বিদায়ের সুরে বিষণ্ন দশমী, আগামী শরতে ফেরার অপেক্ষা
আনন্দ, উচ্ছ্বাস, উৎসবের রঙ আর বিদায়ের বিষণ্নতা মিশ্রিত আবহে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। বুধবার (২১ অক্টোবর)…
মেলবোর্ন, ২২ নভেম্বর- দেশজুড়ে অনুভূত সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল নরসিংদীর মনোহরদী এলাকা। ভূকম্পবিদরা জানিয়েছেন, অঞ্চলটির নিচে সক্রিয় ফল্ট লাইন থাকায় এই এলাকায় মাঝেমধ্যে ভূমিকম্পের উদ্ভব ঘটে। শুক্রবার সকালে হওয়া ভূমিকম্পটি তীব্রভাবে অনুভূত হলেও এর গভীরতা তুলনামূলক কম থাকায় আশপাশের জেলাগুলোতে কাঁপন বেশি টের পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ভূমিকম্পটির উৎসস্থল ছিল মনোহরদী থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে, ভূ-পৃষ্ঠের নিচে মাত্র কয়েক কিলোমিটার গভীরে। এ ধরনের স্বল্প–গভীরতার কম্পন সাধারণত কাছাকাছি এলাকায় বেশি ক্ষতি করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নরসিংদীসহ মধ্যাঞ্চলের নিচে ‘মাধবপুর ফল্ট’ ও ‘ব্রহ্মপুত্র ফল্ট’ নামে দুটি সক্রিয় ভূ-তাত্ত্বিক বিভাজন রয়েছে। এসব ফল্টের নড়াচড়া ভূ-পৃষ্ঠে চাপ তৈরি করে। এ চাপ মুক্ত হওয়ার সময় ভূমিকম্প ঘটে, যা হঠাৎ ও তীব্র কাঁপন আনে।
আবহাওয়াবিদদের ভাষ্য, নরসিংদী এলাকা ভূমিকম্পের স্থায়ী কেন্দ্র নয়, বরং সক্রিয় ফল্ট লাইনের কারণে মাঝেমধ্যে কেন্দ্রবিন্দু ওই এলাকায় পড়তে পারে। সাম্প্রতিক কম্পনের উৎপত্তি সেখানে হওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় তীব্র কাঁপন অনুভূত হয়েছে।
তারা আরও জানান, এ ভূমিকম্পের পর আফটারশকের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না, তবে বড় কোনো ধাক্কা পাওয়ার ঝুঁকি কম। ভূমিকম্প–প্রবণ এলাকায় ভবন নির্মাণে বিধি মেনে চলা ও জরুরি প্রস্তুতি জোরদার করার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সুত্রঃ বিবিসি বাংলা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au