বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক পরিবার ঋণনির্ভর!
ওটিএন বাংলা ডেস্ক: নিত্যদিনের খরচ বাড়ছে, কিন্তু সেই অনুপাতে বাড়ছে না আয়। সংসারের প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে তাই ধারদেনার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে বাংলাদেশের বহু পরিবারকে।…
ওটিএন বাংলা ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ায় নিজ নির্বাচনী কার্যালয়ের বাইরে গাড়ি দিয়ে চালানো উদ্দেশ্যমূলক হামলায় এক পা হারিয়েছেন স্বতন্ত্র ফেডারেল সংসদ সদস্য হেলেন হেইনস। অস্ত্রোপচারের পরও মেলবোর্নের আলফ্রেড হাসপাতালে তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন রয়েছে। মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর সকালে তাঁর এক পা হারানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যম এবিসি।
প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যমূলক হামলা বলে বর্ণনা করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে গাড়িটি আঘাত করার আগে ইউটার্ন নিয়েছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।
সোমবার বিকেল প্রায় ৩টা ৩৫ মিনিটে ভিক্টোরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর ওয়াঙ্গারাটার মারফি স্ট্রিটে ঘটনাটি ঘটে। ইন্ডি আসনের সংসদ সদস্য হেইনস তখন নিজ নির্বাচনী কার্যালয়ের বাইরে গাড়ির পেছনের বুট থেকে জিনিসপত্র বের করছিলেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, একটি টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার ইউটার্ন নিয়ে তাঁকে আঘাত করে। এরপর চালক গাড়িটি পেছনে নিয়ে দ্বিতীয়বার তাঁকে ধাক্কা দেন বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত হেইনসকে পরে আকাশপথে মেলবোর্নে নেওয়া হয় এবং রাতে তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়।
এ ঘটনায় ট্যারাওয়িংগি এলাকার বাসিন্দা ব্রেন্ডন নুজেন্টকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৪৩ বছর বয়সী এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়নি। ঘটনার পর স্থানীয় এক নাপিতসহ উপস্থিত লোকজন তাঁকে আটক করতে এগিয়ে আসেন।
কিছু সংবাদমাধ্যমে হেইনসের অন্য পা নিয়েও আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে। তবে সেটি হারানোর সম্ভাবনা সম্পর্কে নিশ্চিত চিকিৎসাগত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের কমিশনার ক্রিসি ব্যারেট মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্ন বলে উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য কোনো হুমকির তথ্য কর্তৃপক্ষের কাছে নেই।
ব্যারেট জানান, সম্ভাব্য অভিযোগ নির্ধারণে ভিক্টোরিয়া পুলিশ ও অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ একসঙ্গে কাজ করছে। রাজ্য ও ফেডারেল—উভয় আইনের অধীনে অভিযোগ আনার বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ফেডারেল সরকারি দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অপরাধও থাকতে পারে, যার সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছরের কারাদণ্ড বলে তিনি জানিয়েছেন।
হামলার উদ্দেশ্য এবং ঘটনার বিস্তারিত পরিস্থিতি জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au