বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ায় গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, মরদেহে পেট্রল ঢেলে আগুন
মেলবোর্ন, ২১ আগষ্ট- নওগাঁর ধামইরহাটে বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ায় এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাবেক ইউপি…
মেলবোর্ন, ১৪ অক্টোবর- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি উদ্যোগে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মিসরের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘অর্ডার অব দ্য নাইল’ প্রদান করেছে দেশটির সরকার। রবিবার কায়রোর প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি এই পদক পরিয়ে দেন ট্রাম্পের গলায়।
মিসর সরকার জানিয়েছে, ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ২০২০ সালে ইসরায়েল ও কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ চুক্তি আঞ্চলিক শান্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। সেই উদ্যোগের জন্যই তাঁকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।
আল-সিসি অনুষ্ঠানে বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নেতা ছিলেন না, বরং তিনি মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন। মিসর তাঁর প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি জানাতে গর্বিত।”
সম্মাননা পাওয়ার পর ট্রাম্প বলেন, “মিসরের জনগণ ও প্রেসিডেন্ট আল-সিসির কাছ থেকে এই সম্মান পাওয়া আমার জন্য গর্বের। আমরা সবাই চাই মধ্যপ্রাচ্য হোক শান্তি ও সমৃদ্ধির অঞ্চল।”
তিনি আরও বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, আমেরিকা ও মিসর একসঙ্গে কাজ করলে এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি আনা সম্ভব।”
‘অর্ডার অব দ্য নাইল’ (Order of the Nile) হলো মিসরের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা, যা সাধারণত রাষ্ট্রপ্রধান, কূটনীতিক বা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের প্রদান করা হয়। ১৯১৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়, এবং এর প্রাপক তালিকায় রয়েছেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান ও দক্ষিণ আফ্রিকার নেতা নেলসন ম্যান্ডেলাও।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পকে এই সম্মাননা দেওয়া মূলত মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার একটি কূটনৈতিক পদক্ষেপ।
অন্যদিকে, কিছু মানবাধিকার সংগঠন ট্রাম্পের মেয়াদকালে মিসর সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীরব অবস্থানের সমালোচনা করেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au