বিশ্ব

ফ্রান্সজুড়ে চলছে দাঙ্গা-লুটপাট, প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে কারফিউ জারি

  • 4:32 pm - October 20, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৪৩ বার
সপ্তাহজুড়ে প্যারিসে দাঙ্গা ও লুটপাট হয়েছে। ছবিঃ রয়টার্স

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ থেকে ছড়িয়ে পড়া দাঙ্গা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় রাজধানী প্যারিসের কয়েকটি এলাকা এবং দেশটির বিভিন্ন শহরে রাতের কারফিউ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসনকে কারফিউ জারির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সহিংসতায় আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্যও।

সোমবার সংকট মোকাবিলায় এক বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু জানান, যেসব এলাকায় প্রয়োজন, সেখানে কারফিউ জারি করতে পারবেন স্থানীয় মেয়ররা। তবে কোন কোন শহরে এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে, তা তিনি নির্দিষ্ট করে বলেননি। একই সঙ্গে দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পুনর্গঠনে সরকারি অর্থ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তবে সহিংসতার কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির অর্থ দায়ীদের কাছ থেকে আদায়ের জন্য আইন প্রণয়নের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্যারিস পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত প্লাস দে লা রিপাবলিক ও লে আল শপিং এলাকায় কারফিউ কার্যকর থাকবে। সপ্তাহান্তে এসব এলাকায় বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়েছিলেন। এ ছাড়া রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকার আরও কয়েকটি স্থানে অনুমতি ছাড়া জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের মার্সেই, বোর্দো, নিস ও লিওঁ এবং উত্তরের লিলসহ বিভিন্ন শহরে তরুণদের চলাচল ও জনসমাগম সীমিত করার লক্ষ্যে আংশিক কারফিউ জারি করা হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কথা স্বীকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

দাঙ্গা মোকাবিলায় পুলিশের প্রস্তুতি ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে ফ্রান্সে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ নুনেজ স্বীকার করেছেন, কয়েকটি শহরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি। সহিংসতা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রস্তুতি নিয়ে বিরোধী রাজনীতিকেরা তাঁর কঠোর সমালোচনা করেছেন।

এলিসি প্রাসাদ জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোববার পদত্যাগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তা প্রত্যাখ্যান করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর সরকারের অব্যাহত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন বলে জানানো হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ ঘটনাটিকে গোয়েন্দা তথ্য ও আগাম পরিস্থিতি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ব্যর্থতা হিসেবে দেখেছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন বলেও জানানো হয়।

এদিকে, দাঙ্গায় জড়িত সম্ভাব্য মূল হোতাদের শনাক্ত করতে ২০০ জন তদন্তকারী কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন নুনেস। তাঁরা বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছেন। সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনাই তদন্তের লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী লেকর্নু দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারির সম্ভাবনাও নাকচ করেননি। তিনি বলেন, দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারে সরকার অর্থ বরাদ্দ দেবে। তবে সম্পত্তির ক্ষতি যাঁরা করেছেন, তাঁদের কাছ থেকেই ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা করা হবে।

লেকর্নু বলেন, “সম্পত্তির ক্ষতি যারা করেছে, তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা করতে একটি আইন করা হবে।”

দাঙ্গা ও লুটপাটের কারণে যেসব কর্মী কাজে যেতে পারেননি, তাঁদের জন্য আংশিক বেকারত্ব ভাতার ব্যবস্থাও ঘোষণা করেছেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের দাবি থেকে দেশজুড়ে আন্দোলন

গত মাসে শিক্ষার্থীদের উন্নত স্কুল পরিবেশের দাবিতে ফ্রান্সে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে আন্দোলনটি বিস্তৃত হয়ে জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং স্কুলসহ বিভিন্ন সরকারি পরিষেবার অবনতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রূপ নেয়। সপ্তাহান্তে শ্রমিক সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিবাদী গোষ্ঠী এতে যোগ দিলে বিক্ষোভ আরও বড় আকার ধারণ করে।

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহান্তের বিক্ষোভে প্রায় পাঁচ লাখ ৫০ হাজার মানুষ অংশ নেন। প্যারিস, মার্সেইসহ বিভিন্ন বড় শহর এবং ছোট শহরেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এসব বিক্ষোভের কিছু অংশে সহিংসতা দেখা দেয়। কালো পোশাক ও মুখোশ পরা কয়েকটি দলকে গাড়ি ও ভবনে আগুন দিতে এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাট চালাতে দেখা গেছে।

কর্মকর্তাদের হিসাবে, আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ব্যবহৃত গ্রেনেডের আঘাতে এক বিক্ষোভকারীর হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ ছাড়া প্রায় এক হাজার পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে এবং কতজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

আগুনে পুড়ল উনিশ শতকের সিটি হল

দাঙ্গা ও অগ্নিসংযোগে ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে সরকারি স্থাপনা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার লিমোজ শহরের কেন্দ্রস্থলে আগুনে উনিশ শতকের কারুকার্যখচিত সিটি হলটি পুড়ে যায়। আগুন ছড়িয়ে পড়ার একপর্যায়ে ভবনটির ঘড়ির টাওয়ার ও ছাদ ধসে পড়ে।

এ ধরনের অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় ঐতিহাসিক স্থাপনা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের সম্পত্তি রক্ষার বিষয়টি সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশি তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে আরও ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে।

দুই হাজারের বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত

ফ্রান্সের চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিআই) প্রধান জানিয়েছেন, সপ্তাহান্তের সহিংসতায় দুই হাজারের বেশি দোকান ও অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংস্থাটির প্রধান অ্যালাইন ডি ক্রেসেনজো ফরাসি সম্প্রচারমাধ্যম আরটিএলকে বলেন, দাঙ্গায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি ইউরো হতে পারে।

মার্সেইয়ে ব্যবসার পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সিসিআইয়ের স্থানীয় শাখার সভাপতি জঁ-লুক শোভ্যাঁ। বিবিসিকে তিনি বলেন, শহরের অনেক দোকানমালিক গভীর সংকটে রয়েছেন এবং তাঁদের ব্যবসার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত।

দাঙ্গার কারণে শুধু দোকানপাট ও ভবনের ক্ষতি হয়নি, অনেক ব্যবসার স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত হয়েছে। কর্মীরা কাজে যেতে না পারায় আয় কমে যাওয়া এবং ব্যবসা বন্ধ রাখার কারণে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে লুট করা পণ্য বিক্রির অভিযোগ

দাঙ্গার সময় লুট করা কিছু পণ্য অনলাইন বিক্রয় প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ফরাসি সরকারের দুই মন্ত্রী। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানোর দাবি উঠেছে।

অনলাইন মার্কেটপ্লেস ভিন্টেডের এক মুখপাত্র বলেছেন, চোরাই পণ্য বিক্রি করা বা বিক্রির প্রস্তাব দেওয়া তাদের নীতিমালায় কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহ থেকে প্রতিষ্ঠানটির দলগুলো লুটপাটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহ করা তালিকাগুলো শনাক্ত করে সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক তালিকার ওপর নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

দাঙ্গার সময় লুট হওয়া পণ্য অনলাইনে বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে চোরাই পণ্যের বেচাকেনা ঠেকাতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্যে উঠে এসেছে।

বামপন্থী দলকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক

দাঙ্গার জন্য দায়ী কারা, তা নিয়ে ফ্রান্সের রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিতর্ক চলছে। কয়েকজন রাজনীতিক বামপন্থী দল লা ফ্রঁস আঁসোমিজকে সহিংসতায় ভূমিকা রাখার জন্য অভিযুক্ত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী লেকর্নু এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, কিছু গোষ্ঠী আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পর্যন্ত দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। তবে তাঁর অভিযোগের পক্ষে বিস্তারিত প্রমাণ প্রকাশ করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

দলটির নেতা জঁ-লুক মেলঁশোঁ, যিনি আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি লেকর্নুকে অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দিতে অথবা ক্ষমা চাইতে বলেছেন। মেলঁশোঁর বক্তব্য, প্রমাণ ছাড়া রাজনৈতিক দলকে সহিংসতার জন্য দায়ী করা উচিত নয়।

ফলে দাঙ্গা মোকাবিলার পাশাপাশি সহিংসতার দায় নির্ধারণ এবং রাজনৈতিক অভিযোগের সত্যতা যাচাই নিয়েও বিতর্ক বাড়ছে।

বিদেশি নাগরিকদের সতর্কবার্তা

ফ্রান্সে বিক্ষোভ ও সহিংসতা অব্যাহত থাকায় নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস। বিক্ষোভে প্রভাবিত এলাকা এড়িয়ে চলা এবং বড় জমায়েতের কাছাকাছি থাকলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

চীন ও জার্মানিও একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছে। বিক্ষোভের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে নাগরিকদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে চলাচল ও জনসমাগমের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সামনে সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ

ফ্রান্সের চলমান সংকট মোকাবিলায় সরকার একদিকে কারফিউ ও পুলিশি অভিযান জোরদার করছে, অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্গঠন এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। সম্পত্তির ক্ষতির জন্য দায়ীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় এবং কাজে যেতে না পারা কর্মীদের আংশিক বেকারত্ব ভাতা দেওয়ার ঘোষণাও এসেছে।

তবে বিক্ষোভের পেছনে থাকা জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং সরকারি পরিষেবার মান নিয়ে অসন্তোষের সমাধান না হলে সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে সহিংসতার ঘটনায় দায়ীদের শনাক্ত করা, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ঐতিহাসিক স্থাপনা পুনরুদ্ধার এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাব দেওয়া ফরাসি সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সূত্রঃ বিবিসি বাংলা

এই শাখার আরও খবর

কিম জং উনের স্বাস্থ্য নিয়ে গুঞ্জন, কী জানা যাচ্ছে?

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জল্পনা ছড়িয়েছে। সম্প্রতি তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে কোমায় আছেন বলে কিছু…

নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪, আহত ৩২

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন…

পূজা দেখে ফেরার পথে ট্রলারডুবি, মেয়ে নিহত মা নিখোঁজ

ওটিএন বাংলা ডেস্ক :  পিরোজপুরে দুর্গাপূজা দেখে বাড়ি ফেরার পথে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ট্রলারডুবিতে প্রাণ গেছে আট বছরের শিশু অর্পিতা বেপারীর। এ ঘটনায় তার মা রিনা…

রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?

সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…

ছেলেকে নায়ক বানাতে বাড়ি-গাড়ি বন্ধক রেখেছিলেন হৃতিকের বাবা

হৃতিক রোশন এখন বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা। তার বর্তমান সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তবে তার পরিবারের এই অবস্থানে আসার পথটি সহজ…

সিডনি ও পার্থে বিএইচএসএএ’র শারদীয় পূজা পরিক্রমা সম্পন্ন

শতদল তালুকদার, সিডনি, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও পার্থে উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশি হিন্দু শিক্ষার্থীদের সংগঠন বিএইচএসএএ’র (BHSAA) শারদীয় দুর্গাপূজা পরিক্রমা। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, পারস্পরিক সৌহার্দ্য…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au