গোলখরা কাটিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন আলভারেজ
দীর্ঘ আট মাসের গোলখরা কাটিয়ে স্প্যানিশ ক্লাব আতলেতিকো মাদ্রিদের জয়সূচক গোল করেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজ। গোল করার পর সমর্থকদের কাছে আগের মন্তব্যের জন্য…
ইরানে আবারও সামরিক হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শনিবার তিনি বলেছেন, রোববারই ইরানে নতুন করে হামলা শুরু হতে পারে। তবে তেহরান ওয়াশিংটনের শর্ত মেনে বড় কোনো চুক্তিতে সম্মত হলে সামরিক অভিযান এড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালি নিয়ে অচলাবস্থা, অর্থনৈতিক চাপ এবং সাধারণ মানুষের খাদ্যসংকট বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
একই সময়ে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের দিকে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করার দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। অন্যদিকে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরান এখনো আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ইসলামাবাদে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত। তবে তেহরানের অভিযোগ, ওয়াশিংটন নৌ অবরোধ অব্যাহত রেখে কূটনৈতিক উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করছে।
ট্রাম্পের নতুন হামলার হুমকি, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে বিরোধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে সামরিক তৎপরতার কারণে অঞ্চলটিতে আবারও সংঘাত তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
‘হামলা হতে পারে রোববার’, বললেন ট্রাম্প
ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছে এবং তা সম্ভবত রোববার শুরু হতে পারে। তবে ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত অনুযায়ী চুক্তিতে সম্মত হয়, তাহলে নতুন হামলা এড়ানো সম্ভব হতে পারে বলেও জানান তিনি।
ট্রাম্পের ভাষ্য, ইরান চুক্তি করতে চায়। কিন্তু তেহরান চুক্তিতে সম্মত হলে তা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি কতটা রক্ষা করবে, সেটিই বড় প্রশ্ন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তাঁর মূল লক্ষ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা থেকে বিরত রাখা। গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামোয় হামলা চালানোর কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, ওই অভিযানই যথেষ্ট ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এ বছর আবার হামলার সিদ্ধান্ত না নিলে আগের অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ থেকে যেত।
তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল, অবরোধ এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণের বিষয়গুলোও দুই দেশের মধ্যে আলোচনার বড় বাধা হয়ে রয়েছে।
ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুদ্ধ শুরুর আগের মতোই তেল পরিবহন হচ্ছে। তবে এ দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে সামরিক শক্তি প্রয়োগের ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলেন, তাঁকে হয়তো নিজের লক্ষ্য পূরণে সামরিক পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় ইরান চুক্তিতে সম্মত হতে পারে। তাঁর দাবি, সামরিক অভিযান হোক বা চুক্তির মাধ্যমে, যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য অর্জন করবে।
রিয়াদের দিকে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র, প্রতিহত করার দাবি
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের দিকে যাওয়ার সময় প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরান–সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর হামলার পর ধোঁয়া ও আগুনের কুণ্ডলী দেখা যায়। ছবিঃ রয়টার্স
রোববার স্থানীয় সময় ভোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জোটটি জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা রিয়াদ লক্ষ্য করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করেছে। বিবৃতিতে হুথিদের ‘সন্ত্রাসী মিলিশিয়া’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
জোটের বিবৃতির আগে বার্তা সংস্থা এএফপির এক সাংবাদিক রিয়াদে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানান। এর আগে বাসিন্দাদের কাছে ‘শত্রুপক্ষের আকাশপথে হামলার হুমকি’ সম্পর্কে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল। বার্তায় তাঁদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলা হয়।
তবে ক্ষেপণাস্ত্রটি কোথা থেকে ছোড়া হয়েছিল, সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না এবং হামলার লক্ষ্যবস্তু কী ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ক্ষতিপূরণ আদায়ে অনড় ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি শনিবার দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান হুজ্জাতুল ইসলাম মোহসেনি এজেইর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। যুদ্ধের শুরু থেকে মোজতবা খামেনিকে প্রকাশ্যে দেখা না গেলেও তাঁর বিভিন্ন বৈঠক ও অবস্থান নিয়ে সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করা হচ্ছে।
বৈঠক সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘটিত অপরাধের কারণে ইরানের যে বস্তুগত ও নৈতিক ক্ষতি হয়েছে, তার ক্ষতিপূরণ আদায়ে তেহরান দৃঢ়ভাবে কাজ করবে।
যুদ্ধ বন্ধে সম্ভাব্য সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরান আগে দেশটির ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অর্থ দাবি করেছিল। তবে ওয়াশিংটন ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করে।
বৈঠকের বিবৃতিতে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
যুদ্ধের প্রথম দিন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রাসাদে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় আলী খামেনি নিহত হন। তাঁর মেয়ে, নাতনি, জামাতা ও পুত্রবধূও নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলায় মোজতবা খামেনি আহত হলেও বেঁচে যান। এরপর থেকে তিনি প্রকাশ্যে আসেননি।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনায় আগ্রহী তেহরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিরোধ নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় জুনে হওয়া অন্তর্বর্তী সমঝোতার আওতায় আলোচনায় বসতে ইরান এখনো প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ইসলামাবাদে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দাম।
শনিবার ইসলামাবাদে এক সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করার বিষয়ে ইরান সম্প্রতি পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে এর শর্ত ছিল, ওয়াশিংটনকে ইরানের ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে।
ইরানি রাষ্ট্রদূতের অভিযোগ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ অব্যাহত রাখার অবস্থান জানিয়ে ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানের কারণে কূটনৈতিক উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
জুনের সমঝোতা উদ্যোগে পাকিস্তান ও কাতার মধ্যস্থতা করেছিল। এর লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বৃহত্তর বিরোধগুলোর সমাধানে আলোচনা শুরু করা।

মানচিত্রে হরমুজ প্রণালি। ছবি: রয়টার্স
মোগাদ্দাম বলেন, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের তেহরান সফরের সময় ইরানি কর্মকর্তারা হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিলেন। তবে এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে বলে শর্ত দেওয়া হয়েছিল।
হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। এই পথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন করা হয়। সেখানে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ, তেলের দাম এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি পর্যালোচনা করবে ইরান
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়েও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানি রাষ্ট্রদূত। তিনি জানান, চুক্তিটি পর্যালোচনা করে এরপর এ বিষয়ে তেহরান নিজেদের অবস্থান নির্ধারণ করবে।
মোগাদ্দামের ভাষ্য, চুক্তিটি যদি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে, তাহলে ইরান সেটিকে সমর্থন করতে পারে। তিনি চুক্তিটিকে আঞ্চলিক ঐক্য প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্য একটি উপকরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তবে চুক্তিটির শর্ত, ইরানের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ এবং এর মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
যুদ্ধের চাপে খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছেন ইরানিরা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের কারণে ইরানের অর্থনৈতিক চাপ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শনিবার নিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে দেশটির বহু মানুষ পরিবারের জন্য খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছেন।
পেজেশকিয়ান বলেন, যুদ্ধের মধ্যে পড়ে যাওয়া পরিস্থিতির কারণে সমাজের অনেক মানুষ এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার সংগ্রহ করতে পারছেন না। তাঁর বক্তব্যে যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ উঠে এসেছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান কমিয়ে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের নেতারা বলছেন, ওয়াশিংটন চাপ ও হুমকি অব্যাহত রাখলে শান্তি আলোচনা সফল হবে না।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবিঃ সংগৃহীত
পেজেশকিয়ান বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধও নয়, শান্তিও নয়’ এমন একটি অবস্থা হিসেবে বর্ণনা করে তা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে কীভাবে এই অচলাবস্থা কাটানো সম্ভব, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা তুলে ধরেননি।
যুদ্ধের কারণে অর্থনীতি, খাদ্য সরবরাহ ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর চাপ বাড়লে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিও আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের মধ্যে নিত্যপণ্যের দাম, কর্মসংস্থান ও সরবরাহব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সপ্তাহান্তেই হামলা শুরু হতে পারে, আগেই সতর্ক করেছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত
ইরানে নতুন করে হামলার আশঙ্কা শুক্রবারও সামনে এসেছিল। তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক বলেছিলেন, সপ্তাহান্তেই ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা পুনরায় শুরু হতে পারে।
পডকাস্ট উপস্থাপক মারিও নওফালের সঙ্গে আলাপকালে ব্যারাক বলেন, সপ্তাহান্তে হামলা হতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি তা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন এবং ইরানবিষয়ক নীতিনির্ধারণে তাঁর সরাসরি ভূমিকা নেই।
এরপর ট্রাম্পের সর্বশেষ বক্তব্যে রোববার হামলার সম্ভাবনার কথা আসায় নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে হামলা শুরুর বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য একটি সম্ভাবনার ইঙ্গিত, এটি হামলা শুরু হওয়ার নিশ্চিত ঘোষণা নয়।
সূত্রঃ সিবিএস নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au