘নিরাপত্তা’ নিশ্চিত করার বিষয়টি আলোচনায় এসেছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা আবদুল্লাহিল আমান আযমী ও হাসিনুর রহমানও এ সময় সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তাঁদের জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

তবে ঢাকা সেনানিবাসে উল্লিখিত বৈঠকটি ঠিক কী উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেখানে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কোনো আনুষ্ঠানিক নথি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তুলে ধরা হয়নি।

একইভাবে, এসব সাবেক সামরিক কর্মকর্তার তৎপরতার সঙ্গে কথিত জাতীয় সরকার গঠন কিংবা ‘মাইনাস টু’ পরিকল্পনার সম্পর্কের বিষয়টিও স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

ভারত সফর নিয়ে সেনাপ্রধানের সঙ্গে সরকারের টানাপোড়েনের দাবি

প্রতিবেদনটিতে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামানের বিদেশ সফরের অনুমোদন নিয়ে সরকারের সঙ্গে টানাপোড়েনের কথাও বলা হয়েছে।

এতে দাবি করা হয়েছে, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভারতে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করতে বাধ্য হন সেনাপ্রধান। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলামের মাধ্যমে সরকার সফরের অনুমোদনসংক্রান্ত সরকারি আদেশ বা জিও জারি করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া সফরের অনুমোদন নিয়েও সরকারের অনীহা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সরকারি আদেশ জারি করতে দেরি হয় এবং শেষ মুহূর্তে বিষয়টির সমাধান হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তবে এসব সফরের অনুমোদন নিয়ে সরকারের সঙ্গে সেনাপ্রধানের বিরোধের দাবি সমর্থনে কোনো সরকারি আদেশ, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য কিংবা স্বাধীনভাবে যাচাই করা নথি প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হয়নি।

সেনাবাহিনী ও বিএনপির মধ্যে যোগাযোগের সেতু ছিলেন ফজলে এলাহী আকবর?

প্রতিবেদনটিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবরের ভূমিকার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তারেক রহমান দেশে ফেরার আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সামরিক উপদেষ্টা ফজলে এলাহী আকবর সেনাবাহিনী ও বিএনপির মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতু তৈরি করেছিলেন।

প্রতিবেদনটির দাবি, সেনাপ্রধানের সঙ্গে বিএনপির চেয়ারপারসন ও মহাসচিবের নিয়মিত যোগাযোগের ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি। তারেক রহমানের বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও তাঁর উদ্যোগ ভূমিকা রেখেছিল বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

কিন্তু তারেক রহমান দেশে ফেরার দিনই অজ্ঞাত কারণে ফজলে এলাহী আকবরকে তাঁর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

সরকার গঠনের আট মাস পর সেনাবাহিনী ও সরকারের মধ্যে কথিত টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ফজলে এলাহী আকবরের অনুপস্থিতির বিষয়টি আবার আলোচনায় এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার কারণ কিংবা সেনাবাহিনী ও সরকারের বর্তমান সম্পর্কের সঙ্গে তাঁর ভূমিকার কোনো প্রত্যক্ষ যোগসূত্রের প্রমাণ সেখানে দেওয়া হয়নি।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাবেক সেনাপ্রধানের বৈঠকে কি সমাধানের পথ?

প্রতিবেদনটির শেষাংশে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে দুই সাবেক কর্মকর্তার বৈঠকের সম্ভাব্য গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। তাঁদের একজন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল নুরউদ্দিন খান, অন্যজন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাখাওয়াত হোসেন।

প্রতিবেদনটি প্রশ্ন তুলেছে, সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে কথিত অচলাবস্থা নিরসনে এই বৈঠকগুলো কোনো ভূমিকা রাখতে পারে কি না।

তবে এসব বৈঠকের আলোচ্য বিষয়, অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্য কিংবা কোনো সমঝোতার উদ্যোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে নেই। ফলে বৈঠকগুলোকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

সূত্র: নর্থইস্ট নিউজ

এই শাখার আরও খবর

দুই মাসের কম সময়ে ফের ঢাকায় ভুটানের রাজা, যাত্রাবিরতির আড়ালে কি ঘটছে?

দুই মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবতরণ করেছে ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুককে বহনকারী একটি বিমান। শুক্রবার দুপুরে ড্রুক এয়ারের…

‘মব’ তকমায় যেভাবে আড়াল হচ্ছে পরিকল্পিত অপরাধ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও রেকর্ডকে কেন্দ্র করে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ। এরপর ফেসবুক লাইভে মানুষকে জড়ো হওয়ার আহ্বান। অভিযোগের সত্যতা যাচাই কিংবা আত্মপক্ষ সমর্থনের…

দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তার গ্রেপ্তারের নেপথ্যে তুরস্ক-পাকিস্তানের গোয়েন্দা তৎপরতা?

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক দুই কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল বিজয় দেবাশীষ নারায়ণ পালকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গত ১২ অক্টোবর তাঁদের…

আইএমএফের ঋণের শর্ত বাস্তবায়নে বাড়তি চাপের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

ঋণচুক্তি চূড়ান্ত করতে আগামী সপ্তাহে আলোচনা শুরু করবে বাংলাদেশ ও আইএমএফ। বৈদেশিক মুদ্রার চাপ সামলানো ও উন্নয়ন সহযোগীদের আস্থা ধরে রাখার সুযোগ থাকলেও রাজস্ব সংস্কার,…

নিশ্চিন্তে উৎসব করুন, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের…

মাধবপুরে মেয়র প্রার্থী বাদলকে কুপিয়ে জখম, অবস্থা সংকটাপন্ন

হবিগঞ্জের মাধবপুরে পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ও বিএনপির তরুণ দলের উপজেলা আহ্বায়ক বাদল পাঠানকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর)…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au