এক ইনজেকশনেই নির্মূল হবে ক্যানসারের টিউমার
মেলবোর্ন, ১ জুন- ক্যানসার চিকিৎসায় বড় ধরনের অগ্রগতির সম্ভাবনা দেখাচ্ছে নতুন একটি পরীক্ষামূলক ইনজেকশন। আন্তর্জাতিক এক ক্লিনিক্যাল গবেষণায় দেখা গেছে, ‘অ্যামিভান্টাম্যাব’ নামের এই ওষুধ কিছু…
মেলবোর্ন, ৩১ মে- পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে ডাকা দলের পরিষদীয় বৈঠক শেষ পর্যন্ত কোরাম সংকটের কারণে বাতিল করা হয়েছে। ৮০ সদস্যের বিধায়ক দলের মধ্যে মাত্র ২০ জন উপস্থিত হওয়ায় নির্ধারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি, যা রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রোববার কলকাতার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। তৃণমূল পরিষদীয় দলের নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিধায়কদের সঙ্গে দলীয় সমন্বয় ও সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার উদ্দেশ্যে বৈঠকের ডাক দেন। বৈঠকের গুরুত্ব বিবেচনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপস্থিত থাকারও অনুরোধ জানানো হয়েছিল।
তবে নির্ধারিত দিনে দলটির ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র ২০ জন বৈঠকে অংশ নিতে আসেন। প্রয়োজনীয় কোরাম পূরণ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বৈঠক বাতিল ঘোষণা করা হয়।
বৈঠক বাতিলের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে অনেক বিধায়ক নিজ নিজ এলাকায় ব্যস্ত ছিলেন। বিশেষ করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগের পর দলীয় কর্মসূচি নিয়ে নেতাকর্মীরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।
কুণাল ঘোষের দাবি, শনিবার সন্ধ্যা থেকেই অনেক বিধায়ক বৈঠকের তারিখ পরিবর্তনের অনুরোধ করেছিলেন। এ পরিস্থিতিতে দলীয় নেতৃত্ব বৈঠকটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
তবে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, যদি আগেই বৈঠক স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে ২০ জন বিধায়ক কেন কালীঘাটে উপস্থিত হয়েছিলেন। এতে ধারণা করা হচ্ছে, উপস্থিতির হার প্রত্যাশার তুলনায় কম হওয়ায় পরবর্তীতে বৈঠক বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।
বৈঠকে উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন সাবেক স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র, রুকবানুর রহমান, অশোক দেব, গুলশন মল্লিক, আব্দুল রহিম বক্সী এবং তোরাফ হোসেন মণ্ডলসহ আরও কয়েকজন বিধায়ক।
অন্যদিকে অনুপস্থিতদের তালিকায় ছিলেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা, কসবার বিধায়ক জাভেদ খান এবং মেটিয়াবুরুজের বিধায়ক আব্দুল খালেক মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাদের অনেকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।
নতুন বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের শক্তিশালী উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও পরিষদীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এত কমসংখ্যক বিধায়কের উপস্থিতি দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক সমন্বয় নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঘটনাটি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে জল্পনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au