ইন্দোনেশিয়ায় অবৈধ প্রবেশের সময় ৮ বাংলাদেশিসহ আটক ১৬
মালয়েশিয়া থেকে অবৈধ পথে ইন্দোনেশিয়ায় প্রবেশের সময় আট বাংলাদেশিসহ ১৬ জন অভিবাসী শ্রমিককে আটক করেছে দেশটির নৌবাহিনী। সোমবার রিয়াউ প্রদেশের দুমাই শহরের উপকূলীয় এলাকায় অভিযান…
জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিদ্যুতের নতুন মিটার স্থাপন কিংবা সংযোগ দেওয়ার আগেই এক গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার বিল তৈরি হয়েছে। আগস্ট মাসের ওই বিল দেখে বিস্মিত হয়েছেন ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার। মিটার ও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকা অবস্থায় কীভাবে বিল তৈরি হলো, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায়। ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাড়িতে আগে থেকেই দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে আরও একটি মিটার স্থাপনের জন্য তিনি আবেদন করেন। তবে নতুন মিটার স্থাপন কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই তার নামে আগস্ট মাসের জন্য ৬৯২ টাকা বিল তৈরি করা হয়েছে।
শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, নিমাই চন্দ্র সরকারের বাড়িতে চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ডও তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু নতুন মিটারটি এখনো স্থাপন করা হয়নি এবং সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়নি। এর মধ্যেই তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে। এর মধ্যে নতুন মিটারের বিপরীতে আগস্ট মাসের বিল ধরা হয়েছে ৬৯২ টাকা।
মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই বিল আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও বিস্ময় দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, যেখানে নতুন মিটারই স্থাপন করা হয়নি এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারও শুরু হয়নি, সেখানে ওই মিটারের নামে বিল কীভাবে তৈরি হলো। তারা বিষয়টি তদন্ত করে এর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল তৈরি করা হয়েছে। তবে মিটার বা বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকা অবস্থায় বিল তৈরি করা যায় কি না জানতে চাইলে তিনি এটিকে ভুল হিসেবে উল্লেখ করেন।
জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) আবু সালেহ মো. নাঈম বলেন, সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এ ধরনের সমস্যা হয়েছে। তবে মিটার ও সংযোগ না থাকা অবস্থায় কীভাবে ওই গ্রাহকের নামে বিল তৈরি হলো, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
একই বিষয়ে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিনও স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তিনি বলেন, মিটার বা সংযোগ ছাড়া কীভাবে বিল এসেছে, তা তার জানা নেই এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
মিটার স্থাপনের আগেই বিল তৈরির এই ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের বিলিং ব্যবস্থাপনা, সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি কীভাবে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au