সোনারগাঁয়ে ঘুমন্ত কিশোরীর গায়ে গরম পানি ঢালার অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে ঘুমন্ত ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীর গায়ে গরম পানি ঢেলে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। এতে কিশোরীর শরীরের বিভিন্ন…
মেলবোর্ন, ২৪ নভেম্বর- অনুপ্রবেশের মামলায় ভারতের আসাম থেকে আসা সখিনা বেগম অবশেষে জামিন পেয়েছেন। রোববার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জাকির হোসাইন তার জামিন মঞ্জুর করেন। এ সময় সখিনা বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তিনি সোমবার কারামুক্ত হবেন।
সখিনার আইনজীবী রহমাতুল্যাহ সিদ্দিক আদালতকে জানান, মামলাটি জামিনযোগ্য এবং সখিনা ইচ্ছা করে বাংলাদেশে আসেননি। পরিবারের অভিযোগ, তাকে জোর করে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষা বাহিনী বিএসএফ। তিনি বলেন, সখিনার বিরুদ্ধে মামলা হলেও তার পরিস্থিতি বিবেচনায় জামিন পাওয়া উচিত ছিল।
শুনানি শেষে আদালত সখিনা বেগমকে তার আশ্রয়দাতা ক্লান্তি আক্তার, ক্লান্তির মা জাকিয়া এবং খালা ময়না আক্তারের জিম্মায় জামিন দেন। তাদের উপস্থিতিতেই জামিন আদেশ হয়।
জামিন পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন ক্লান্তি আক্তার। তিনি জানান, চারবার শুনানিতে এসে ব্যর্থ হয়েছিলেন। আজ জামিন হওয়ায় তারা অনেক খুশি।
ঘটনার শুরু কয়েক মাস আগে। ভারতের আসাম রাজ্যের নলবাড়ী জেলার বরকুড়া গ্রামের বাসিন্দা সখিনাকে বিএসএফ ধরে নিয়ে জোর করে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দেয় বলে অভিযোগ করে তার পরিবার। বিষয়টি নিয়ে বিবিসি বাংলায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। এর আগেই তাকে হেফাজতে নেয় ভাষানটেক থানা পুলিশ।
মামলার নথিতে বলা হয়, ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভাষানটেকের টিনশেড টেকপাড়া গলির মুখে সখিনাকে পাওয়া যায়। পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি নিজেকে ভারতের নাগরিক বলে জানান। পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে ‘দ্য কন্ট্রোল অব এন্ট্রি অ্যাক্ট, ১৯৫২’-এর অধীনে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়।
একাধিকবার জামিন আবেদন নাকচ হওয়ার পর অবশেষে রোববার আদালত তার আবেদনে সাড়া দেন। তিনি সোমবার কারামুক্ত হবেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au