লক্ষ্মীপূজার তাৎপর্য: সমৃদ্ধির সাধনা, প্রজ্ঞার আলো ও মানবতার জয়
বাঙালি হিন্দু সমাজের ধর্মীয় বিশ্বাস, লোকজ ঐতিহ্য ও সামাজিক জীবনের অন্যতম প্রধান পবিত্র অনুষঙ্গ দেবী শ্রীশ্রী লক্ষ্মীর আরাধনা। ধন-ধান্য, শান্তি-সম্পদ, সৌভাগ্য ও মঙ্গলময় জীবনের আকুল…
মেলবোর্ন, ১২ আগষ্ট- গাজায় অনাহারে মৃত্যুর মিছিল থামছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় এক শিশুসহ আরও পাঁচ ফিলিস্তিনির মৃত্যু নিশ্চিত করেছে উপত্যকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে অনাহারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২২২, যার মধ্যে ১০১ শিশু। এর বেশির ভাগ মৃত্যু ঘটেছে গত তিন সপ্তাহে।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, নতুন করে অনাহারে মারা যাওয়া পাঁচ বছরের শিশুর নাম মোহাম্মদ জাকারিয়া খাদের। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬।
ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ বলছে, ক্ষুধা ও বোমাবর্ষণে গাজার শিশুরা মারা যাচ্ছে। সংস্থার ভাষায়, “পুরো পরিবার, আশপাশের মানুষ ও একটি প্রজন্ম নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। নিষ্ক্রিয়তা ও নীরবতা এই অপরাধে সহায়তা করছে। যুদ্ধবিরতির জন্য কথাকে কাজে পরিণত করার এখনই সময়।”
জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জানিয়েছে, গাজায় ক্ষুধা ও অপুষ্টি এখন এযাবৎকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সেখানে এক-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ কয়েক দিন ধরে না খেয়ে আছেন, আর ৫ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে। ডব্লিউএফপি আরও বলেছে, বৃহত্তর বিপর্যয় এড়াতে অবিলম্বে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন।
এদিকে সোমবার ভোর থেকে গাজাজুড়ে ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৪৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ছয়জন ত্রাণপ্রত্যাশী বলে জানিয়েছে আল-জাজিরা।
রোববার ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে নিহত হন ইসমাইল কন্দিলের ছেলে। আল-শিফা হাসপাতাল থেকে আল-জাজিরাকে তিনি বলেন, “তার কাছে কোনো গুলি ছিল না, কোনো অস্ত্র ছিল না। আমরা কী করেছি, যে এমনটা হচ্ছে? এ ক্ষুধা ও গণহত্যা আর নেওয়া যাচ্ছে না।”
৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলের হামলায় গাজায় কমপক্ষে ৬১ হাজার ৪৯৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি মানুষ। নিহতদের মধ্যে অন্তত ২৭০ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী রয়েছেন।
সুত্রঃ আল জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au