রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?
সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…
হৃতিক রোশন এখন বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা। তার বর্তমান সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তবে তার পরিবারের এই অবস্থানে আসার পথটি সহজ ছিল না। একসময় হৃতিকের বাবা রাকেশ রোশনকে সংসার চালাতেও কঠিন সময় পার করতে হয়েছে। ছেলেকে নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ি ও গাড়িও বন্ধক রেখেছিলেন তিনি।
ভাড়া দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না
হৃতিকের শৈশবে একসময় তার পরিবারের আর্থিক সংকট চরমে ওঠে। ২০০৬ সালে সিমি গারেওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হৃতিক সেই সময়ের কথা বলেছিলেন। তিনি জানান, একপর্যায়ে তার বাবার পক্ষে বাড়ির ভাড়া দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না।
তখন হৃতিকের মা পিঙ্কি রোশন তাকে ও তার বোনকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। রাকেশ রোশন তার মায়ের সঙ্গে থাকতেন। পরে তিনি নতুন একটি বাড়ি কেনেন। হৃতিক জানান, সেই বাড়িতে শুরুতে শুধু দেয়াল ও মেঝে ছিল। তারা তোশক ও মাদুরে ঘুমাতেন। পরে ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র কেনা হয়।

হৃতিক রোশন ও তার বাবা রাকেশ রোশন। ছবি : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
‘কোয়লা’র পর বড় ধাক্কা
রাকেশ রোশনের পরিচালিত ‘কোয়লা’ ১৯৯৭ সালে মুক্তি পায়। ছবিতে শাহরুখ খান ও মাধুরী দীক্ষিত অভিনয় করেন। ছবিটি প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। এতে রাকেশ রোশন বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েন। পুরোনো এক সাক্ষাৎকারে হৃতিক বলেন, একদিন তার বাবা তাকে জানিয়েছিলেন, তিনি সব টাকা হারিয়েছেন। বাবার চোখে সেদিনই প্রথম পানি দেখেছিলেন বলে জানান হৃতিক।
ছেলেকে নায়ক করতে বাড়ি-গাড়ি বন্ধক
২০০০ সালে হৃতিককে নায়ক করে ‘কহো না… পেয়ার হ্যায়’ নির্মাণ করেন রাকেশ রোশন। ছবিটির বাজেট ছিল প্রায় ৩ কোটি টাকা। সিনেমাটি নির্মাণে অর্থের জোগান দিতে নিজের বাড়ি ও গাড়ি বন্ধক রেখেছিলেন তিনি। এ ব্যাপারে রাকেশ রোশন পরে এক সাক্ষাৎকারে জানান, ছবিটি ব্যর্থ হলে তাকে অন্য কোথাও চলে যেতে হতে পারত। তারপরও ছেলের ক্যারিয়ারের জন্য তিনি সেই ঝুঁকি নিয়েছিলেন।
বদলে যায় রোশন পরিবারের ভাগ্য
‘কহো না… পেয়ার হ্যায়’ ২০০০ সালে মুক্তির পর ব্যাপক সাফল্য পায়। হৃতিক রাতারাতি তারকা হয়ে ওঠেন। ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন আমিশা প্যাটেল। রাকেশ রোশন ছিলেন এ ছবির পরিচালক ও প্রযোজক।
পরে হৃতিক জানতে পারেন, তাকে নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে তার বাবা কত বড় ঝুঁকি নিয়েছিলেন। সেই সাফল্যের পথ ধরে হৃতিক নিজের অভিনয় ও ব্যবসায়িক উদ্যোগে বড় সম্পদ গড়ে তোলেন। হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্ট ২০২৬ অনুযায়ী, তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ এখন ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au