চীনের ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনতে পারে বাংলাদেশ
মেলবোর্ন, ২৮ জুন- বাংলাদেশ চীনের তৈরি ২৪টি জে-১০সিই বহুমুখী যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করছে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত…
মেলবোর্ন, ২৬ অক্টোবর- রাশিয়া দাবি করেছে যে, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী গতরাতে তাদের ভূখণ্ডে ১২১টি ড্রোন হামলা চালায়, যার বেশিরভাগই রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়। তবে কিছু ড্রোন লক্ষ্যভেদ করায় অন্তত চারজন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার (২৬ অক্টোবর) সকালে এক বিবৃতিতে জানায়, ইউক্রেনীয় বাহিনী মূলত বেলগোরোদ, ব্রায়ানস্ক ও কুরস্ক অঞ্চলে এই ড্রোন হামলা চালায়। হামলার বেশিরভাগই প্রতিহত করা গেলেও, কিছু ড্রোন জ্বালানির গুদাম ও আবাসিক এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটায়।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে,
“গত রাতে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে ১২১টি ড্রোন রুশ ভূখণ্ডে প্রবেশ করে। আমাদের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী সফলভাবে ১১০টিরও বেশি ড্রোন ধ্বংস করেছে। তবে কয়েকটি ড্রোন আঘাত হানায় চারজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রুশ বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী রাডার ও ইলেকট্রনিক জ্যামিং সিস্টেম ব্যবহার করে ড্রোনগুলোকে বাধা দেয় এবং অধিকাংশকেই সীমান্তের কাছেই ধ্বংস করা হয়।
বেলগোরোদ অঞ্চলের গভর্নর ভিয়াচেস্লাভ গ্লাদকভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান,
“দুটি ড্রোন আবাসিক এলাকায় আঘাত হানে, এতে একটি ভবনে আগুন ধরে যায়। চারজন নিহত এবং অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।”
ব্রায়ানস্ক অঞ্চলেও কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে। বর্তমানে উদ্ধারকাজ ও আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে।
অন্যদিকে ইউক্রেনীয় সামরিক সূত্র জানিয়েছে, এই ড্রোন হামলার লক্ষ্য ছিল রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি ও অস্ত্র মজুদ কেন্দ্র। কিয়েভের এক কর্মকর্তা বলেন,
“রুশ বাহিনীর সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করাই আমাদের লক্ষ্য ছিল। আমরা বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালাইনি।”
গত দুই বছরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন হামলা একটি প্রধান কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ইউক্রেন নিয়মিতভাবে রাশিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ড্রোন হামলা চালিয়ে সরবরাহ লাইন ও জ্বালানি অবকাঠামোতে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।
রাশিয়া এর জবাবে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে বিমান হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। এতে উভয় পক্ষেই সামরিক ও বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে।
জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রও বেসামরিক প্রাণহানিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au