বাংলাদেশে হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ১১৪
বাংলাদেশে হামের প্রকোপে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছরে হাম ও হামের মতো উপসর্গে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১…
অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করেছে ওয়ান নেশন। শনিবার মেলবোর্নের সাউথব্যাংকের ক্রাউন কনফারেন্স সেন্টারে প্রায় ৭৫০ সমর্থকের উপস্থিতিতে আয়োজিত সমাবেশে দলটির নেতা পলিন হ্যানসন প্রচারণার সূচনা করেন। ভিক্টোরিয়ায় আগামী ২৮ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রায় আড়াই ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানে পলিন হ্যানসন সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, তিনি দলকে একটি রাজনৈতিক মাধ্যম হিসেবে সামনে তুলে ধরেছেন, এখন সমর্থকদেরই সেটিকে এগিয়ে নিতে হবে। তার বক্তব্যে ভিক্টোরিয়ার বর্তমান সরকার, রাজ্যের ঋণ, অপরাধ পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন সরকারি নীতির সমালোচনা উঠে আসে।
সমাবেশে হ্যানসন ভিক্টোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী বেন ক্যারলের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। বেন ক্যারল এর আগে ওয়ান নেশনের উত্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। হ্যানসন বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি ওয়ান নেশনকে ভয় পাওয়ার কথা বলেন, তাহলে তার মতে রাজ্যের ঋণ, অপরাধ এবং সরকারি ব্যয়ের মতো আরও কিছু বিষয় নিয়েও উদ্বেগ থাকা উচিত।
হ্যানসন অভিযোগ করেন, ভিক্টোরিয়া একসময় শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে ব্যবসা পরিচালনা, সরকারি ঋণ, অপরাধ এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, একটি কার্যকর বিরোধী দল না থাকলে সরকারের ওপর প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয় না।
ওয়ান নেশনের প্রচারণায় আইনশৃঙ্খলা, জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানি, আবাসন ও সরকারি ব্যয়ের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দলটি অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির কথা বলেছে। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত সাবারবান রেল লুপ প্রকল্প এবং রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত চুক্তি বাতিলের পক্ষে অবস্থান জানিয়েছে।
ভিক্টোরিয়ায় ওয়ান নেশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ওয়ারেন পিকারিং। দলটি রাজ্যের বিভিন্ন আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর আগে দলটি জানিয়েছিল, তারা নিম্নকক্ষের সব আসনেই প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
প্রচারণা শুরুর অনুষ্ঠানে ওয়ান নেশনের প্রার্থীরা মঞ্চে উঠে দলীয় কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানান। অনুষ্ঠানের শেষ দিকে সংগীতের সঙ্গে প্রার্থীদের একসঙ্গে মঞ্চে ওঠার মধ্য দিয়ে সমাবেশ শেষ হয়।
অন্যদিকে, ভিক্টোরিয়ার ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি ওয়ান নেশনের উত্থানকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বেন ক্যারল প্রকাশ্যে ওয়ান নেশনের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। তবে লিবারেল পার্টির নেতা জেস উইলসন বলেছেন, তার প্রধান লক্ষ্য সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন করা এবং তিনি অন্য দলগুলোর পরিবর্তে নিজেদের কর্মসূচির ওপরই গুরুত্ব দিচ্ছেন।
ভিক্টোরিয়ার নির্বাচন ঘিরে বর্তমানে লেবার, লিবারেল-ন্যাশনাল জোট, ওয়ান নেশন এবং অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলই নির্ধারণ করবে পরবর্তী রাজ্য সরকার ও আইনসভায় বিভিন্ন দলের আসনসংখ্যা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au